ই-পেপার মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০১৯ ৮ শ্রাবণ ১৪২৬
ই-পেপার মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০১৯

কেন পড়ব আইন
শিক্ষার আলো ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ১ জুন, ২০১৯, ১২:০০ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের প্রায় প্রতিটি পাবলিক কিংবা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েই আইন বিষয়ে লেখাপড়ার
সুযোগ রয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন কোর্স পড়ানো হয়। আইনের প্রাথমিক ধারণাগুলো এখানে আলোচনা করা হয়। তা ছাড়া পড়ানো হয় সাংবিধানিক আইন, যা ছাড়া এ দেশের আইনগুলো বুঝতেই পারব না। বাংলাদেশে পারিবারিক আইনগুলোতে ধর্মীয় আইনের গভীর প্রভাব রয়েছে, মুসলিম ও হিন্দু আইন পড়তে গেলে তা বোঝা যায়। আন্তর্জাতিক পরিমÐলের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশকে কী কী আইন মেনে চলতে হবে, তা পড়ানো হয় আন্তর্জাতিক আইনে। তা ছাড়া স্নাতক পর্যায়ে ভ‚মি আইন, ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত আইন,
পরিবেশ আইন, ক্রিমিনোলজি, সিপিসি, সিআরপিসি ইত্যাদি পড়ানো হয়। স্নাতকোত্তর
পর্যায়ে আরও কিছু বিশেষায়িত বিষয় পড়ানো হয়।
ভবিষ্যৎ কী
আইন খুবই বিস্তৃত বিষয়। তবে এ দেশে পেশাগত ক্ষেত্রে আইনের সঠিক বিকাশ হয়নি বলে মানুষ এখনও কয়েকটি প্রথাগত ক্ষেত্রেই ভবিষ্যৎ গড়ার কথাভাবে আদালতে ওকালতি, বিচারক কিংবা শিক্ষক। তবে এর বাইরে আরও অনেক কাজ সম্ভব। যেমন আইন পড়ে গবেষকও হওয়া যায়।
গবেষণা যে শুধু আইনের ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকবে তা নয়। সমাজবিজ্ঞান, ধর্মতত্ত¡, অর্থনীতি, মেডিকেল সায়েন্স সব কিছুর সঙ্গেই আইন নিয়ে গবেষণা সম্ভব। এ কারণে আইনকে আন্তঃগবেষণা ক্ষেত্রও বলা যায়। পৃথিবী যতই এগিয়ে যাক না কেন, আইন পেশার গুরুত্ব সব সময় থাকবে।

ক্যারিয়ার কোথায়
প্রথমত, আইনজীবী হিসেবে সফল ক্যারিয়ার গড়ার সম্ভাবনা তো আছেই। কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থীরা যেসব চাকরিতে আবেদনের যোগ্য, আইনের শিক্ষার্থীরাও সেই সব পদে অনায়াসে ক্যারিয়ার গড়তে পারেন। ‘জুডিশিয়াল সার্ভিস’ অর্থাৎ সহকারী জজ ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে ‘সরকারি ফার্স্ট ক্লাস গেজেটেড অফিসার’ হওয়ার সুযোগ আছে, যা শুধু আইনের শিক্ষার্থীদের জন্যই। বিসিএসে পররাষ্ট্র, প্রশাসন, পুলিশ, কাস্টমস ইত্যাদি নন-টেকনিক্যাল ক্যাডারে যোগ দিতে পারবেন। দেশের প্রায় প্রতিটি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনের শিক্ষকের চাহিদা আছে।
কমিশনড অফিসার পদমর্যাদায় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীতে স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ‘জাজ অ্যাডভোকেট জেনারেল’ হিসেবে যোগ দেওয়া যায়। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘সহকারী আইনসচিব’ হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ার কথাও ভাবতে পারেন।
এ ছাড়া বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি দূতাবাস, ব্যাংক ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে ‘ল অফিসার’ হিসেবে নিয়োগ পাওয়া যায়।
আদালতে সরকারি আইন কর্মকর্তা বা পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে নিয়োগ হয়। বিদেশে ইমিগ্রেশন কেস অফিসার বা ল’ অফিসার হিসেবে কাজ করেন অনেকে।  আইনের ডিগ্রিধারীদের জন্য রয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা যেমন ইউএনএইচসিআর, ইউএনডিপি, ডবিøউএইচও, ইউনিসেফ, আইওএম, আইএলও ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে কাজের সুযোগ। আইনি পরামর্শক বা উপদেষ্টা হিসেবেও ক্যারিয়ার গড়তে পারেন। তা ছাড়া মানবাধিকার কিংবা নারী ও শিশু অধিকার নিয়ে যদি কেউ কাজ করতে চান, তবে তার জন্য সেরা প্ল্যাটফর্ম আইনপাঠ।





সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : রফিকুল ইসলাম রতন
আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ।
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]