ই-পেপার মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০১৯ ৮ শ্রাবণ ১৪২৬
ই-পেপার মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০১৯

একাদশে ক্লাস শুরু ১ জুলাই
শিক্ষার আলো প্রতিবেদন
প্রকাশ: শনিবার, ৮ জুন, ২০১৯, ১১:৪০ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ

কলেজ ও মাদ্রাসায় ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে আবেদন করেছে সোয়া ১৫ লাখ শিক্ষার্থী। যদিও এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১৭ লাখ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এই হিসেবে ২ লাখ ৪২ হাজার শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য কোথাও আবেদন করেনি। পছন্দক্রম দিয়ে একজন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী এ বছরও অনলাইনে সর্বনিম্ন ৫টি ও সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে আবেদন করে। এখন যাচাই-বাছাই করে শিক্ষার্থীর ফল ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য নির্বাচন করে দেবে শিক্ষা বোর্ড। এ পর্যায়ে আবেদনকারীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১০ জুন। দ্বিতীয় পর্যায়ে আবেদন করা যাবে ১৯ ও ২০ জুন। ২১ জুনই আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে। তৃতীয় ধাপে আবেদন নেওয়া হবে ২৪ জুন। ফল প্রকাশ করা হবে ২৫ জুন। ২৭ থেকে ৩০ জুন শিক্ষার্থীদেরকে নির্বাচিত কলেজে ভর্তি হতে হবে। যারা পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছে, তাদেরও ১২ মে থেকে ২৩ মের মধ্যে আবেদন করতে হয়েছে। তবে পুনর্নিরীক্ষণে যাদের ফল পরিবর্তন হবে শুধু তারা আবারও ভর্তির জন্য আবেদনের সুযোগ পাবে। তাদের জন্য সময় নির্ধারণ রাখা হয়েছে ৩ ও ৪ জুন। পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ হবে আগামী ১ জুন। এরপর ৩০ জুনের মধ্যে ভর্তির কাজ শেষ করে ১ জুলাই থেকে একাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু হবে। এদিকে একাদশ শ্রেণিতে এবারও রাজধানীর তিন কলেজ আলাদাভাবে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে। এগুলো হচ্ছেÑ নটর ডেম, সেন্ট যোসেফ এবং হলিক্রস কলেজ।
এবার মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ হয়েও ২ লাখ ৪২ হাজার ৪২ শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে আবেদন করেননি; যা উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর এক-সপ্তাংশ। আবেদনকৃত শিক্ষার্থীর কেউ ৩টি আবার কেউ ১০টি পর্যন্ত কলেজের জন্য আবেদন করেছে। আবেদনকারীদের মধ্যে ছাত্রী বেশি। ছাত্রী আবেদন করেছে ৭ লাখ ২১ হাজার ৩০৩ জন।
একই সঙ্গে কারিগরি বোর্ডের অধীন বিভিন্ন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটসহ অন্যান্য কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তির জন্য আবেদন করা যাচ্ছে। ১২ মে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়। একটানা ৮ জুন পর্যন্ত আবেদন নেওয়া হবে।
সরকারি ও বেসরকারি কলেজগুলোকে এ, বি ও সি এই তিন ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়। ভর্তির আবেদনকারী তার মেধা অনুসারে কোন কোন কলেজ পছন্দক্রমে রাখবে তার একটি তালিকাও দিয়ে দেয় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। ঢাকার ‘এ’ ক্যাটাগরি কলেজগুলোর মধ্যে আছে নটর ডেম কলেজ, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা কলেজ, হলিক্রস কলেজ, ঢাকা কমার্স কলেজ, সরকারি বিজ্ঞান কলেজ, বদরুন্নেছা কলেজ, ঢাকা সিটি কলেজ, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, লালমাটিয়া গার্লস কলেজ, বিএএফ শাহীন কলেজ।
ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে। বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে সমান জিপিএ প্রাপ্তদের মেধাক্রমের ক্ষেত্রে সাধারণ গণিত, উচ্চতর গণিত অথবা জীববিজ্ঞানে প্রাপ্ত জিপিএ বিবেচনায় আনা হবে। এরপরও একই নম্বরপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ভর্তির বিষয়ে সুরাহা না এলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়নে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনা হবে। আর মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে সমান জিপিএ প্রাপ্তদের ভর্তির ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলায় অর্জিত গ্রেড পয়েন্ট বিবেচনা করা  হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শতভাগ মেধার ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করবে কলেজগুলো। অগ্রাধিকার কোটার আবেদনকারীকে অতিরিক্ত শিক্ষার্থী হিসেবে ভর্তি করবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বা তাদের সন্তানদের জন্য, ৩ শতাংশ বিভাগীয় ও জেলা সদরের বাইরের শিক্ষার্থীদের জন্য, ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধস্তন দফতর, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের সন্তানদের জন্য শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ বিকেএসপির জন্য এবং শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ প্রবাসীদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে।





সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : রফিকুল ইসলাম রতন
আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ।
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]