ই-পেপার বৃহস্পতিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ৪ আশ্বিন ১৪২৬
ই-পেপার বৃহস্পতিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

বহুমুখী পাটপণ্যের প্রমোশন বোর্ডের আইন হচ্ছে
শাহনেওয়াজ
প্রকাশ: রোববার, ৯ জুন, ২০১৯, ৮:০৫ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

বহুমুখী পাটপণ্যের প্রমোশন বোর্ডের আইন হচ্ছে

বহুমুখী পাটপণ্যের প্রমোশন বোর্ডের আইন হচ্ছে

বহুমুখী পাটপণ্য সম্পর্কিত নীতিমালা তৈরি থেকে শুরু করে বহুমুখী পাট শিল্প স্থাপনসহ বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করার জন্য সরকার জুট ডাইভারসিফেকেশন প্রমোশন বোর্ড আইন তৈরি করছে। এই আইনের খসড়া নিয়ে ৩০ মে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বর্তমানে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীনে জুট ডাইভারসিফেকেশন প্রমোশন সেন্টার রয়েছে। কিন্তু তা এখনও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো পায়নি। এই প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য এই আইন তৈরি হচ্ছে বলে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী এই বোর্ডের প্রধান কার্যালয় হবে ঢাকায়। প্রয়োজনবোধে দেশের যেকোনো স্থানে এর শাখা হতে পারে। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব হবেন এই বোর্ডের চেয়ারম্যান। ১৫ সদস্যের এই বোর্ডে অর্থ, বাণিজ্য, শিল্প মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। বোর্ডের ক্ষমতা ও কার্যাবলী সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে, এই বোর্ড বহুমুখী পাট শিল্প স্থাপনে উদ্যোক্তাদের দেশে ও বিদেশে উদ্ভাবিত নতুন নতুন প্রযুক্তি সংগ্রহ করে সরবরাহ করবে। একই সঙ্গে এসব প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে নতুন নতুন উচ্চমূল্য সংযোজিত পাট পণ্য সামগ্রী উৎপাদনে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে। বহুমুখী পাট শিল্প স্থাপনের জন্য বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সহায়তা করা, বহুমুখী পাটপণ্য সামগ্রী দেশে-বিদেশে বাজারজাত করা, এ ছাড়াও বহুমুখী পাট শিল্প স্থাপনের জন্য উদ্যোক্তাদের ঋণ, বীমা ও প্রণোদনা সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদান করা, উৎপাদনকারী উদ্যোক্তাদের কাঁচামাল সহজলভ্য করাসহ সরবরাহের জন্য যাবতীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা।

প্রস্তাবিত আইনে বোর্ডের আরও কিছু কাজের বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেÑ ক্ষতিকারক কৃত্রিম তন্তু সামগ্রীর উৎপাদন, আমদানি, বিপণন ও ব্যবহার নিরুৎসাহিত করার জন্য সরকার প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। এ ছাড়াও বহুমুখী পাট শিল্পের সার্বিক অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ ও পরিবীক্ষণ করা। সর্বোপরি সরকারের সময়ে সময়ে যেকোনো দায়িত্ব পালন করবে। বোর্ড কীভাবে চলবে এ নিয়ে প্রস্তাবিত আইনে উল্লেখ করা হয়েছে, এর জন্য একটি তহবিল থাকবে। এই তহবিলের টাকা আসবে বার্ষিক উন্নয়ন বাজেট ও রাজস্ব বাজেট থেকে। এর পাশাপাশি সরকার নিয়মিত বরাদ্দ, ঋণ কিংবা অনুদান দেবে। তবে কোনো বিদেশি সংস্থা যদি কোনো ধরনের অনুদান কিংবা সহায়তা করতে চায় তাহলে সরকারের অনুমতির প্রয়োজন হবে।

এই আইনে প্রবিধান তৈরির ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এ আইন কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সব স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বোর্ডের কাছে হস্তান্তর ও ন্যস্ত করা হবে। এমনকি, নগদ ও ব্যাংকে রাখা টাকাও বোর্ডের কাছে হস্তান্তর করা হবে।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : রফিকুল ইসলাম রতন
আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ।
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]