ই-পেপার  বুধবার ২০ নভেম্বর ২০১৯ ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ই-পেপার  বুধবার ২০ নভেম্বর ২০১৯

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা
প্রশ্নপত্র ফাঁসকারি চক্রের ৮জন রিমান্ড শেষে কারাগারে
নেত্রকোণা প্রতিনিধি
প্রকাশ: বুধবার, ৩ জুলাই, ২০১৯, ৬:৪৫ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 105

প্রশ্নপত্র ফাঁসকারি চক্রের ৮জন রিমান্ড শেষে কারাগারে

প্রশ্নপত্র ফাঁসকারি চক্রের ৮জন রিমান্ড শেষে কারাগারে


নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসকারি চক্রের ৮জনকে দুই দিনের রিমান্ড  শেষে  আদালতে সোপর্দ করলে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত। বুধবার বিকালে সিনিয়র জুডিশিয়াল বিচারিক আদালত-১ এর হাকিম মো: শরিফুল হক তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বলে জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কেন্দুয়া থানার ওসি তদন্ত রফিকুল ইসলাম।

এর আগে সোমবার (১ জুলাই) আদালত দুইদিনের পুলিশী হেফাজতে দেয় অভিযুক্ত প্রশ্ন ফাঁস চক্রের এই ৮জনকে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অপরাধ মো: শাহজাহান মিয়া জানান, রিমান্ডে আসামীরা গুরুত্বপূর্ণ অনেক তথ্য দিয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই চক্রের সাথে জড়িত অন্যদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৮ জুন)  নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালে কেন্দুয়ার টেংগুরি এলাকার ব্যবসায়ী শামিম আহমেদের বাড়ি থেকে ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়, যাদের প্রশ্ন ফাঁসকারি চক্রের সদস্য বলছে পুলিশ।  এদের মধ্যে  ১১ শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।  এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ৯৭ জনের বিরুদ্ধে থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইনে মামলা করে।  পরে শনিবার আদালতে পাঠানোর আগে গ্রেপ্তারদের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সামনে হাজির করেছে পুলিশ।

এ সময় শাহজাহান মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, এই চক্রটি  পরীক্ষার হলে পরিদর্শককে ও বাইরে থেকে বিভিন্ন ডিভাইস, মোবাইল ফোন ব্যবহার করে টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন ফাঁস ও পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িত।  

“পরীক্ষার হলে পরিদর্শক হিসেবে থাকা এই চক্রের সদস্যরা পরীক্ষা শুরুর সাথে সাথে প্রশ্নটা প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাইরে তাদের অন্য সদস্যদের কাছে পাঠিয়ে দেয়। বাইরে থাকা চক্রের অন্যরা দ্রুত প্রশ্নের উত্তর লিখে আবার সেই পরিদর্শকদের কাছে একইভাবে পাঠিয়ে দেয়।”
পরে তারা তাদের নির্দিষ্ট পরীক্ষার্থীদের তা সরবরাহ করে এবং পাশে দাঁড়িয়ে থেকে উত্তর লিখতে সহযোগিতা করে বলে তিনি জানান। “এভাবে তারা একেক পরীক্ষার্থীকে অন্তত ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ নম্বর পাইয়ে দেয়। এরা ৫ থেকে সাত বছর ধরে এভাবে প্রশ্ন ফাঁস করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল।প্রশ্নফাঁস চক্রের সদস্য সন্দেহে শুক্রবার ৩২ জনকে আটকের সময় তাদের কাছ থেকে ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, ডিভাইস ও প্রিন্টার জব্দ করে পুলিশ।

পুলিশ রিমান্ডের পর যে আটজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে তারা হলেন, বলাইশিমুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান ছোটন, নওপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আজহারুল ইসলাম, শরিফুজ্জামান ভূইয়া মিন্টু, দিগদাইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাথমিক শিক্ষক মজিবুর রহমান, বিকাশ দে, জুয়েল মিয়া, আবুল বাশার ও বিলাস সরকার।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]