ই-পেপার মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০১৯ ৭ শ্রাবণ ১৪২৬
ই-পেপার মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০১৯

নীলফামারীতে শহর রক্ষা বাঁধে ইঁদুরের বাসা, আতঙ্কে শহরবাসী
আব্দুর রাজ্জাক, নীলফামারী
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৯ জুলাই, ২০১৯, ২:৩৭ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

নীলফামারীতে শহর রক্ষা বাঁধে ইঁদুরের বাসা, আতঙ্কে শহরবাসী

নীলফামারীতে শহর রক্ষা বাঁধে ইঁদুরের বাসা, আতঙ্কে শহরবাসী

নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর শহর রক্ষা বাঁধে বাসা বেঁধেছে ইঁদুরের দল। ইঁদুরের গর্তের কারনে বন্যায় বাঁধটি ভেঙ্গে গত বছরের ন্যায় এবারও প্লাবিত হতে পারে সৈয়দপুর উপজেলা শহর ও বিমানবন্দর।

চলতি বছর পানি উন্নয়ণ বোর্ড বাঁধটি সংস্কার না করায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে শহরবাসী। 

সূত্রমতে, সৈয়দপুর শহর রক্ষায় শহরের পশ্চিম পাশে খড়খড়িয়া নদীর পূর্ব পাড়ে ১৯৬৫ সালে ৭ কিলোমিটার এবং পরে আরো ৮.৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ১৮ ফুট চওড়া ও ১০ ফুট উঁচু বাঁধ নির্মাণ করা হয়। ইঁদুরের গর্ত আর ট্রাক্টরের অবাধ চলাচলে বাঁধটি জরাজীর্ণ হওয়ায় ২০১৭ সালের বন্যায় পাটোয়ারী পাড়া নামক স্থানে প্রায় ১শত ফুট ভেঙ্গে যায় বাঁধটি। এতে সৈয়দপুর বিমানবন্দরসহ শহরের নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে পানিবন্দি হয়ে পড়ে ৫ হাজার পরিবার।

কোমর পানিতে তলিয়ে যায় সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতাল, সৈয়দপুর মহাবিদ্যালয়, স্টেডিয়াম সহ শহরের প্রধান সড়কগুলি। পানির তোড়ে বিমানবন্দরের পূর্ব ও পশ্চিম দিকের প্রায় ২শ ফুট সীমানা প্রাচীর ধ্বসে পড়ে। ওই বছর ১৫.৫ কিলোমিটার বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সহ বাঁধের ৬ কিলোমিটার পর্যন্ত যেনতেন ভাবে সংস্কারের কাজ করে সৈয়দপুর পানি উন্নয়ণ বোর্ড। কিন্তু এ বছর কোন সংস্কার করা হয়নি।

বর্তমানে বাঁধে ইঁদুরের গর্ত আর বাঁধের কোল ঘেষে পুকুর তৈরি ও মাটি কেটে নেয়ায় এবারে প্রবল ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বাঁধটি। সৈয়দপুর শহরের বাসিন্দা রুহুল আলম মাস্টার জানান, শহর রক্ষা বাঁধটি গত বছর নাম মাত্র সংস্কার করে কর্তৃপক্ষ। বাঁধের গোড়ার মাটি কেটে সংস্কার, ইঁদুর গর্ত ভরাট না করায় এবং কোল ঘেষে পুকুর নির্মাণের ফলে বন্যায় আবারো ভেঙ্গে যাবে বাঁধটি বলে তিনি সহ অনেকেই আশংকা প্রকাশ করছেন।

এ ব্যাপারে সৈয়দপুর পানি উন্নয়ণ বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী কৃষ্ণ কমল চন্দ্র সরকার জানান, গত বছর আমরা যে বরাদ্দ পেয়েছিলাম তা দিয়ে অধিক দূর্বল স্থানগুলো আমরা মেরামত করেছি। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটি আমরা এখন পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষন করছি। কোথাও কোনো সমস্যা হলেআমরা সঙ্গে সঙ্গে তা মেরামতের ব্যবস্থা নেব। তিনি আরো জানান, কোথাও ইঁদুরের গর্ত থাকলে তা বন্ধকরে দিচ্ছি এবং ইঁদুর মারার ব্যবস্থা ইতিমধ্যে গ্রহণ করেছি।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : রফিকুল ইসলাম রতন
আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ।
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]