ই-পেপার  বুধবার ২০ নভেম্বর ২০১৯ ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ই-পেপার  বুধবার ২০ নভেম্বর ২০১৯

ঝালকাঠির প্রত্যন্ত গ্রামকেও শহরে রূপান্তর করা হবে
মো. আতিকুর রহমান ঝালকাঠি
প্রকাশ: শুক্রবার, ১২ জুলাই, ২০১৯, ১২:০০ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 100

দৈনিক সময়ের আলোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সরদার মো. শাহ আলম বলেছেন, ঝালকাঠির প্রত্যন্ত গ্রামকেও শহরে রূপান্তর করা হবে। জননেত্রী শেখ হাসিনা গ্রামকে শহরে রূপান্তরের যে ভিশন গ্রহণ করেছেন সে ভিশন ঝালকাঠি জেলায় সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা বণিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সরদার মো. শাহ আলম বলেন, ৪টি উপজেলা, ২টি পৌরসভা ও ৩২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ঝালকাঠি জেলা। সাবেক মন্ত্রী জাতীয় নেতা সংসদ সদস্য আমির হোসেন আমু দিকনির্দেশনা দিয়ে ঝালকাঠির সার্বিক উন্নয়ন কর্মকাÐে সক্রিয়ভাবে ভ‚মিকা রাখছেন। তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি), প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (পিটিআই) ও নার্সিং প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট স্থাপন এবং ঝালকাঠি সদর হাসপাতালকে ১শ শয্যা থেকে আড়াইশ শয্যায় উন্নীতকরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়াও বিসিক শিল্পনগরী স্থাপনসহ আরও অনেক উন্নয়নমূলক কর্মকাÐ তিনি ঝালকাঠিতে সম্পাদন করেছেন। জেলার তৃণমূল পর্যায়ে অনেক রাস্তাঘাট পাকা করা হয়েছে। বাকি কাঁচা রাস্তাগুলোও পর্যায়ক্রমে পাকা করা হবে। এতে একসময়ে ঝালকাঠি জেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলও শহরে রূপান্তরিত হবে।
জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সরদার মো. শাহ আলম বলেন, জনগণের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি থাকলে জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়। ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পকারখানাও ভালো চলে। এ কারণে দেশের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়ে নিম্ন আয়ের দেশ থেকে মধ্য আয়ের দেশে রূপান্তরিত হয়েছে। পদ্মা সেতু ও পায়রাবন্দরসহ দেশের মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে গোটা দেশের আর্থসামাজিক অবস্থাটাই বদলে যাবে।

জেলা পরিষদের উন্নয়নমূলক কর্মকাÐ সম্পর্কে তিনি বলেন, ঝালকাঠি জেলার সর্বস্তরের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ ও মন্দিরসহ সব প্রতিষ্ঠানের সমানভাবে উন্নয়ন করা হয়েছে। এখনও বেশ কিছু উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান আছে।
সরদার মো. শাহ আলম ১৯৬৫ সাল থেকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতির পদে ১০ বছর দায়িত্ব পালনের পর ১৯ বছর ধরে সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। ক্লিন ইমেজের নেতা হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১১ সালে তাকে জেলা পরিষদের প্রশাসক পদে মনোনয়ন দেন। ২০১১ সালের ২২ ডিসেম্বর তিনি জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব পালন শুরু করেন। ২০১৬ সালের ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের মেয়াদোত্তীর্ণ হলে জেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। বিনাপ্রতিদ্ব›িদ্বতায় তিনি ২৯ ডিসেম্বর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে বিজয়ী হন। ২০১৭ সালের ২৬ জানুয়ারি তিনি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এ ছাড়াও জেলা বণিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে ২৪ বছর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ঝালকাঠি আন্তঃজেলা বাস ও মিনিবাস মালিক সমিতি প্রতিষ্ঠাকালে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়াও তিনি বরিশাল বিভাগীয় বাস মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি, বাংলাদেশ পরিবহন সমিতির ১নং সহ-সভাপতি, ঝালকাঠি ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি, রেডক্রিসেন্ট ঝালকাঠি ইউনিটের চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। এক কথায় ঝালকাঠি জেলাবাসীর কাছে সাদা মনের মানুষ হিসেবে পরিচিত।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]