ই-পেপার  বুধবার ২০ নভেম্বর ২০১৯ ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ই-পেপার  বুধবার ২০ নভেম্বর ২০১৯

বান্দরবানে সাথে সারাদেশে যোগাযোগ বন্ধ পানিবন্দি প্রায় দশ হাজার পরিবার
বান্দরবান প্রতিনিধি
প্রকাশ: শুক্রবার, ১২ জুলাই, ২০১৯, ৬:০৪ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 119

বান্দরবানে সাথে সারাদেশে যোগাযোগ বন্ধ পানিবন্দি প্রায় দশ হাজার পরিবার

বান্দরবানে সাথে সারাদেশে যোগাযোগ বন্ধ পানিবন্দি প্রায় দশ হাজার পরিবার

সাত দিনের টানা অবিরাম বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলে উজান থেকে পানি নেমে আসা সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বান্দরবানে নিম্নাঞ্চলের প্লাবিত হয়ে বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে প্রায় দশ হাজারেরও বেশী পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বন্যার পানিতে একের পর এক নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করে।

এদিকে বৃষ্টির কারণে বান্দরবান-কেরানীহাট সড়কের বাজালিয়ার বড়দুয়ারা এলাকার রাস্তা পানি নিচে তলিয়ে যাওয়ায় ৪ দিনেও চালু হয়নি বান্দরবানে সাথে সারাদেশে যোগাযোগ ব্যবস্থা। পাশাপাশি রাঙ্গামাটি সড়কের কয়েকটি স্থানে সড়ক ধসে গিয়ে এখনাে জেলার সাথে সড়ক যােগাযােগ বন্ধ রয়েছে।

বান্দরবান বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ঝুন্টু দাশ বলেন, প্রধান সড়ক থেকে পানি নেমে গেলে ফের বান্দরবানের সাথে অন্য জেলার সড়ক যােগাযােগ ব্যবস্থা চালু হবে।

আরাে জানা গেছে, কয়েকদিন টানা বর্ষণ অব্যাহত থাকায় নদীর পানি বিভিন্ন ঝিড়ি দিয়ে প্রবেশ করার বান্দরবান শহরের মেম্বার পাড়া, আর্মি পাড়া, বালাঘাটা,কালাঘাটা, ইসলাম পুর, ক্যচিংঘাটাসহ সাঙ্গু নদীর তীরবর্তী এলাকাসহ কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হলেও শুক্রবার সকাল থেকে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নত হয়েছে।
এসব এলাকার লােকজন বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে। এছাড়াও জেলার লামা,আলীকদম ও থানচি, রুমা উপজেলায়
নিম্মাঞ্চল গুলাে প্লাবিত হয়েছে। তবে লামা উপজেলার মাতামুহুরী নদীর পানি নেমে যাওয়া শুক্রবার ভোর রাতে প্লাবিত এলাকা দ্রুত গতিতে পানি কমে যাওয়া বন্যা পরিস্তিতি উন্নতি হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন উপজেলায় পাহাড় ধস ও সড়ক পানি নিচে তলিয়ে যাওয়ার বান্দরবান জেলা সাথে ৫টি উপজেলার আন্তসংযোগ সড়কের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোন হতাহতের খবর পাওয়া যাইনি।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, খোলা হয়েছে ১২৬টি আশ্রয় কেন্দ্র। এর মধ্যে বান্দরবান সদরে ১০টি, লামায় ৫৫টি, রুমায় ৬টি, থানচিতে ৩টি, আলীকদমে ১০টি, রোয়াংছড়িতে ২২টি ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় ২০টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। আশ্রয় নেয়া মানুষদের জন্য প্রশাসন পক্ষ থেকে শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।

বান্দরবান পৌরসভার মেয়র ইসলাম বেবী বলেন, বান্দরবানের পৌর এলাকার আশ্রিত ২৪শ মানুষের জন্য প্রতিদিনের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]