ই-পেপার  বুধবার ২০ নভেম্বর ২০১৯ ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ই-পেপার  বুধবার ২০ নভেম্বর ২০১৯

বিশ্বকাপের সবচেয়ে খারাপ পারফরম্যান্স
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ১৩ জুলাই, ২০১৯, ১২:০০ এএম আপডেট: ১৩.০৭.২০১৯ ১২:৪২ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 76

বিশ্বকাপের সবচেয়ে খারাপ পারফরম্যান্স

বিশ্বকাপের সবচেয়ে খারাপ পারফরম্যান্স

গত আসরে ঘরের মাঠে শিরোপা জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া। ওয়ানডেতে শেষ চার বছরে অনেক উত্থান-পতন দেখেছে তারা। কিন্তু নিজেদের পছন্দের মঞ্চ বিশ্বকাপে আবারও জাত চেনাতে ভুল করেনি সর্বোচ্চ পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। লিগপর্বের ৯ ম্যাচের সাতটিতেই জয় পেয়েছিল অ্যারন ফিঞ্চের দল। পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে থেকে ফেবারিটের তকমা লাগিয়েই সেমিতে মুখোমুখি হয়েছিল স্বাগতিক ইংল্যান্ডের। কিন্তু ম্যাচটিকে এক পেশে করে ৮ উইকেটের জয় পায় ইংলিশরা। অজিদের এ পারফরম্যান্সকে বিশ্বকাপে নিজেদের সবচেয়ে খারাপ পারফরম্যান্স হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন অধিনায়ক ফিঞ্চ।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ফিঞ্চ বলেন, ‘হিসাব করে দেখতে গেলে ১২ মাস আগে আমরা যেখানে ছিলাম, সেখান থেকে দারুণভাবেই আমরা উন্নতি করে ফিরে এসেছি। সবাইকে নিয়েই গর্বিত যারা এ পরিশ্রমের অংশ ছিলেন এবং এত দূর আসার জন্য সাহায্য করেছেন। কিন্তু এ সময়ে আমরা এখানে এসেছি সেমিফাইনাল জেতার জন্যই এবং নিজেদের এমন একটি অবস্থানে নিয়ে যেতে যেখানে আরও একটি বিশ^কাপের শিরোপা যেন জিততে পারি। তাই এ অবস্থায় যেভাবে আমরা শেষ করলাম এটা আসলে খুবই হতাশজনক। বিশেষ করে আসরের সবচেয়ে খারাপ পারফরম্যান্স ছিল এটা। যা সত্যিই হতাশজনক।’

গত বছর কেপ টাউনে বল টেম্পারিং ইস্যুতে নিষেধাজ্ঞার শিকার হন দলের সেরা দুই পারফরমার ডেভিড ওয়ার্নার আর স্টিভেন স্মিথ। এরপর দলে বেশ কিছু পরিবর্তন আসে। অজিরা ছয়টি সিরিজ হেরে যাওয়ায় পর ভারত আর পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই সিরিজ জিতে দারুণভাবেই বিশ্বকাপে পা রেখেছিল। লিগপর্বের ম্যাচে ইংল্যান্ডের সঙ্গে মুখোমুখি সাক্ষাতেও স্বাগতিকদের ৬৪ রানে হারিয়েছিল অজিরা। কিন্তু সেমিতে এসে সেই ধারা বজায় রাখতে পারেনি ওয়ার্নার-স্মিথরা। ইংলিশ বোলারদের কাছে শুরুতেই উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় তারা।

রানের খাতা খুলতে পারেননি ফিঞ্চ নিজেই। সাত ওভারে ১৪ রানেই তিন উইকেট হারায় অজিরা। যদিও চতুর্থ উইকেটে অ্যালেক্স ক্যারি আর স্মিথ মিলে একশ রানের জুটি গড়ে বিপর্যয় সামাল দেন। কিন্তু তাদের ২২৪ রানের মামুলি লক্ষ্যকে আরও সহজ বানিয়ে দেন ইংলিশ ওপেনারÑ জেসন রয় এবং জনি বেয়ারস্টো। ১৮ ওভারেই তারা দলের খাতায় যোগ করেন ১২৪ রানা। মূলত এখানেই ফাইনালের দৌড় থেকে ছিটকে যায় অজিরা। এদিকে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর ইংলিশ বোলারদের বিধ্বংসী বোলিংয়ে মোটেও অবাক হননি ফিঞ্চ।

অজি দলপতি বলেন, ‘তারা এ আসরে প্রায়ই এমন বোলিং করেছে। তাদের জোরে বল করার মতো বোলার আছে। যদি উইকেটে এমন কিছু থাকে, তবে তারা সেটার ফায়দা আদায় করতেই চাইবে। ক্রিস ওকস, বিশ্বমানের বোলার। সে সঠিক জায়গাতেই টানা বল করে গেছে। আন্তর্জাতিক আঙ্গিনায় বল করার পর থেকে দিনের পর দিন আর্চার শুধু উন্নতিই করে যাচ্ছে। তাই এটা আমার কাছে অবাক লাগেনি।’

স্বল্প পুঁজি নিয়ে অজিদের লড়াইটা কেমন হওয়া উচিত ছিল এমন প্রশ্নে ফিঞ্চ বলেন, ‘আমরা জানতাম, তারা আক্রমণাত্মক ব্যাটিংই করবে। তাই আমাদের বল হাতেও আক্রমণাত্মক হওয়া উচিত ছিল। আমাদের ১০টি সুযোগ তৈরি করা দরকার ছিল এবং তা কাজে লাগাতে হতো। এটা ৪৭-৪৮ ওভারে শেষ হওয়ার মতো ম্যাচ ছিল না।’




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]