ই-পেপার শুক্রবার ৬ ডিসেম্বর ২০১৯ ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ই-পেপার শুক্রবার ৬ ডিসেম্বর ২০১৯

হজের পাঁচ দিনের আমল
মুফতি হেলাল উদ্দীন হাবিবী
প্রকাশ: শুক্রবার, ৯ আগস্ট, ২০১৯, ১২:০০ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 77

আজ থেকে শুরু হলো পবিত্র হজ। সৌদি আরবে অবস্থিত পবিত্র বাইতুল্লাহ-মিনা-আরাফা-মুজদালিফা ইত্যাদি এলাকায় লাখ লাখ মুসলিম ‘লাব্বাইক’ ধ্বনি তুলে হজ পালন করছেন। আরবি জিলহজ মাসের ৮-১২ তারিখ পর্যন্ত সময়ে হজের মৌলিক কাজসমূহ সম্পন্ন করতে হয়। নিচে হজের মৌলিক এ পাঁচ দিনের আমলগুলো তুলে ধরা হলো।
১ম দিন (৮ জিলহজ) : হজের জন্য ইহরাম বেঁধে মিনার দিকে যাত্রা করা। মিনায় পৌঁছে জোহর, আসর, মাগরিব ও এশার নামাজ নির্ধারিত সময়ে আদায় করা এবং রাতে মিনায় অবস্থান করা।
২য় দিন (৯ জিলহজ) : মিনায় ফজরের নামাজ আদায় করে আরাফাতের দিকে রওনা হওয়া। সেখানে পৌঁছে জোহর ও আসরের নামাজ নির্ধারিত সময় পড়া। আর মসজিদে নামিরায় জামাতে শরিক হতে পারলে দুই নামাজ একসঙ্গে পড়া। অতঃপর আরাফার ময়দানে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করা এবং সেখানে ইস্তেগফার, তেলাওয়াত, জিকির ও দোয়া-দরুদ পড়ায় মগ্ন
থাকা। সূর্যাস্তের পর মাগরিবের নামাজ না পড়েই মুজদালিফার দিকে রওয়ানা হওয়া। অতঃপর মুজদালিফায় পৌঁছে এশার নামাজের সময় মাগরিব ও এশা একসঙ্গে আদায় করা। রাতে মুজদালিফায় অবস্থান করা এবং এখান থেকে প্রায় ৭০টি পাথর সংগ্রহ করা।
৩য় দিন (১০ জিলহজ) : মুজদালিফায় ফজরের নামাজ আদায় করে মিনার দিকে রওনা হওয়া এবং সেখানে পৌঁছে দ্বি-প্রহরের পূর্বে শুধু বড় জামারাতে (শয়তানকে) সাতটি কঙ্কর নিক্ষেপ করা। অতঃপর ধারাবাহিকভাবে কোরবানি করা, মাথা মুÐানো, ইহরামের কাপড় খুলে সাধারণ কাপড় পরিধান করা এবং সম্ভব হলে এ দিনই তাওয়াফে জিয়ারত করে নেওয়া। আর যদি এ দিন তাওয়াফে জিয়ারত করা সম্ভব না হয়, তাহলে ১১ অথবা ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের পূর্বে অবশ্যই তাওয়াফে জিয়ারত করে নেওয়া। অবশেষে মিনায় রাত যাপন করা।
৪র্থ দিন (১১ জিলহজ) : সূর্য পশ্চিমাকাশে হেলে যাওয়ার পর যথাক্রমে ছোট, মধ্যম ও বড়Ñ প্রত্যেক জামারাতে (শয়তানকে) সাতটি করে মোট ২১টি কঙ্কর নিক্ষেপ করা।
৫ম দিন (১২ জিলহজ) : গতকালের মতো আজও সূর্য হেলার পর যথাক্রমে ছোট, মধ্যম ও বড় জামারাতে (শয়তানকে) সাতটি করে মোট ২১টি কঙ্কর নিক্ষেপ করা। অতঃপর ইচ্ছা করলে সূর্যাস্তের পূর্বে মিনা ত্যাগ করে মক্কা শরিফে চলে আসা। মনে রাখতে হবে, এখনও যদি কোরবানি বা তাওয়াফে জিয়ারত বাকি থাকে তাহলে অবশ্যই ১২ জিলহজ তা আদায় করতে হবে। অবশেষে মক্কা শরিফ থেকে বিদায়ের পূর্বে বিদায়ী তাওয়াফ করে অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে কাবা ঘরের দিকে তাকিয়ে নিজ গন্তব্যে রওয়ানা হওয়া। (মাসায়িলে হজ ও ওমরা)
লেখক : খতিব, মাসজিদুল কোরআন জামে মসজিদ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা





সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]