ই-পেপার রোববার ১৮ আগস্ট ২০১৯ ৩ ভাদ্র ১৪২৬
ই-পেপার রোববার ১৮ আগস্ট ২০১৯

কামারপাড়ায় বেড়েছে ব্যস্ততা
সময়ের বাংলা ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ১১ আগস্ট, ২০১৯, ১২:০০ এএম আপডেট: ১০.০৮.২০১৯ ১০:৫১ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ

আগামীকাল পবিত্র ঈদুল আজহা। এই ঈদের অন্যতম অনুষঙ্গ পশু কোরবানি করা। আর কোরবানি করতে গেলে পশুর গোশত কাটার জন্য প্রয়োজন হয় নানা যন্ত্র। আর এসব যন্তের বেশিভাগই তৈরি হয় কামারপাড়ায়। তাই তাদের ব্যস্ততার শেষ থাকে না কোরবানির ঈদের আগে। নিজস্ব প্রতিবেদক এবং প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর
বগুড়া : আগুনে পুড়ে তৈরি হয় দৈনন্দিন কাজের উপযোগী দা, বঁটি, চাকু, কুড়াল, ছুরি, চাপাতিসহ ধারালে সব হাতিয়ার। এই গতি বহুগুণ বেড়ে যায় কোরবানির সময়। ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে টুংটাং শব্দে ব্যস্ত সময় পার করছেন বগুড়া সদরের আশোকোলার কামাররা। সারা বছর কাজের চাপ না থাকলেও, কোরবানির ঈদ এলেই বেড়ে যায় তাদের কর্মব্যস্ততা। যেন কথা বলারও সময় নেই তাদের। বগুড়া শহরের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত টানা কাজ করে যাচ্ছেন কামাররা।
মৌলভীবাজার : গরু-ছাগলসহ বিভিন্ন পশু কেনার সঙ্গে সঙ্গে দা, বঁটি, চাকু, কুড়াল, ছুরি, চাপাতি কেনায় ধুম পড়েছে। কামারপাড়ায় এখন লোহা হাতুড়ির টুংটাং শব্দ। দিনে ও রাত জেগে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তারা। কামারপাড়ায় দা-ছুরি বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চাকু প্রতি পিস ৫০-৮০ টাকা। দা ৪০০-৫০০ টাকা। চাপাতি ৩০০-৪০০ টাকা। বঁটি ২০০- ২৫০। পুরনো যন্ত্রপাতি শান দিতে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। শহরের ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত একটানা কাজ করে যাচ্ছেন কামাররা।
ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) : দিন যতই ঘনিয়ে আসছে কামারপাড়া ততই সরগরম হয়ে উঠছে। কোরবানির পশু জবাই ও গোশত কাটার কাজ সহজতর করতে পুরাতন দা, বঁটি, ছুরি সংস্কার এবং নতুন দা-বঁটি, ছুরি, চাপাতি তৈরি করতে কামার দোকানে ১ মাস আগে থেকেই অর্ডার দিয়ে রেখেছেন অনেকে।
উপজেলার সদর ব্রিজ সংলগ্ন কামার পট্টির শ্রমিক নির্মল কর্মকার (৬৫) ও অধীর কর্মকার (৪০) জানানÑ এবারের ঈদ উপলক্ষে ভালো অর্ডার পেয়েছেন এবং তৈরি করা মালামাল ও বেশি বিক্রি হচ্ছে।
বদলগাছী (নওগাঁ) : দম ফেলার মতো সময় নেই কামারদের। এই উপজেলার সব ইউনিয়নেই কম-বেশি কামার রয়েছেন। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে তারা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করে যাচ্ছেন। সেখানে এখন লোহা আর হাতুড়ির শব্দে আকাশ বাতাস মুখরিত। এ পেশার লোক সারা বছর কম বেশি লোহার কাজ করলেও ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে বৃদ্ধি পায় তাদের কর্মব্যস্ততা। বিভিন্ন এলাকার পাইকাররাও এখানকার সাংসারিক হাতিয়ার ক্রয় করে থাকেন। কোরবানির ঈদ উপলক্ষে স্থানীয়দের পাশাপাশি পাইকারদের চাহিদাও বেড়ে যায় কয়েকগুণ।
ফেনী : ফেনীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামারেরা। সারা বছর তেমন চাহিদা না থাকলেও ঈদে চাহিদা বাড়ে দা, ছুরি, বঁটিসহ কোরবানির পশুর জবাই ও কাটার যন্ত্রপাতির। দিন-রাত পালাক্রমে এসব যন্ত্রপাতি তৈরি কাজে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন কামাররা।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, জেলা শহরসহ বিভিন্ন স্থানে কামারশালায় কামাররা বিরতিহীনভাবে কাজ করছেন। ঈদ উৎসব উপলক্ষে কোরবানির পশু জবাইয়ের জন্য ছোরা, দা, বঁটিসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী লোনা পানিতে শান দেওয়া এবং নতুন কিছু কেনাকাটা নিয়ে ব্যস্ত রয়েছে মুসলমানরা। এতে কামাররাও কোরবানি এলে পুরো বছরের অর্থ পুষিয়ে নেন।
কামারশালাগুলোতে দা ২৫০-৫০০ টাকায়, বঁটি ও মাঝারি আকারের ছুরি ৪০০-৫০০ টাকায় এবং ছোট ছোরা ৮০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া উপজেলার সব কয়টি বাজারে কামারশালায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : রফিকুল ইসলাম রতন
আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ।
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]