ই-পেপার শুক্রবার ৬ ডিসেম্বর ২০১৯ ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ই-পেপার শুক্রবার ৬ ডিসেম্বর ২০১৯

কোরবানির মাংস সংরক্ষণে সচেতনতা
সময়ে শৈলী ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৯, ৫:৫১ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 112

কোরবানির মাংস সংরক্ষণে সচেতনতা

কোরবানির মাংস সংরক্ষণে সচেতনতা

কোরবানির ঈদ মানেই মাংস সংরক্ষণের ঝক্কি-ঝামেলা। শুধু তো মাংস নয়, সঙ্গে গরু ও খাসির অন্যান্য অংশ যেমনÑ হাড়, চর্বি, ভুঁড়ি, মাথার অংশ ও কলিজাও থাকে। কোরবানির পর ভাগ-বাটোয়ারা শেষে নিজেদের ভাগে যতটুকু মাংস থাকে, সেটুকুই ঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে গেলে হিমশিম খেতে হয়। ঈদের বেশ কয়েকদিন আগে থেকে ডিপ ফ্রিজ পরিষ্কার ও গুছিয়ে রাখতে পারলে ঝামেলা কমে যাবে প্রায় অর্ধেক। সে ক্ষেত্রে মাংস সংরক্ষণে খুব একটা সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। সে কারণে কিছু সাধারণ সচেতনতা জানা থাকলে মাংস সংরক্ষণে সুবিধা হবে তা হলো

*    মাংসের প্রায় ৫৫-৭০ শতাংশই হলো জলীয় অংশ। তবে কোরবানি শেষে মাংস ঘরে আনার সঙ্গে সঙ্গেই ফ্রিজিং করা উচিত নয়। কোরবানি শেষে অন্তত দুই ঘণ্টা পর মাংস ভালোভাবে ধুয়ে ও পানি শুকিয়ে ফ্রিজিং করতে হবে। এ সময়ের মাঝে মাংসের সঙ্গে থাকা বাড়তি রক্ত ঝরে যাবে। ফলে ফ্রিজিংয়ের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা দেখা দেবে না।

*    মাংস সংরক্ষণের ক্ষেত্রে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা জরুরি। প্রথমত, মাংসের সঙ্গে বাড়তি হাড় ও চর্বি সরিয়ে ফেলতে হবে। এতে করে তুলনামূলক বেশি মাংস সংরক্ষণ করা যাবে এবং মাংস দীর্ঘদিন ভালো থাকবে।*    দ্বিতীয়ত, মাংস কাটতে হবে ছোট ও পাতলা টুকরা করে। আমরা সাধারণত বড় ও ভারী টুকরা করে মাংস কেটে থাকি। এতে করে কাঁচা মাংস ফ্রিজিং হতে লম্বা সময়ের প্রয়োজন হয় এবং মাংসের ভেতরে কাঁচা রক্ত রয়ে যায়। পাতলা ও ছোট টুকরা করে মাংস কাটা হলে অল্প সময়ের মাঝে মাংস ফ্রিজিং হয়ে যাবে এবং মাংসের ভেতরে থাকা রক্ত ঝরিয়ে নেওয়া যাবে।

*    মাংস সংরক্ষণের বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি থাকলেও ডিপ ফ্রিজে নিম্ন তাপমাত্রায় ফ্রিজিং করাই সবচেয়ে প্রচলিত ও সহজ উপায়। তাই মাংস সঠিক নিয়মে কেটে বেছে, রক্ত ঝরিয়ে ও শুকিয়ে নিয়ে ছোট ছোট ও আলাদা প্যাকেটে নিয়ে ফ্রিজিং করতে হবে। ফ্রিজের তাপমাত্রা যেন পর্যাপ্ত পরিমাণ কম হয়, সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।

*     মাংস বাদে কোরবানির প্রাণীর অন্যান্য অংশ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে। ভুঁঁড়ি, কলিজা, হাড় ও চর্বি, মাথা ও মগজ- যেটাই সংরক্ষণ করা হোক না কেন মনে রাখতে হবে, মাংসের সঙ্গে রাখা যাবে না। কলিজা, ভুঁড়ি, জিহবা বা লেজের অংশ খুব ভালোভাবে পরিষ্কার করে তবেই ডিপ ফ্রিজে রাখতে হবে। মাথার অংশ ও মগজ ধুয়ে রক্ত ঝরিয়ে এরপর প্যাকেট করতে হবে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় বাড়তি হাড় ও চর্বি ফেলে দেওয়া হয়। যদি ফেলে দেওয়া না হয় তবে চর্বি ধুয়ে ও হাড় জ্বালিয়ে এরপর সংরক্ষণ করলে দীর্ঘদিন ভালো থাকবে। পায়ের হাড়ের ক্ষেত্রেও যদি জ্বাল দিয়ে পানি শুকিয়ে রাখা সম্ভব হয় তবে পায়ের হাড় ভালো থাকবে।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]