ই-পেপার শুক্রবার ৬ ডিসেম্বর ২০১৯ ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ই-পেপার শুক্রবার ৬ ডিসেম্বর ২০১৯

সড়কে চামড়া ফেলে গেলেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৯, ১১:০৬ এএম আপডেট: ১৪.০৮.২০১৯ ১২:৪৬ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 261

সড়কে চামড়া ফেলে গেলেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা

সড়কে চামড়া ফেলে গেলেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা

এবছর চামড়া নিয়ে বেশ বিপাকে পড়েছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। অস্বাভাবিকহারে দাম কমার পরেও চামড়া কিনছে না পাইকাররা। চামড়ার বাজারে নেমেছে ধস। চট্টগ্রামে বাধ্য হয়ে ১০ হাজারের বেশি চামড়া সড়কে ফেলে চলে গেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। তাদের অভিযোগ, সিন্ডিকেটের কারণে এ দরপতন। এ অবস্থায় লবণের চাহিদা বাড়ায় বস্তাপ্রতি আড়াই শ' থেকে তিনশ' টাকা বাড়িয়েছে মিল মালিকরা।

নানামুখী জটিলতার কবলে পরে বিপর্যস্ত দেশের চামড়া শিল্প। চট্টগ্রামে কোরবানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল সাড়ে ৫ লাখ তা যেমন পূরণ হয়নি তেমনি প্রকৃত মূল্য পায়নি ব্যবসায়ীরা। যে কারণে হাজার হাজার পিস চামড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নষ্ট হয়ে গেছে। অপরদিকে রাস্তায় চামড়া ফেলে প্রতিবাদ করছে কিছু মৌসুমী ব্যবসায়ী। নায্যমূল্য না পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে তারা।

স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী পশু কোরবানির ৮ থেকে ১০ ঘণ্টার মধ্যে লবন দিয়ে সংরক্ষণ করতে হয়। কিন্তু এবার নানা জটিলতায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেও চামড়া সংরক্ষণ করা যায়নি। যে কারণে অন্তত ৩০ শতাংশ চামড়া নষ্ট হয়ে গেছে বলে দাবি আড়তদারদের। এমন অবস্থায় চামড়া ব্যবসায়ীরা দায়ি করছেন ঢাকার ব্যবসায়ীদের। বকেয়া ৫০ কোটি টাকা না পাওয়ায় তারা চামড়া কিনতে পারেননি বলে দাবি তাদের।

চট্টগ্রামে গত বছর ৫ লাখ চামড়া সংগ্রহীত হয়। এবার লক্ষ্যমাত্রা ছিল সাড়ে ৫ লাখ।

চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, 'এবার চট্টগ্রামে গরু, মহিষ, ছাগলসহ মোট ৭ লাখ ১০ হাজার পশু কোরবানি করা হয়েছে। এরমধ্যে প্রায় ৫ লাখ গরু কোরবানি করা হয়েছে।'

এই সাত লাখ ১০ হাজার পশুর মধ্যে মাত্র ২ লাখ চামড়া এবার সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিটি করপোরেশনের কাঁচা চামড়া আড়তদার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নূর আহমদ।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]