ই-পেপার শুক্রবার ২৩ আগস্ট ২০১৯ ৮ ভাদ্র ১৪২৬
ই-পেপার শুক্রবার ২৩ আগস্ট ২০১৯

‘এলেঙ্গা থেকে রংপুর চার লেন না হওয়া পর্যন্ত এ দুর্ভোগ থাকবে’
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৯, ৭:৩৪ পিএম আপডেট: ১৪.০৮.২০১৯ ৭:৪২ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

‘এলেঙ্গা থেকে রংপুর চার লেন না হওয়া পর্যন্ত এ দুর্ভোগ থাকবে’

‘এলেঙ্গা থেকে রংপুর চার লেন না হওয়া পর্যন্ত এ দুর্ভোগ থাকবে’

এবার সড়কপথে ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হলেও শুধু একটি রুটে (টাঙ্গাইল থেকে সিরাজগঞ্জ) দুর্ভোগ ছিল অসহনীয়। এলেঙ্গা থেকে রংপুর চার লেন না হওয়া পর্যন্ত এ দুর্ভোগ থাকবে জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ঈদ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘উত্তরবঙ্গে এমনিতেই গার্মেন্ট কর্মীরাসহ শেষ দিকে চাপটা এমন যে, তখন প্রেসার মোকাবিলা করা খুব কঠিন। চার লেন থেকে যখন দুই লেনে যায় প্রেসারটা তখন লম্বা টেইলব্যাক সৃষ্টি হয় এবং টেইলব্যাকটা আরও লম্বা হয় যখন ধৈর্যহারা হয়ে চালকরা গাড়ি উল্টো পথে নিয়ে যায়। এ কারণটাই ছিল। যে কারণে দুদিন যাত্রাটা স্বস্তিদায়ক ছিল না, ভোগান্তি হয়েছে। অনেক মানুষ কষ্ট করেছে। গাড়ি দেরিতে আসার কারণে টার্মিনালেও বহু মানুষের কষ্টের সীমা ছিল না। এজন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছি।’

রুটটি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘সমস্যাটি আগে ঢাকা-চট্টগ্রামে ছিল। এদিক থেকে এইট লেনে গিয়ে টু লেন ব্রিজে চলাচল, ওদিক থেকে ফোর লেনে এসে টু লেন ব্রিজে লম্বা টেইলব্যাক (যানজট) সৃষ্টি হচ্ছে। এখানেও সমস্যাটাও ঠিক তাই। এখানে চার লেনে যাত্রাটা যেখানে শেষ হয়, টু লেন শুরু হয় সেখানে।’

তিনি বলেন, ‘শুধু টাঙ্গাইল থেকে সিরাজগঞ্জ- এখানে যে সমস্যাটা, এ সংকট অনেক চেষ্টা করেও এড়াতে পারিনি। এখন এলেঙ্গা থেকে রংপুর চার লেনের কাজ শুরু হবে। এলেঙ্গা থেকে রংপুর পর্যন্ত চার লেন না হওয়া পর্যন্ত দুর্ভোগ থাকবে।’

সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয় নলকা ব্রিজে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এখানে বেশি টেইলব্যাকের সৃষ্টি হয়। এখানে যত দ্রুত সম্ভব সমাধান করার চিন্তা-ভাবনা করছি। ব্রিজটি যেহেতু অপ্রশস্ত তাই সেটাকে প্রশস্ত করতে হবে। আরও একটা ব্রিজ আছে যেটাকে বেইলি ব্রিজ করে আপাতত সমাধান খুঁজতে হবে। দীর্ঘস্থায়ী সমাধান চার লেনের মধ্যে আছে। আপাতত যে সময়টা সমস্যার কারণ হবে সে সময়টা অতিক্রম করার জন্য আমাদের একটা পথ বের করতে হবে। এ ছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রামে নিয়মিত নির্ধারিত সময়েই গাড়ি পৌঁছেছে এবং সাড়ে তিন-চার ঘণ্টায় চট্টগ্রাম যাত্রা- এটা ইতিহাসে প্রথম ছিল।’

‘ঢাকা-সিলেটও ভালো ছিল। ভুলতা ফ্লাইওভার খুলে দেয়া হয়েছে। ঢাকা-ময়মনসিংহেও আমরা যতটা খারাপ হবে ভেবেছিলাম সেটা হয়নি। ঢাকা-ময়মনসিংহে স্বস্তিদায়ক ছিল।

এবার ঈদে দক্ষিণাঞ্চলে ফেরি সংকট ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পদ্মা, যমুনার তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি চলাচল বিঘ্নিত হয়েছে। যে কারণে উভয় পাড়ে লম্বা টেইলব্যাকের সৃষ্টি হয়েছে এবং অনেক মানুষের কষ্ট হয়েছে।’

সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এবার ঈদযাত্রায় প্রতিদিন ৩৬ হাজার ২০২টি গাড়ি প্রতিদিন চলাচল করেছে। অতিরিক্ত ভাড়ার বিষয়ে মনিটরিং অত্যন্ত কড়া ছিল এবং ভিজিল্যান্স টিমও তৎপর ছিল। পুলিশ এবং হাইওয়ে পুলিশ, বিআরটিএ সবাই মিলে তৎপরতায় ৬৯টি মামলায় ২ লাখ ১৮ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সর্বমোট ৩৮১টি মামলায় ৭ লাখ ৬৭ হাজার ১০০টাকা জরিমানা করেছি। এ ছাড়া অতিরিক্ত ভাড়া ফেরত দেয়া হয়েছে।’




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : রফিকুল ইসলাম রতন
আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ।
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]