ই-পেপার শুক্রবার ২৩ আগস্ট ২০১৯ ৮ ভাদ্র ১৪২৬
ই-পেপার শুক্রবার ২৩ আগস্ট ২০১৯

চিতলমারীতে পাটের বাম্পার ফলন
বাগেরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৯, ১২:০০ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ

গত মৌসুমে উৎপাদিত ধানের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার কৃষকরা ধানের পরিবর্তে পাট চাষে বাম্পার ফলন পেয়ে বেশ খুশি। লবণাক্ততা না থাকায় চিতলমারী উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের কয়েক হাজার চাষি পাট চাষে তাদের ভাগ্য খুলেছে বলে দাবি করছেন। ইতোমধ্যে কৃষক-কৃষাণীরা বৃষ্টি মাথায় নিয়ে পাট কাটা এবং জাগ দেওয়ার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। মাঠজুড়ে সবুজ পাটের এমন চিত্র চোখে পড়ার পর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পাট চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বৈশাখ মাসের প্রথম সপ্তাহের দিকে ক্ষেতে পাটের বীজ বপন করা হয়। তারপর শুরু হয় পরিচর্যা, আগাছা নিড়ানী, সেচ দেওয়া, সার-কীটনাশক প্রয়োগ করা সব মিলিয়ে কাটার আগ পর্যন্ত শ্রাবণ মাসের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত সময় চলে আসে।  উপজেলার খড়মখালী গ্রামের দীপক মজুমদার, সুবাস মÐল ও অনাদী মজুমদারসহ কয়েকজন পাট চাষি জানান, সরকারিভাবে ধানের মূল্য নির্ধারণ করে দিলেও মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে তারা সরকারের দেওয়া শতভাগ সুবিধা পান না। আর পাট চাষে এক সময় খুব একটা লাভ হতো না। যে পরিমাণ খরচ, সেই পরিমাণ টাকা পাট চাষ করে আসে না। এরপরও ধান চাষে লাভ হয় না তাই জমি অনাবাদী না রেখে পাটের চাষ করছেন তারা। আর পাট চাষে একর প্রতি সব মিলিয়ে প্রায় ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়। যদি পাটের মণ ৩ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৪ হাজার টাকা হয় তাহলে পাট চাষে ভালোই লাভ হবে। চিতলমারী উপজেলা কৃষি অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে কলাতলা, বড়বাড়িয়া, হিজলা ও চরবানিয়ারী ইউনিয়নে পাটের চাষ বেশি হয়েছে। প্রায় ৯০০ হেক্টর জমিতে কমপক্ষে ১৫ থেকে ২০ হাজার মানুষ এ বছর পাটের চাষ করেছে। উপজেলা কৃষি অফিসার ঋতুরাজ সরকার এ প্রতিনিধিকে বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর পাটের ফলন অনেক বেশি। পাটের ফলন বৃদ্ধি করার জন্য আমরা যথেষ্ট চেষ্টা করেছেন তারা।





সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : রফিকুল ইসলাম রতন
আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ।
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]