ই-পেপার শুক্রবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ৪ আশ্বিন ১৪২৬
ই-পেপার শুক্রবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯

তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে অন্তঃসত্ত্বা করে ধর্ষকের আত্মহত্যা
নিজস্ব প্রতিবেদক রংপুর
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট, ২০১৯, ১২:০০ এএম আপডেট: ২১.০৮.২০১৯ ১১:৪৮ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ

তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে অন্তঃসত্ত্বা করে ধর্ষকের আত্মহত্যা

তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে অন্তঃসত্ত্বা করে ধর্ষকের আত্মহত্যা

রংপুরে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রী ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা হওয়া এবং অভিযুক্ত ধর্ষকের কীটনাশক পানে আত্মহত্যা ও ময়নাতদন্ত ছাড়াই মৃতদেহ দাফনের ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। এ ঘটনার পেছনে তৃতীয় কোনো পক্ষ জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। শিশুটি বর্তমানে একটি বেসরকারি সংস্থার তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার শিশুর মা বাদী হয়ে নগরীর হাজিরহাট থানায় একটি মামলা করেছেন। তবে তদন্তের স্বার্থে পুলিশ কিছু বলতে চাচ্ছে না।

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রংপুর নগরীর নজিরেরহাট এলাকার সোনার বাংলা নার্সারি ও অ্যাগ্রোবাংলা লিমিটেডে কেয়ারটেকার হিসেবে প্রায় ৩ বছর ধরে কাজ করত সদর উপজেলার চন্দনপাট ইউনিয়নের ঈশ^রপুর সরদারপাড়া গ্রামের মৃত খেতু শেখের ছেলে তোফাজ্জল হোসেন (৫৫)। সেখানে তার রান্নাবান্নার কাজ করত ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর মা। মায়ের কাজ করার সুবাদে মেয়েও সেখানে যাতায়াত করত। এরই মধ্যে মেয়েটির অস্বাভাবিক শারীরিক গড়নের কারণে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর দেখা যায় সে ২৫ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা। তাৎক্ষণিক মেয়েটিকে নজিরেরহাট এলাকার ল্যাপরোসি মিশনে ভর্তি করা হয়।

এদিকে শিশুটির অন্তঃসত্তত্ত্বা হয়ে পড়ার সঙ্গে কেয়ারটেকার তোফাজ্জল হোসেন জড়িত বলে কানাঘুষা হতে থাকলে গত শুক্রবার ১৬ আগস্ট নার্সারিতে কীটনাশক পানে তোফাজ্জল আত্মহত্যা করে বলে প্রচার করে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার মৃত্যু হলে মৃতদেহ নিয়ে এসে ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করা হয়।

চন্দনপাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান জানান, আমি তোফাজ্জল হোসেনকে একজন ভালো মানুষ হিসেবে জানি। সে সোনার বাংলা নার্সারিতে চাকরি করত। সেখানে সে কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করেছে বলে শুনেছি। এরপর নার্সারি মালিকের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করলে তোফাজ্জল সেখানেই মারা যায়। তার বিরুদ্ধে একটি শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সে প্রকৃত দোষী নাকি অন্য কেউ জড়িত তা খতিয়ে দেখা দরকার।

হাজিরহাট থানার ওসি মোস্তাফিজার রহমান জানান, ধর্ষণের শিকার মেয়েটির মা বাদী হয়ে গত ১৮ আগস্ট হাজিরহাট থানায় অজ্ঞাতপরিচয়দের অভিযুক্ত করে ধর্ষণ মামলা করেন। আমরা গুরুত্ব দিয়ে ঘটনাটি তদন্ত করছি। আশা করছি শিগগিরই এর রহস্য উদ্ঘাটন করা সম্ভব হবে।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : রফিকুল ইসলাম রতন
আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ।
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]