ই-পেপার সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ৮ আশ্বিন ১৪২৬
ই-পেপার সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯

কয়েক লাখ অবিক্রিত চামড়া নিয়ে বিপাকে ময়মনসিংহের ব্যবসায়ীরা
ময়মনসিংহ ব্যুরো
প্রকাশ: সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১০:৩৪ এএম | অনলাইন সংস্করণ

কয়েক লাখ অবিক্রিত চামড়া নিয়ে বিপাকে ময়মনসিংহের ব্যবসায়ীরা

কয়েক লাখ অবিক্রিত চামড়া নিয়ে বিপাকে ময়মনসিংহের ব্যবসায়ীরা


ঈদের ২০ দিন পরও ক্রেতার অভাবে ময়মনসিংহের সর্ববৃহৎ চামড়ার বাজার শম্ভুগঞ্জে কয়েক লাখ চামড়া অবিক্রিত রয়ে গেছে। এসব চামড়া নিয়ে ফড়িয়া ও ব্যবসায়িরা মহাবিপাকে পড়েছেন। ঈদের পর ছয়টি হাটবারের (শনি ও মঙ্গলবার) মধ্যে মাত্র দুইজন ট্যানারি মালিক তিনটি বাজারে এসে অল্প কিছু চামড়া কিনেছেন। এখনো বাজারজুড়ে চামড়া পড়ে থাকায় হতাশ হয়ে পড়েছেন ব্যবসায়িরা। কয়েক লাখ চামড়া অবিক্রিত থাকায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। লোকসান গুনতে হচ্ছে। তারা এখন ট্যানারি মালিকদের পথ চেয়ে বসে আছেন।


সরজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায় ,ময়মনসিংহ অঞ্চল ছাড়াও সিলেট অঞ্চলের পাইকার, ফরিয়া ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়িরা শম্ভুগঞ্জ বাজারে কুরবানি পশুর কয়েক লাখ চামড়া বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন। প্রায় দুই সপ্তাহ পার হলেও এখনো অর্ধেকের বেশি চামড়া অবিক্রিত রয়ে গেছে। প্রতি বছর ট্যানারি মালিকরা এই বাজারে প্রতিযোগিতামূলক চামড়া কিনলেও এবার তিনটি হাটবারে দুইজন ট্যানারি মালিক চামড়া কিনতে আসেন। তাদের একজন কিছু চামড়া কিনেছেন কিন্তু আরেকজন চামড়া না কিনেই ফিরে গেছেন। অবিক্রিত চামড়া নিয়ে ব্যবসায়ীরা এখন দিশেহারা। ঈশ্বরগঞ্চের আবুল কালাম (৬৫) বলেন,‘৫০০ চামড়া নিয়া ১৫দিন ধইরা বেচার লাইগা বইয়া আছে। ১৫০ চামড়া বেচ্ছি ৫৮০ ট্যাহা কইরা, ৩৫০ চামড়া আছে। ঢাহার ট্যানারি মালিকরা ডকলে চাইয়াও দেহে না। আর কয়েকটা দিন দেহাম পরে চামড়া ফালাইয়া জামুগা”

শেরপুর নকলার রবি দাশ জানান, ৭দিনে ৫৫৪ পিস চামড়া বিক্রি করেছে ২৫ হাজার টাকা লোকসান দিয়ে। চামড়া বিক্রি করতে না পারায় হতাশ ব্যবসায়িরা শম্ভুগঞ্জ বাজারে চামড়া নিয়ে আগামী হাটবারের আশায় অপেক্ষার প্রহর গুনছেন। আগামী বাজারে চামড়া বিক্রি করতে না পারলে চামড়া ফেলে চলে যাবে।

সঠিক দামেই চামড়া কিনছেন এমন দাবি করে এই ট্যানারি মালিক বলেন, সময়মত ব্যাংক ঋণ পেলে একটি চামড়াও অবিক্রিত থাকতো না।

চামড়া বিক্রি করতে না পারলে ব্যবসায়িরা পুঁজি হারিয়ে মহাজনের দেনা শোধ করতে নি:স্ব হয়ে যাবেন এমন কথাও বলছেন অনেকেই।

এদিকে বাজারের ইজারাদার আব্দুল মোতালেব জানান, চামড়া বিক্রি করতে না পেরে অনেকেই চামড়া পুকুরে ফেলে চলে যাচ্ছে। পরে বাজারের ইজারাদার ৩ হাজার টাকা খরচ করে চামড়া গুলো ডাস্টবিনে ফেলেছেন।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : রফিকুল ইসলাম রতন
আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ।
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]