ই-পেপার মঙ্গলবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২ আশ্বিন ১৪২৬
ই-পেপার মঙ্গলবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

বিশ্বব্যাংক ‘ব্লাঙ্ক চেক’ দিয়ে প্রয়োজন মতো টাকা লিখে নিতে বলেছে: অর্থমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৭:২৮ পিএম আপডেট: ০৫.০৯.২০১৯ ৮:৩৬ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

বিশ্বব্যাংক ‘ব্লাঙ্ক চেক’ দিয়ে প্রয়োজন মতো টাকা লিখে নিতে বলেছে: অর্থমন্ত্রী

বিশ্বব্যাংক ‘ব্লাঙ্ক চেক’ দিয়ে প্রয়োজন মতো টাকা লিখে নিতে বলেছে: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বাংলাদেশকে ‘ব্লাঙ্ক চেক’ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটি বলেছে, তোমাদের প্রয়োজন মতো টাকা লিখে নাও। বাংলাদেশে অর্থায়নের ক্ষেত্রে আর কোনো লুকোচুরি থাকবে না।

বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে নিজ কার্যালয়ে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর (বাংলাদেশ-ভুটান) মার্সি টেম্বনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশে প্রকল্প তৈরি ও অর্থায়নে প্রস্তুত। যত অর্থের প্রয়োজন হোক না কেন, তারা তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে। সম্ভাবনাময় খাতগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য বিশ্বব্যাংকের পরমর্শও নেবো। আমাদের ৮৮ শতাংশ  ব্লু -ইকোনোমিকে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে। এখাতে কাজ করতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।’
 
 
ডেল্টা প্ল্যান প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল বলেন, আমাদের ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডসের পাশাপাশি বিশ্বব্যাংকও এগিয়ে আসবে। এ খাতে অর্থ ও প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়তা দেবে। ফলে ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত হবে। ডেল্টাপ্ল্যানে যদি ভারতও আসতে চায়, তবে স্বাগত জানাবো।
 
সড়ক ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের সড়ক ব্যবস্থাপনায় সব ধরনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা দেবে। বাংলাদেশের সড়ক উন্নয়নে যত টাকার প্রয়োজন তত দিতে আগ্রহী। সড়কে বাস-বে, সড়কের পাশে চালকদের জন্য বিশ্রামাগারসহ নানা উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। এসব দেখে প্রশংসা করেছে বিশ্বব্যাংক।
 
নতুন আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের ১৪ অক্টোবর ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হবে। এই সভায় নতুন প্যাকেজ ঘোষণা করবে সংস্থাটি। বাংলাদেশের বিষয়ে সংস্থাটির ইতিবাচক ধারণা হয়েছে। আমাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সংস্থাটি অর্থায়ন করতে উন্মুখ।
 
বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি মিয়াঙ টেমবন বলেন, আমি বাংলাদেশ নিজেই চিনে নিয়েছি। সুন্দরবন ছাড়া বাংলাদেশের সব জায়গায় ঘুরেছি। বাংলাদেশের অবকাঠামোগত সুবিধাসহ আর্থিক বিষয়ে ব্যাপক উন্নত হয়েছে।  নদী, পানি ও ব্লু-ইকোনোমিতে বাংলাদেশকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

‘মূলত আমি বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে ব্র্যান্ডিং করতে এসেছি। ব্লু-ইকোনোমির ৮৮ শতাংশ কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে এই দেশটির,’ যোগ করেন তিনি।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মনোয়ার আহমেদসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
 




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : রফিকুল ইসলাম রতন
আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ।
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]