ই-পেপার শনিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ৬ আশ্বিন ১৪২৬
ই-পেপার শনিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

চরফ্যাশন বেতুয়া লঞ্চঘাট এখন মরন ফাঁদ
ভোলা প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৫:২৩ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

চরফ্যাশন বেতুয়া লঞ্চঘাট এখন মরন ফাঁদ

চরফ্যাশন বেতুয়া লঞ্চঘাট এখন মরন ফাঁদ

ভোলার চরফ্যাশনের বেতুয়া লঞ্চ ঘাটের পল্টুনটি দির্ঘদিন যাবত ভেঙ্গে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে চরফ্যাশনের চলাচলকারী হাজারো যাত্রিরা। যাত্রিরা বিআইডব্লিউটিএ’র খামখেয়ালিপনা আর স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের প্রতি চরম ক্ষোভ প্রকআশ করেছে। পন্টুন আর সিড়ি না থাকায় নৌকা ও পানিতে ভিজে উঠানামা করতে হচ্ছে এসব যাত্রীদের। তাই দ্রুত পন্টুন মোরামতসহ যাত্রী উঠানামার জন্য স্থায়ী সমাধানের দাবী করেছেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রীর কাছে।

খোজ নিয়ে দেখা গেছে দীর্য দিন ধরেই নানান সমস্যা আর রক্ষনাবেক্ষনের অভাবে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার বেতুয়া লঞ্চঘাটটি ভেঙ্গে মেঘনার পানিতে নিমজ্জিত অবস্থায় রয়েছে। ঢাকার সাথে একমাত্র যোগাযোগ মাধ্যমই হচ্ছে নৌপথ। যে কারনে প্রতিদিন ৪টি যাত্রীবাহি লঞ্চ এই রুটে আশাযাওয়া করে থাকে। হাজারো মানুষের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম হলেও দীর্যদিন ধরে বেতয়ার লঞ্চঘাটের পন্টুনটি ভেঙ্গে নিমজ্জিত অবস্থায় থাকলেও সেদিকে খেয়াল নেই স্থানীয় এমপিসহ বিআইডব্লিউটিএ কর্তপক্ষের।

হাজারোও যাত্রীর চরম ভোগান্তি হওয়ার পরেও ভোলা বরিশাল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি পরেনি। এমনকি স্থানীয় এমপি বিষয়টি নিয়ে তেমন কিছুই করছেন না। বর্তমানে বর্ষা মৌসুম আর মেঘনা নদীর পানি স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়েে সব সময় বেশি থাকায় দুর্ভোগ যেন আরো বেড়ে যায় যাত্রীদের। মেঘনা নদীর পানিতে ডুবে থাকা পন্টুনের পাশেই নদী রক্ষায় দেয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিসি ব্রোকের সাথে লঞ্চগুলোকে ঘাট দিতে হচ্ছে। যে কারনে জীবনের ঝুকি নিয়ে নারী-শিশুসহ হাজারো যাত্রীরা উঠানামা করছে প্রতিনিয়ত। ত
চরফ্যাশন বেতুয়া লঞ্চঘাট এখন মরন ফাঁদ

চরফ্যাশন বেতুয়া লঞ্চঘাট এখন মরন ফাঁদ

এদিকে পন্টুন না থাকায় উত্তাল মেঘনার পানিতে ভিজে উঠতে হচ্ছে এবং একই সাথে ছোট ছোট ডিঙ্গি নৌকায় জনপ্রতি ২০থেকে ৩০টাকা করে দিয়ে কোমলমতি শিশু,বৃদ্ধ,বৃদ্ধা সকলেই জীবনের ঝুকি নিয়ে উঠতে হচ্ছে কিনারে। মাসের পর মাস চল্লেও খেয়াল দিচ্ছে না কেউ।

সরেজমিন বেতুয়া লঞ্চঘাটে গিয়ে এসব দৃশ্য চোখে পড়ে। এসময় লঞ্চযাত্রী মোঃ কামাল চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,জীবনে এই প্রথম ভোলা ধেখার জন্য এসেিেছ। এসে যে বীপদের সম্মুখীন হতে হল তাতে আশার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। একই ভাবে মোঃ নাদিম আলমের ছোট শিশু নৌকায় করে উঠতে গিয়ে নৌকা ডুবে যাওয়ার সময় চিৎকার করে বলে উঠলো বাবা আমাকে বাচাঁও। খুব ভয় পাওয় শিশুটির বাবা বল্লেন,শুনেছি স্থানীয় এমপি নাকি অনেক উন্নয়ন করেছেন তার নমুন এমন কেন হবে। শুধু তিনিই নন ৭২বছরের কয়সর আলী বলেন,বাবা ভয় পেয়েছি। আশা করছি স্থানীয় এমপি ও কর্তপক্ষ দ্রুত পন্টুন ঠিক করে আমাদের চলাচলের পথ সহজ করে দিবেন। তিনি যোগ করে বলেন,এখনতো আর এমপিরা লঞ্চে কম আসেন,আকাশ পথে আসেন বলেই আমাদের মত বৃদ্ধদের কস্ট বুঝবে কি করে।

এবিষয়ে ঘাট ইজারাদার কর্তৃপক্ষ বলেন,এবিষয় আমরা কর্তৃপক্ষ ও আমাদের স্থানীয় এমপি আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকবকে অবহিত করেছি। তারা আমাদের আশা দিয়েছেন খুব দ্রুত একটি নতুন পন্টুন দেয়ার। ৩টি লঞ্চের জন্য জায়গা সংকুলান হওয়ায় লঞ্চ কর্তৃপক্ষের নিয়ম শৃংঙ্খলাবহির্ভুত কর্মকান্ড অব্যবস্থাপনা পন্টুন ভাঙ্গার অন্যতম একটা কারন। এছাড়া ঝড়তুফানতো রয়েছেই।

বিআইডব্লিউটিএ’র বশিাল বিভাগীয় অঞ্চলের উপ-পরিচালক মোঃ আজমল হুদা মিঠু সরকার বলেন,আমাদের একটি টিম কাজ করে এসেছে। যখন বলা হলো কোন কাজ হয়নি,এখনো একই অবস্থায় রয়েছে। তখন তিনি বল্লেন,আমি এখনি খোজ নিচ্ছ এবং দ্রুত এটার কাজ করার ব্যবস্থা নিচ্ছি। তবে কোস্টাল এরিয়া হওয়ার ফলে একটু কস্ট হচ্ছে। তবে যত দ্রুত সম্ভব সমস্যার সমাধান করা হবে।





সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : রফিকুল ইসলাম রতন
আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ।
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]