ই-পেপার শনিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ৬ আশ্বিন ১৪২৬
ই-পেপার শনিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

পুলিশের প্রতি প্রধানমন্ত্রী
উন্নয়নের জন্য শান্তি বজায় রাখুন
বিদ্যুৎ ব্যবহারে মিতব্যয়ী হওয়ার আহবান
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:০০ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য শান্তি ও শৃঙ্খলা অপরিহার্য উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশা প্রকাশ করে বলেছেন, এ অবস্থা বজায় রাখতে পুলিশের আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্ট অনুমোদিত কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ব্যাংকটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চারটি বিদ্যুৎকেন্দ্র, আটটি ৩৩/১১ কেভি জিআইএস উপকেন্দ্র এবং ১০টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। এ সময় তিনি দেশবাসীকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে মিতব্যয়ী হওয়ার আহŸান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় থাকা অপরিহার্য। আর এ দায়িত্ব স্বাভাবিকভাবেই পুলিশ বাহিনীর ওপর বর্তায়। আমি আশাবাদী, পুলিশ এখন যেভাবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে, তেমনি ভবিষ্যতেও করবে। শেখ হাসিনা বলেন, পুলিশের আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমেই সরকার দেশকে সামনের দিকে নিয়ে যাবে, যেখানে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সুন্দর ও উন্নত জীবন পাবে।
পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জনের আহŸান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, প্রতিটি থানা সুন্দর ও দর্শনীয় স্থান হওয়া উচিত, যেগুলো হবে সাধারণ মানুষের আস্থা ও আত্মবিশ্বাসের স্থান। মাদককে সামাজিক সমস্যা হিসেবে আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে আসন্ন দিনগুলোয় পুলিশকে আরও অভিযান চালানোর আহŸান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অভিযান (মাদকের বিরুদ্ধে) অব্যাহত থাকবে। মাদক পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। এমনকি মাদকের জন্য ছেলে মাকে হত্যা করে, ভাই ভাইকে হত্যা করে, ছেলে বাবাকে হত্যা করে...। এ ধরনের ঘটনা প্রতিহত করতে আরও তীব্র আকারে অভিযান চালাতে হবে। তবে বিশ্বের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এ অপরাধের ধরনও বদলে যাচ্ছে।
পরিবর্তিত বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে সরকার পুলিশের প্রশিক্ষণের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ শুধু বাংলাদেশের সমস্যা না, এটা পুরো বিশ্বের সমস্যা। শেখ হাসিনা বলেন, দেশ থেকে সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ দমনে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর ভ‚মিকা অনেক প্রশংসনীয়। এ জন্য তাদের জীবনও বিসর্জন দিতে হচ্ছে।
পুলিশকে যথাযথভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য সরকার অ্যান্টিটেররিজম ইউনিট ও সাইবার পুলিশ সেন্টার গঠন করেছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ক্ষেত্রেও তারা তাদের দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে। ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালের বিভীষিকাময় দিনগুলোর কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, যখন বিএনপি-জামায়াত চক্র আন্দোলনের নামে সন্ত্রাসের রাজত্ব চালিয়েছিল, তখন ২৬ থেকে ২৭ জন পুলিশ সদস্যকে জীবন দিতে হয়েছিল।
সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া বাংলাদেশ পুলিশের কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষা ঘুষ ও দুর্নীতিমুক্ত করে পুলিশ বাহিনী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে উল্লেখ করে পুলিশকে ধন্যবাদ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আমি পুলিশকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ দেব, সাধারণত পুলিশের লোক নিয়োগের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের একটা দুর্নাম রয়েছে। পুলিশে নিয়োগের ক্ষেত্রে ঘুষ-দুর্নীতির বদনাম আছে। কিন্তু পুলিশ সম্প্রতি নিয়োগে একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তিনি বলেন, ঘুষ-দুর্নীতিমুক্তভাবে যেভাবে এবার নিয়োগ হয়েছে, অতি সাধারণ দরিদ্র পরিবারের ছেলেমেয়েরাও পুলিশে চাকরি পেয়েছে। প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় এ নিয়োগে দায়িত্বপ্রাপ্তরা অত্যন্ত সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তারা বিশেষ দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেছেন। এটা সবাইকেই অনুসরণ করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ চাকরির সুযোগ পায়।
পুলিশকে দেওয়া সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে পুলিশের ওপর মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গা সৃষ্টি হয়েছে। আমরা ইতোমধ্যে কনস্টেবল থেকে এসআই পর্যন্ত ঝুঁকি ভাতা চালু করেছি। দেশের ‘অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ’ কাজগুলো পুলিশকে করতে হয়। পুলিশের জন্য যেখানে যতটুকু কাজ করা দরকার আমরা করে যাচ্ছি।
তিনি বলেন, তাদের (পুলিশ) জন্য গাড়ি, মোটরসাইকেল, এমনকি চাকরিতে পদোন্নতির ব্যবস্থা করেছি। পাশাপাশি সার্বিকভাবে সবার বেতন আমরা বৃদ্ধি করেছি। একসঙ্গে একবারে এত বেতন বৃদ্ধি পৃথিবীর কোথাও নেই, আমরা পুলিশ বাহিনীর জন্য সেটা করে দেখিয়েছি।
থানার সংস্কারের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুলিশকে মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে হবে। মানুষ পুলিশ থেকে যেমন সেবা পাবে, একইভাবে সেবা পাওয়ার স্থানটা দেখার একটা ব্যাপার আছে। আমি মনে করি, প্রত্যেকটি থানা অন্তত দর্শনীয় হতে হবে, সুন্দর হতে হবে। আপনারা খুঁজে খুঁজে দেখেন কোথায় কোথায় আপনাদের থানার দুরবস্থা আছে। আমার কাছে প্রজেক্ট নিয়ে আসেন। আমরা সেটা পাস করে আরও উন্নত করে দেব।
পুলিশের অবদানের বিষয়ে শেখ হাসিনা আরও বলেন, আমি পুলিশ বাহিনীকে ধন্যবাদ জানাই। তারা আমাদের দেশ থেকে জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসকে দূর করতে অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থাসহ অন্যান্য সংস্থাও অত্যন্ত দক্ষতার ভ‚মিকা রেখেছে। দেশে নানা ধরনের অনুষ্ঠান হয়, প্রতিটা ধর্মের ধর্মীয় অনুষ্ঠান, পহেলা বৈশাখসহ প্রতিটি অনুষ্ঠানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, পুলিশ বাহিনী অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুষ্ঠুভাবে প্রতিটা অনুষ্ঠান যাতে করা যায় সেই ব্যবস্থা করে পুলিশ। ঈদের আনন্দে সবাই যখন আনন্দিত, আমার পুলিশ বাহিনী তখন তাদের পরিবার-পরিজন ছেড়ে কর্তব্য পালন করে। জাতির জন্য তাদের এ ত্যাগ আমরা সবসময় স্বীকৃতি দেব এবং তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আমরা তাদের সব চাহিদা পূরণ করছি। তাদের চাহিদামতো কমিউনিটি ব্যাংক উদ্বোধন করা হলো।
তিনি বলেন, আগে পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালনের সময় নিহত হলে সামান্য কিছু টাকা সাহায্য দেওয়া হতো। তাদের সাহায্য বৃদ্ধির জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে কল্যাণ ট্রাস্টের প্রস্তাব এসেছিল। আমরা ট্রাস্ট করে দিয়েছি। ট্রাস্টে উপার্জনের জন্য কী প্রয়োজনীয় সে বিষয়ে কিছু সুবিধা আমি করে দিয়েছিলাম। আমরা সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ব্যাংক দিয়েছি, বিজিবির জন্য দিয়েছি। পুলিশ বাহিনী বাকি ছিল তাদেরও ব্যাংক করে দিলাম।
তিনি আরও বলেন, আমরা বেসরকারি খাতেও ব্যাংক দিয়েছি। ব্যাংকিং সেবাটা এখন উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। এ ব্যাপারটা যেন সব মানুষ নিতে অভ্যস্ত হয়Ñ এ জন্য আমরা কৃষকদের ১০ টাকায় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ করে দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে পুলিশকে আরও দক্ষ করে গড়ে তুলেছি। আমরা ইতোমধ্যে অ্যান্টিটেররিজম ইউনিট এবং সাইবার পুলিশ সেন্টার গঠন করেছি। তারা অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে। এ ছাড়া ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ ও ট্যুরিস্ট পুলিশসহ বিশেষায়িত বাহিনী করে দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, স্বরাষ্ট্র সচিব (জননিরাপত্তা বিভাগ) মোস্তফা কামাল উদ্দিন ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোহাম্মাদ জাভেদ পাটোয়ারী। পরে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী রাজারবাগ পুলিশ লাইন অডিটোরিয়ামে থাকা পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে এবং গুলশানের করপোরেট কার্যালয়ে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।
বিদ্যুৎ ব্যবহারে মিতব্যয়ী হতে আহŸান : বিদ্যুৎ ব্যবহারে মিতব্যয়ী হতে দেশবাসীর প্রতি আহŸান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
গণভবন থেকে বুধবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চারটি বিদ্যুৎকেন্দ্র, আটটি ৩৩/১১ কেভি জিআইএস উপকেন্দ্র এবং ১০টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন তিনি।
অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, আমার অনুরোধ থাকবে যারা বিদ্যুৎ ব্যবহার করবেন তারা সাশ্রয়ী হোন, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ যেন নষ্ট না হয়। বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হলে বিলটাও কম আসবে, সেটা মাথায় রাখতে হবে। কাজেই প্রত্যেকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে মিতব্যয়ী হবেন, সাশ্রয়ী হবেন। আমরা কিন্তু যত টাকা দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করি তার চেয়ে অর্ধেকের কম দামে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে যাচ্ছি। বিদ্যুতে এভাবে ভর্তুকি দেওয়া ঠিক নয়। তারপরও মানুষের কল্যাণে, মানুষের সুবিধার জন্য আপনারা বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হবেন সেই আশা করছি।
সরকারে আসার পর বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে আইন করার কথা অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা রাস্তাঘাট ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন করি। সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎটা অত্যন্ত জরুরি। বিদ্যুৎ যখন গ্রামগঞ্জে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে যায় তখন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। আমাদের লক্ষ্য প্রতিটা গ্রামে উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছে দেওয়া আর বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন করা। আমরা কিন্তু সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি।
তিনি বলেন, প্রতিটা উপজেলা যেন সম্পূর্ণভাবে বিদ্যুৎ পায় সে জন্য আমরা ঘোষণা দিয়েছি, যেন মানুষের মধ্যে একটা উৎসাহ আসে। শতভাগ বিদ্যুৎ ধীরে ধীরে বাংলাদেশের প্রতিটি উপজেলা, উপজেলা থেকে ইউনিয়নে পৌঁছে যাবে, সেটা আমরা পৌঁছাতে পারব।
দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়নে তার সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে গ্যাস বিক্রির জন্য একসময় চাপ আসার কথাও বলেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আগে গ্যাসের স্বল্পতা ছিল। গ্যাস বিক্রি করার জন্য ২০০১ এ আমাদের ওপর প্রচÐ চাপ ছিল। গ্যাস আমাদের। আমরাই ১৯৯৬ সালে সরকারে এসে আন্তর্জাতিক টেন্ডার দিই। বিদেশিরা এসে গ্যাস উত্তোলন কাজ শুরু করে। সেই সময় চাপ এল যে গ্যাস বিক্রি করতে হবে। দেশের মানুষের চাহিদাপূরণের পর অতিরিক্ত গ্যাস থাকলে সেটা বিক্রি করব এই নীতি নিয়ে আমি ছিলাম। কিন্তু বিএনপি তখন এক বাক্যে রাজি হয়ে গেল তারা ক্ষমতায় এলে গ্যাস বিক্রি করবে। যেহেতু আমি রাজি হইনি, তার খেসারত দিতে হয়েছে ২০০১ সালে আমরা ক্ষমতায় আসতে পারিনি।
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার আগে দেশ অন্ধকারে ছিল মন্তব্য করে তিনি বলেন, ২০০১ এ যারা ক্ষমতায় এসেছিল তাদের একটাই লক্ষ্য ছিল নিজেরা আর্থিকভাবে কীভাবে লাভবান হবে। নিজেদের অর্থ সম্পদের দিকেই তারা বেশি ব্যস্ত ছিল। সেই সঙ্গে দুর্নীতি, মানি লন্ডারিং, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ সেই দিকেই তাদের নজর ছিল। প্রতিটি ক্ষেত্রে দেশকে পিছিয়ে রেখেছিল।
প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : রফিকুল ইসলাম রতন
আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ।
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]