ই-পেপার সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ৮ আশ্বিন ১৪২৬
ই-পেপার সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯

বাস্তবে ফেলুদা হতে পারব না  সব্যসাচী
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:০০ এএম আপডেট: ১২.০৯.২০১৯ ১২:৪৩ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ

বাস্তবে ফেলুদা হতে পারব না  সব্যসাচী

বাস্তবে ফেলুদা হতে পারব না  সব্যসাচী

কলকাতার ছোট এবং বড়পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা সব্যসাচী চক্রবর্তী। জোছন দস্তিদারের সোনেক্সের তেরো পার্বণ সিরিয়ালে অভিনয়ের মাধ্যমে বাংলার মানুষের কাছে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন তিনি। ‘রুদ্রসেনের ডায়েরি’ টেলিসিরিয়ালে প্রথম গোয়েন্দা চরিত্রে অভিনয় করেন। সব্যসাচীর সব থেকে উল্লেখযোগ্য চিত্রায়ণ সত্যজিৎ রায়ের ফেলুদা। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের অসাধারণ ফেলুদা চিত্রায়ণের পরেও বাঙালি দর্শক ফেলুদা হিসেবে সব্যসাচীকে গ্রহণ করেছে। সব্যসাচী বলিউডের কিছু হিন্দি সিনেমায়ও অভিনয় করেছেন। বর্তমানে বাংলাদেশের ‘গন্ডি’ সিনেমায় অভিনয় করছেন তিনি। ছবিটি পরিচালনা করেছেন ফাকরুল আরেফিন খান। নিজের না বলা কথাগুলো অকপটে বলেছেন সব্যসাচী চক্রবর্তী। লিখেছেন পার্থ সনজয়


ফেলুদা হওয়া সম্ভবও নয়
আমি ফেলুদা চরিত্রে অভিনয় করেছি। কিন্তু বাস্তব জীবনেও ফেলুদা হতে পারব না। সেই ফেলুদা হওয়া সম্ভবও নয়। কারণ ফেলুদার যে বুদ্ধি, যে পড়াশোনা, যে বিচক্ষণতা ওসব আমার নেই।

সৌমিত্রদা আমার আদর্শ
সৌমিত্রদার তুলনায় আমি অনেক নিম্নমানের। আমি আমার মতো করে ফেলুদা করেছি। সৌমিত্রদাকে আমি আদর্শ মানি। তিনি আমাদের অভিনয়ের আদর্শ, মানুষ হিসেবেও আদর্শ। কাজেই তার সমকক্ষ আমি কখনই হতে পারব না। পায়ের নখের কাছাকাছিও পৌঁছাতে পারব না। আমি বলব, আমি যে ফেলুদা করেছি নিজের মতো করে করেছি।
সত্যজিতের সঙ্গে ফেলুদা করা হয়নি
সত্যজিতের সঙ্গে ফেলুদা করা হয়নি। আমি যখন অভিনয়ে এসেছি তখন উনি ফেলুদা করছেন না। উনি বলেছিলেন, ছেলের সঙ্গে কথা বল, সে যদি করে! তো, সেই ছেলের পেছনেই লেগেছিলাম। ছেলে সুযোগ দিল, করতে পারলাম।
চাওয়া থেকে বেশি পাওয়া
লাইফ ফিলোসফি বলতে এটাই বলব, আমি মিস্ত্রি হয়ে থাকব এই প্ল্যান ছিল। কারণ, আমি একজন টেকনিশিয়ান ছিলাম, এখনও টেকনিক্যাল কাজই করি। যেমন নাটকের সেট লাইট এসব কাজ করি। সিনেমাটোগ্রাফিও খানিকটা শিখেছিলাম। এডিটিং, সাউন্ড এসব শিখেছিলাম। আমি ভেবেছিলাম, ওই কাজই করব। কিন্তু আমার পিশেমশাই আমাকে অভিনেতা করে দিলেন। তারপর থেকে এই অভিনয়ই করছি। এখন প্রায় ১৫০-এর মতো ছবি হয়ে গেছে। ৫০-৬০ খানা সিরিয়াল, ৫০-৬০ খানা নাটক, রেডিও প্রোগ্রাম-এখন মনে হচ্ছে আমি যা চেয়েছিলাম, তার চেয়ে বেশি পেয়েছি। নতুন করে আর কিছু চাই না।
সাধারণ জীবনযাপন
সাধারণ মানুষের মতো জীবনযাপন করতে চাই। আলাদা করে কোনো জীবন দর্শন নেই। জীবনে মা-বাবার প্রভাব, পিশি-পিশেমশাই, কাকাদের প্রভাবই বেশি। পুরোটাই তো নাটকের পরিবার। আমার আত্মীয়-স্বজন নাটক সিনেমার সঙ্গেই যুক্ত। আমার বড় মামা বিজন ভট্টাচার্য, আত্মীয় ঋত্বিক ঘটক, আরেক আত্মীয় শম্ভু মিত্র। জীবনের ফিলোসফি হচ্ছে, পারফরমারের জীবন, সেভাবেই কাটিয়ে দিতে চাই।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : রফিকুল ইসলাম রতন
আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ।
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]