ই-পেপার  বুধবার ১৬ অক্টোবর ২০১৯ ১ কার্তিক ১৪২৬
ই-পেপার  বুধবার ১৬ অক্টোবর ২০১৯

পূজায় মুখরোচক নানা রকম খাবার
সময়ের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০১৯, ৩:০১ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

পূজায় মুখরোচক নানা রকম খাবার

পূজায় মুখরোচক নানা রকম খাবার

দুর্গাপূজা মানেই খাবার টেবিলে থাকবে নানা রকমের মুখরোচক খাবারের আয়োজন। উৎসবের সাথে খাবারের এই সম্পর্কটি ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে আছে বাঙালির সংস্কৃতির সাথে। আর দুর্গাপূজা মানেই ঢাক ঢোল আর লুচি–আলুর দম। নতুন পোশাক, দলবেঁধে পূজা দেখা আর নারিকেলের নাড়ু, সন্দেশের মাঝেই পূজার অন্যতম আনন্দ। এই পূজায় কি রাঁধবেন, কি দিয়ে আপ্যায়ন করবেন অতিথিকে তা নিয়ে আর আপনাকে চিন্তা করতে হবে না। পূজা উপলক্ষ্যে ১৪ টি পদ নিয়ে আমাদের আজকের এই আয়োজন।


লুচি

লুচি একটি বাংলা খাবার। হাজার বছর ধরে বাঙ্গালির ঐতিহ্যের সাথে মিশে আছে লুচি। লুচি-আলুর দম, লুচি–সবজি, লুচি–মাংস, লুচি–শুক্ত এবং লুচি-কাবাব আমাদের অত্যন্ত প্রিয় কিছু খাবারের নাম। কেউবা আবার লুচির সাথে মোহনভোগ হালুয়া এবং গরম গরম রসগোল্লার কথা শুনলে জিভে জল ধরে রাখতে পারেন না।

তবে ফুলকো লুচি খেতে সবচেয়ে দারুণ। অনেকে মনে করেন খামির বুঝি আধ ঘণ্টা ভেজা কাপড়ে ঢেকে রাখলে লুচি ফুলকো হবে। ময়দায় বেশি করে তেল বা ঘি এর খামির দিলে লুচি ফুলবে ভালো। এসব কিছুই করতে হবে না আপনাকে। চলুন দেখে নেই কিভাবে তৈরি করতে হয় এই ঐতিহ্যবাহী খাবার।

প্রয়োজনীয় উপকরণ : ময়দা ৩ কাপ, তরল ঘি ১ টেবিল চামচ (মাখানোর জন্য), লবণ স্বাদ মত, সামান্য চিনি, বেকিং পাউডার ১/২ চা চামচ, পানি প্রয়োজনমত, তেল ভাজার জন্য।

প্রণালী : ময়দার সঙ্গে পানি, লবণ, চিনি এবং বেকিং পাউডার মিশিয়ে মাখাতে হবে। প্রয়োজন মতো পানি দিয়ে খামিরটি বেশ নরম করুন। খামির বেশ ভাল করে হাত দিয়ে ডলে ডলে মাখান। এতে লুচি ভাজাও ভালো হবে। খামি হয়ে গেলে ছোট ছোট করে কেটে নিয়ে গোল করে বেলে নিন। কড়াইতে তেল গরম করে ডুবোতেলে ভেজে ফুলে উঠলে তুলে নিন। মনে রাখবেন লুচি যেন বেশি মোটা কিংবা বেশি পাতলা না হয়ে যায়।


আলুর দম  

প্রয়োজনীয় উপকরণ : আলু ডুমো করে কাটা- ২ কাপ, আদা বাটা- ১ চা চামচ, রসুন বাটা- ১ চা চামচ, পিঁয়াজ বেরেস্তা- ১/৪ কাপ, মরিচ গুঁড়া- ১/২ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া- ১/৪ চা চামচ, জিরা ভাজা গুঁড়া- ১/২ চা চামচ, ধনিয়া গুঁড়া- ১/২ চা চামচ, কাঁচা মরিচ ফালি- ইচ্ছা মত, টমেটো বাটা বা টমেটো সস, পাঁচ ফোড়ন- ১ চা চামচ, ঘি- ১ টেবিল চামচ, তেল- ২ টেবিল চামচ, ধনেপাতা- ইচ্ছামতন, তেজপাতা, লবণ- স্বাদ মত।

প্রণালী : কড়াইতে প্রথমে তেল দিন। তেল গরম হয়ে এলে তেজপাতা, জিরা, ধনিয়া, কাঁচা মরিচ দিতে হবে। একটু নেড়েচেড়ে তাতে রসুন বাটা, আদাবাটা, টমেটোর সস, হলুদ ও লবণ ও পানি দিয়ে মসলা কশান। কশানো হলে এবার সেদ্ধ আলু দিয়ে দিন। ফুটে এলে জিরা এবং ধনিয়া গুড়া দিয়ে নামিয়ে ফেলুন। এবার আরেকটা প্যানে ঘি গরম করুন, তাতে পাঁচ ফোড়ন দিয়ে দিন এবং পুরো মিশ্রণটা আলুর মাঝে ঢেলে দিয়ে বাগাড় দিন এরপর বেরেস্তা ছড়িয়ে দিন। খেয়াল রাখবেন পাঁচ ফোড়ন যেন পুড়ে না যায়, তাতে পুরো খাবারটা তেতো হয়ে যাবে।


নারকেলের গুড়ের নাড়ু

প্রয়োজনীয় উপকরণ : নারকেল কুড়ানো ৩ কাপ, চিনি+ গুড় পরিমাণ মতো, এলাচ গুড়া হাফ চা- চামচ, কপূর এক চিমটি (যাতে নাড়ু দীর্ঘস্থায়ী হয় )।

প্রণালি : নারকেল এবং গুড় একসাথে জাল দিন। ধীরে ধীরে নাড়ান। একসময় আঠালো হয়ে এলে যখন হাড়ির তলাথেকে চেড়ে আসবে তখন এলাচ গুড়া, অল্প বা কর্পূর দিয়ে নামিয়ে ছোট ছোট নাড়ু বানান।


নারকেলের চিনির নাড়ু

প্রয়োজনীয় উপকরণ : নারকেল চারটি কোড়ানো, চিনি ৩০০ গ্রাম, দুধ ২ কেজি এবং এলাচ ২-৩টি।

প্রণালী : কড়াইয়ে দুধ দিয়ে জ্বাল দিন। ফুটে উঠলে এলাচ ও চিনি দিয়ে সাবধানে নাড়ুন। দুধ একটু ঘন হয়ে এলে নারকেল ঢেলে দিন। এভাবে ক্রমাগত নাড়ান, যেন কড়াইয়ের গায়ে লেগে না যায়। ধীরে ধীরে নারকেল ও দুধের মিশ্রণ ভালোভাবে মিশে গেলে দেখবেন নারকেল থেকে তেল বের হতে শুরু করেছে। এবার নামিয়ে হালকা বেটে গোলাকৃতির নাড়ু বানান। নাড়ু বেটে নিলে নাড়ুর ওপরের অংশটুকু বেশ মসৃণ হয়। হালকা গরম অবস্থাতেই নাড়ু বানাতে হবে। ঠান্ডা করে বানাতে গেলে গোল আকার দেওয়া কষ্টকর হয়ে ওঠে। মনে রাখবেন নারকেল কোড়ানোর সময় যেন কালো অংশ উঠে না আসে।


লাবড়া

বহুমেশালি সবজির পদকে মূলত লাবড়া বলা হয়। লাবড়ার রান্নার লৌকিক বিধি হচ্ছে এতে তিতা, মিঠা, কষ্‌টে, ঝাল অর্থাৎ প্রকৃতির নানা স্বাদের মিশেল থাকে।

প্রয়োজনীয় উপকরণ : বিভিন্ন রকম সবজি (যেমন পটল, মিষ্টি কুমড়া, পেঁপে, বেগুন ও আলু) কাঁচামরিচ, আদা বাটা, রসুন বাটা, জিরা বাটা, ধনিয়া বাটা, হলুদ-মরিচ গুড়া, পাঁচ ফোড়ন, তেজ পাতা, গরম মসলা, তেল, লবন স্বাদ মত, আদা কুচি এবং ঘি।

প্রণালী : একটি কড়াইতে তেল গরম করে তাতে পাঁচ ফোড়ন, আদা কুচি, হলুদ গুড়া, মরিচ গুড়া, ধনিয়া বাটা, জিরা বাটা, তেজ পাতা, আদা বাটা, রসুন বাটা, দিয়ে একটু কষিয়ে এতে সবজি দিয়ে একটু পানি দিয়ে ঢেকে দিন। কিছক্ষন পর লবণ দিয়ে আবার ঢেকে দিন। সবজি সেদ্ধ হয়ে এলে এতে কাঁচা মরিচ, গরম মসলা, আদা কুচি, ঘি এর মিশ্রণ ছড়িয়ে দিন। ২ মিনিট পর নামিয়ে লুচি দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার লাবড়া।


দইয়ের সরবত

প্রয়োজনীয় উপকরণ : দই ৪-৫ কাপ, ঠান্ডা পানি আধা কাপ, (বরফকুচি ৪ কিউব, চিনি ২ টেবিল চামচ বা পরিমাণমতো, পুদিনা পাতা, কাঁচা মরিচ ১টা, লবণ পরিমাণ মতো।

প্রণালী : দইয়ের সাথে সবগুলো উপকরণ দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।


শুক্ত

প্রয়োজনীয় উপকরণ : করলা ২টি, আলু ২ টি, বেগুন ১টি ও কাঁচকলা সবগুলো কিউব করে কাটা, সেদ্ধ মটরশুটি আধা কাপ, পাঁচফোড়ন এক টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুচি দুটি, হলুদ গুঁড়া এক চা চামচ, পোস্তদানা দুই টেবিল চামচ, চিনি আধা চা চামচ, টমেটো কুচি একটি, আদা বাটা আধা টেবিল চামচ, পানি এক কাপ, তেল দুই টেবিল চামচ ও লবণ স্বাদমতো।

প্রণালী : প্রথমে ব্লেন্ডারে পোস্তদানা, কাঁচামরিচ, আদা ও পাঁচফোড়নের সঙ্গে দুই টেবিল চামচ পানি মিশিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে ঘন মিশ্রণ তৈরি করে নিন। অন্যদিকে একটি প্যানে তেল দিন। তেল গরম হয়ে এলে তাতে কিউব করে কাটা করলা, আলু ও বেগুন ভালো করে ভেজে মিশিয়ে নিন। এর পর এতে কাঁচা কলা ও মটরশুটি দিয়ে পাঁচ থেকে ছয় মিনিট মাঝারি আঁচে ভাজতে থাকুন।

এবার ব্লেন্ডের মিশ্রণটি প্যানের তরকারীর সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। ৪- ৫ মিনিট রান্না কশান। টমেটো কুচি, হলুদ গুঁড়া, চিনি ও লবণ দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করুন। এবার এতে পানি দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। অল্প আঁচে ১০ মিনিট রান্না করুন। পানি শুকিয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে প্লেটে ঢেলে গরম গরম লুচির সাথে পরিবেশন করুন।

গুড়ের সন্দেশ


প্রয়োজনীয় উপকরণ : ছানা ২ কাপ, খেজুরের গুড় (কুচি করা) আধা কাপ, মাওয়া (কুচি করা) ১ কাপ, মিহি চিনি আধা কাপ ও ঘি ১ টেবিল-চামচ।

প্রণালী : ছানা ও চিনি জ্বাল দিয়ে যখন পানি শুকিয়ে আসবে, তখন তাতে গুড় দিয়ে নাড়তে হবে। যখন গুড়ের পানি টেনে থকথকে হবে, তখন নামিয়ে ঘি দিয়ে ঠান্ডা করতে হবে। এবার মাওয়া মিহি কুচি করে ছানার সঙ্গে মেশাতে হবে ভালোভাবে। সমান করে পিঁড়িতে বিছিয়ে চার কোনা করে কেটে অথবা ছাঁচে দিয়ে সন্দেশ বানাতে হবে।

ছানার সন্দেশ

প্রয়োজনীয় উপকরণ : গরুর দুধ- আধা কেজি,লেবুর রস- ১ চা চামচ।

প্রণালী : প্রথমেই দুধ নিয়ে চুলায় দিয়ে জ্বাল দিতে হবে। এবার দুধ ফুটে উঠলে চুলা থেকে নামিয়ে কিছুক্ষণ পর লেবুর রস ঢেলে দিন। যতক্ষণ দুধ ও ছানা আলাদা হয়ে সবুজ আভা দেখা না দেয় ততক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে। কিছুক্ষণ পর ছানা ভালো করে ধুয়ে পাতলা সুতি কাপড়ে ঝুলিয়ে রাখতে হবে পানি ঝরার জন্য। ছানার পানি ঝরে গেলে একটি বাটিতে ছানা তুলে রাখতে হবে।

সন্দেশ

প্রয়োজনীয় উপকরণ : ছানা- ১ কাপ,চিনি- আধা কাপ, এলাচ গুঁড়া- ১ চিমটি, পেস্তা ও কিসমিস।

প্রণালী : ছানা, চিনি ও এলাচগুঁড়া একসঙ্গে নিয়ে চুলায় জ্বাল দিতে হবে। চিনি গলে একটু আঠালো হয়ে গেলে নামিয়ে, একটি পাত্রে সামান্য ঘি মেখে তাতে মিশ্রণটি ঢেলে নিতে হবে। ঠান্ডা হলে ছুরি দিয়ে চার কোনা অথবা বরফির মত করে কেটে নেয়া যায়। চাইলে ছাঁচে দিয়ে নানান রকম আকৃতিও করা যেতে পারে। সন্দেশ সব কাটা হয়ে গেলে, পরিবেশন করুন মজাদার ছানার সন্দেশ।

ক্ষীরের সন্দেশ

প্রয়োজনীয় উপকরণ  : দুধ, চিনি।

প্রণালী : দুধ ভালোভাবে জ্বাল দিতে হবে। জ্বাল দেয়ার ফলে দুধ যখন ঘন হয়ে আসবে, তখন চিনি ঢেলে দিতে হবে। এক লিটার দুধের মধ্যে ২৫০ গ্রাম চিনি লাগবে। তারপর আস্তে আস্তে নেড়ে দুধ যখন ঘন হয়ে শক্ত হয়ে আসবে, তখন ছাঁচের মধ্যে ঢেলে ক্ষীরের সন্দেশ তৈরি করতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে, ছাঁচের মধ্যে আগে সামান্য পরিমাণে ঘি ঢেলে নিতে হবে। তারপর ঠাণ্ডা হলে ছাঁচ থেকে তুলে নিতে হবে। এরপর পরিবেশন করতে হবে।

যুগলবন্দী


প্রয়োজনীয় উপকরণ : ছানা ২ কাপ, ক্ষীর ১ কাপ, মাওয়া আধা কাপ, খেজুরবাটা আধা কাপ, আমন্ড বাদামবাটা আধা কাপ, গোলাপ এসেন্স সামান্য, গুঁড়া চিনি দেড় কাপ, ঘি ২ টেবিল চামচ, এলাচগুঁড়া আধা চা-চামচ, পেস্তাবাদামের কুচি আধা কাপ।

প্রণালী : এক কাপ ছানা, পৌনে এক কাপ গুঁড়া চিনি, গোলাপ এসেন্স একসঙ্গে মিশিয়ে জ্বাল দিতে হবে। ছানার পানি শুকিয়ে এলে ১ টেবিল চামচ ঘি দিয়ে অল্প নাড়াচাড়া করে চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে বাকি ছানার সঙ্গে মিশিয়ে চার ইঞ্চি উচ্চতার ৮ ইঞ্চি বাই ৮ ই্ঞ্চি মোল্ডে বাটা পেপার বা ট্রেসিং পেপার সেট করে সন্দেশ ঢেলে সমান করে দিতে হবে। ক্ষীর, খেজুরবাটা, বাকি চিনি, বাদামবাটা, এলাচগুঁড়া দিয়ে চুলায় জ্বাল দিতে হবে। শুকিয়ে এলে ১ টেবিল চামচ ঘি দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে চুলা থেকে নামিয়ে মাওয়ার গুঁড়া ও পেস্তাবাদামের কুচি মিশিয়ে সাদা সন্দেশের ওপর ঢেলে দিয়ে সমান করে দিতে হবে। ঠান্ডা হলে মোল্ড থেকে উঠিয়ে স্লাইস করতে হবে।


আচারের খিচুড়ি

প্রয়োজনীয় উপকরণ : চিনিগুঁড়া চাল ২৫০ গ্রাম, ঘি ২ টেবিল চামচ, তেল ২ টেবিল চামচ, মসুর ডাল ১ কাপ, মুগডাল ১ কাপ, কাঁচা মরিচ ৫–৬টি, হলুদগুঁড়া আধা চা–চামচ, মরিচগুঁড়া আধা চা–চামচ, জিরার গুঁড়া ১ চা–চামচ, রসুনের আচার ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজকুচি ২টি ও আদাবাটা ২ টেবিল চামচ।

প্রণালি : চাল আর ডাল একসঙ্গে ধুয়ে চালনিতে পানি ঝরার জন্য রাখতে হবে (মুগডাল আগে ভেজে নিতে হবে)। এবার পাত্রে ঘি আর তেল গরম হলে পেঁয়াজকুচি ও আদাবাটা দিয়ে চাল ভেজে নিতে হবে। হয়ে গেলে গরম পানি দিন আট কাপ। প্রথমে জ্বাল বাড়িয়ে রাখবেন। তারপর আঁচ কমিয়ে দমে রেখে দেবেন। হয়ে গেলে আচার দিয়ে নামিয়ে নেবেন।

 

বুটের ডাল

প্রয়োজনীয় উপকরণ : বুটের ডাল ২৫০ গ্রাম, মরিচের গুঁড়া ২ চা-চামচ, হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ, জিরার গুঁড়া দেড় চা-চামচ, আদাবাটা দেড় চা-চামচ, নারকেলবাটা ১ কাপ, শুকনা মরিচ ২টি, লবণ পরিমাণমতো, চিনি পরিমাণমতো, আস্ত জিরা সামান্য, কাঁচা মরিচ ৫–৬টি, ঘি ১ চা–চামচ, চিনি পরিমাণমতো, তেল ৩ টেবিল চামচ ও নারকেলকুচি সামান্য।

প্রণালি : বুটের ডাল সেদ্ধ করে আলাদা পাত্রে নামিয়ে রাখুন। এবার কড়াইতে তেল দিয়ে আস্ত জিরা, শুকনা মরিচ, নারকেল দিয়ে দিন। নারকেলের সঙ্গে সব মসলা দিয়ে, একটু কষানো হলে সেদ্ধ ডাল দিয়ে দিন। পরিমাণমতো পানি দিয়ে ডাল হয়ে এলে ঘি দিয়ে নামিয়ে নিন।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ।
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]