ই-পেপার মঙ্গলবার ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ৩০ আশ্বিন ১৪২৬
ই-পেপার মঙ্গলবার ১৫ অক্টোবর ২০১৯

‘অতিরিক্ত মদ্যপানে’ পাঁচজনের মৃত্যু
সময়ের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৯, ৭:৩৬ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

‘অতিরিক্ত মদ্যপানে’ পাঁচজনের মৃত্যু

‘অতিরিক্ত মদ্যপানে’ পাঁচজনের মৃত্যু

খুলনায় অতিরিক্ত মদপানে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে খুলনা মহানগরের চারজন ও রূপসা উপজেলায় একজন রয়েছেন। বিজয়া দশমীর দিন উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার মদপানের এই ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

গতকাল দুপুর থেকে আজ বুধবার সকালের মধ্যে সবার মৃত্যু হয়। এই তালিকায় দুই সহোদর ভাইও রয়েছেন। অন্যদের মধ্যে একজন গোপালগঞ্জ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ও একজন রূপসা কলেজের শিক্ষার্থী।

মারা যাওয়া পাঁচ ব্যক্তি হলেন, নগরের সোনাডাঙ্গা থানার গল্লামারী এলাকার তাপস দাস (৩৫) ও তার ছোট ভাই প্রসেনজিৎ দাস (২৮), সদর থানার গ্লাক্সোর মোড় এলাকার সুজন শীল (২৫) ও সদর হাসপাতাল এলাকার রাহুল বিশ্বাস (২৫) এবং রূপসা উপজেলার রাজাপুর গ্রামের পরিমল দাস (৩০)। এর মধ্যে পরিমল বাদে সব লাশের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে রাহুল গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ও সুজন শীল রূপসা কলেজের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী ছিলেন।

এ ছাড়া অমিত শীল (৪০) ও দীপ্ত নামে দুজন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অমিতকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। পুলিশ বলছে, মদপানে বিষক্রিয়ায় তারা মারা গেছেন। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত বিস্তারিত কিছু তারা বলতে পারবেন না।

তাপস ও প্রসেনজিতের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল দুপুরে অসুস্থ হয়ে পড়েন তাপস। এরপর তাকে খুলনার বেসরকারি গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাত ৩টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। অন্যদিকে তাপস মারা যাওয়ার ঘণ্টাখানেক পর অসুস্থ হয়ে পড়েন প্রসেনজিৎ। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন স্বজনেরা। আজ সকাল সোয়া আটটার দিকে ওই হাসপাতালেই তিনি মারা যান। তাপসের প্রায় এক মাস বয়সী এক ছেলে ও প্রসেনজিতের প্রায় এক বছর বয়সী এক ছেলে রয়েছে।

সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমতাজুল হক বলেন, দুজনই অতিরিক্ত মদ্যপান করায় শরীরে মাদকের বিষক্রিয়ায় মারা গেছেন বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন। ওই ঘটনায় দুটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম বাহার বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে সুজন ও রাহুল বিষক্রিয়ায় মারা গেছেন। দুজনের ঘটনাতেই দুটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। লাশের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলেই প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। লাশ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন বলেন, গতকাল দুপুরের দিকে মারা যান পরিমল দাস। ওই ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেনি, তাই কোনো মামলাও হয়নি। লাশ পরিবারের সদস্যরা সৎকার করেছেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর খুলনার উপপরিচালক রাশেদুজ্জামান বলেন, দেশে এখন মদ বিক্রির ব্যাপারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এ কারণে অনেকে হয়তো অবৈধভাবে ভারত থেকে মদ এনেছেন। ওই মদের সঙ্গে অন্য কিছু মিশিয়ে খাওয়ার ফলে এমন ঘটনা ঘটতে পারে। ঘটনাটি তারা তদন্ত করে দেখছেন।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ।
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]