ই-পেপার মঙ্গলবার ২২ অক্টোবর ২০১৯ ৬ কার্তিক ১৪২৬
ই-পেপার মঙ্গলবার ২২ অক্টোবর ২০১৯

তীব্র স্রোতে দৌলতদিয়া পাটুরিয়া নৌরুটে অচলাবস্থা
নদীগর্ভে বিলীন ৪টি ঘাট পারাপারের অপেক্ষায় শত শত যাত্রীবাহী বাস
গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৯, ১২:০০ এএম আপডেট: ১০.১০.২০১৯ ১২:৩৭ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ

তীব্র স্রোতে দৌলতদিয়া পাটুরিয়া নৌরুটে অচলাবস্থা

তীব্র স্রোতে দৌলতদিয়া পাটুরিয়া নৌরুটে অচলাবস্থা

পদ্মায় ভাঙন ও তীব্র স্রোতে টানা এক সপ্তাহ ধরে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। জনদুর্ভোগ কমাতে এই নৌরুট দিয়ে শুধু যাত্রীবাহী যানবাহন পারাপারের কথা থাকলেও অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে পণ্যবাহী ট্রাক ফেরিতে ওঠানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে গেছে।
বিআইডব্লিউটিসি ও ঘাট সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র জানায়, গত এক সপ্তাহ ধরে নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এ ছাড়া একই কারণে গত পাঁচ দিন ধরে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে লঞ্চ চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে নৌরুটের মোট ১৬টি ফেরির মধ্যে বেশিরভাগই স্রোতের বিপরীতে চলাচল করতে পারছে না। কখনও ৩টি, কখনও ৪-৫টি ফেরি চলাচল করছে। সে ক্ষেত্রেও স্রোতের তীব্রতায় ফেরিগুলোর প্রতি ট্রিপে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি সময় লাগছে। আবার কখনও যানবাহন পারাপার বন্ধ করে দিয়ে শুধু যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। এ অবস্থায় সোমবার থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে কর্তৃপক্ষ। এর পরও ঘণ্টার পর ঘণ্টা দীর্ঘ সিরিয়ালে আটকে রয়েছে যাত্রীবাহী শত শত বাস।
সরেজমিন বুধবার দুপুর ২টার দিকে দেখা গেছে, দৌলতদিয়া ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে মহাসড়কের বাংলাদেশ হ্যাচারিজ পর্যন্ত অন্তত ৪ কিলোমিটার জুড়ে যাত্রীবাহী বাসের সারি। এর মধ্যে অসংখ্য নৈশকোচ মঙ্গলবার রাতে দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় সিরিয়ালে আটকা পড়ে বুধবার দুপুর পর্যন্ত ফেরির নাগাল পায়নি। তবে সিরিয়ালের ফাঁকে ফাঁকে কিছু পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান দেখা যায়। কিন্তু কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তা থাকার কথা নয়।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক আবু আব্দুল্লাহ রনি জানান, গুরুত্বপূর্ণ এই নৌরুটে মোট ১৬টি ফেরির মধ্যে তীব্র স্রোতের বিপরীতে বর্তমানে মাত্র সাতটি চলাচল করতে পারছে। এ পরিস্থিতিতে পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
দৌলতদিয়া ঘাটে কর্তব্যরত ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আবুল হোসেন গাজী জানান, কোনো পণ্যবাহী ট্রাক ফেরিতে ওঠার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। সিরিয়ালের মধ্যে যদি কোনো পণ্যবাহী ট্রাক থাকে সেটিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক দিলশাদ বেগম জানান, দেশের ব্যস্ততম দৌলতদিয়া ফেরিঘাটটি চরম ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। বর্তমানে যান পারাপার স্বাভাবিক রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ।
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]