ই-পেপার শুক্রবার ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ৩ কার্তিক ১৪২৬
ই-পেপার শুক্রবার ১৮ অক্টোবর ২০১৯

চর উন্নয়নের জন্য আমব্রেলা প্রকল্প
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৯, ১২:০০ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ

উপক‚লীয় চরাঞ্চলের ছয় হাজার ভ‚মিহীন জনগোষ্ঠীকে খাসজমি বন্দোবস্ত দেওয়ার জন্য চর উন্নয়নের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে নতুন চরাঞ্চলে বসবাসরত জনগণের ক্ষুধা ও দারিদ্র্য কমানো হবে। এ ছাড়াও উপক‚লীয় অধিবাসীদের নিরাপদ বসবাস স্থাপন ও তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা হবে। চর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট প্রজেক্ট-ব্রিজিং নামে এই প্রকল্পের অর্থের উৎস হবে বাংলাদেশ সরকার ও ইফাদ। আর এই প্রকল্প এলাকা হবে নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জে সুবর্ণচর ও চট্টগ্রামে স›দ্বীপ।
জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বৈদেশিক সাহায্য প্রাপ্তির সুবিধার জন্য প্রকল্পটি এখনও অনুমোদন হয়নি। একই সঙ্গে কোনো ধরনের বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। এই প্রকল্পের পটভ‚মি সম্পর্কে ভ‚মি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা জানান, নেদারল্যান্ড সরকারের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় ১৯৮০ সাল থেকে ভ‚মি পুনরুদ্ধার প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। আর এই প্রকল্পের মাধ্যমে সমুদ্র থেকে ভ‚মি পুনরুদ্ধার ও চর উন্নয়নের কাজ শুরু হয়। পরবর্তী সময় বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল বিশেষ করে নোয়াখালীর চর উন্নয়ন ও বসতি স্থাপন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। ১৯৯৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ব্যাপক চর উন্নয়ন ও ভ‚মি মন্ত্রণালয়ের আওতায় ভ‚মি বন্দেবস্তের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়।
জানা গেছে, ইতোমধ্যে এসব প্রকল্পের মাধ্যমে ২৫ বছরে সমুদ্র থেকে জেগে ওঠা ৪৫ হাজার একর ভ‚মির সার্বিক উন্নয়ন হয়েছে। একই সঙ্গে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৫ হাজার ভ‚মিহীন পরিবারকে কৃষি খাসজমি বন্দোবস্ত করে পুনর্বাসন করা হয়েছে। নোয়াখালী আর চট্টগ্রাম আওতাধীন উড়িরচর ও সুর্বণচরে আরও ১০ হাজার খাস ভ‚মি জলবায়ু সহনশীল উন্নয়ন করা হবে। আগামী ২০২০ সালের মধ্যে ছয় হাজার ভ‚মিহীন পরিবারকে খাসজমি বিতরণ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আর সে লক্ষ্যে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ইফাদ ও নেদারল্যান্ড সরকারের পক্ষ থেকে ২০১৭ সালের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করা হয়।
এদিকে, এই প্রকল্প নিয়ে পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানিসম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগ ১৬টি বিষয়ে মতামত দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রকল্পের আওতায় বৈদেশিক স্টাডি ট্যুর। এখানে ২ কোটি টাকা থেকে ১ কোটি টাকা সংস্থান রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর পাশাপাশি জিপ কেনা থেকে শুরু করে স্পিড বোড কেনার ব্যাপারে যৌক্তিকভাবে নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে। তবে ভ‚মিহীনদের জন্য বাড়িগুলো একসঙ্গে গুচ্ছ আকারে করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেন বিদ্যুৎ,পানি, স্যানিটেশন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে। এ ছাড়াও প্রকল্পটি একটি আমব্রেলা প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়ন করার কথা বলা পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।





সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ।
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]