ই-পেপার রোববার ১৭ নভেম্বর ২০১৯ ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ই-পেপার রোববার ১৭ নভেম্বর ২০১৯

মাদ্রাসায় দান করার ফজিলত
ইসলামের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৯, ১২:০০ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 40

ভালো কাজে সহযোগিতা করার মধ্য দিয়ে আল্লাহর পক্ষ থেকে নেকি অর্জন করা যায়। সেই কাজ যদি হয় মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মাণের জন্যÑ তাহলে তো কথাই নেই। কারণ, মসজিদ মাদ্রাসায় দান করাÑ সদকায়ে জারিয়ার অংশ। কেউ যদি মসজিদ নির্মাণে অর্থ দান করেনÑ তাহলে যতদিন এই মসজিদ চলমান থাকবে, যতদিন এই মসজিদে মানুষ নামাজ পড়বেÑ ততদিন ওই দাতা ব্যক্তির আমলনামায় সওয়াব লেখা হবে। এমনকি তিনি কবরে বসেও এর সওয়াব পেতে থাকবেন। এমনিভাবে কেউ যদি মাদ্রাসায় দান করেন আর ওই মাদ্রাসায় কোরআন হাদিসের শিক্ষাদান করা হয়, মানুষ সেই মাদ্রাসা থেকে ইসলামের নানা বিষয়-আশয় শিখতে পারে এবং এখানে পড়াশোনা করে সৎ আলেম তৈরি হন, তারা আবার অন্যকে দ্বীন ইসলামের কথা শিক্ষা দেন, তাহলে যতদিন পর্যন্ত মাদ্রাসায় কোরআন হাদিসের পাঠদান হবে, যতদিন পর্যন্ত এখানকার শিক্ষার্থী ইলম অর্জন করে অন্য একজনকে শিক্ষা দেবেন, ততদিন পর্যন্ত ওই দাতা ব্যক্তির আমলনামায় নেকি লেখা হতে থাকবে।
রাসুল (সা.) বলেন, ‘মানুষ যখন মৃত্যুবরণ করে তখন তার সব আমলের দরজা বন্ধ হয়ে যায়। তবে তিনটি জিনিস বাকি থাকেÑ ১. সদকায়ে জারিয়া; ২. এমন ইলম ও জ্ঞান; যা দ্বারা মানুষ উপকৃত হয় ৩. নেক সন্তান, যে তার পিতামাতার জন্য দোয়া করবে।’ (মুসলিম : ৪৩৫, ৪৩১০)
রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে মানুষকে ইলম শিক্ষা দিল, এ ইলম অনুযায়ী আমলকারীর সমপরিমাণ নেকি তার আমলনামায়ও যুক্ত হতে থাকবে। অথচ তাদের কারও সওয়াবে কোনো কমতি হবে না।’ (ইবনে মাজা : ২৪০)। হজরত উসমান (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সেই, যে নিজে কোরআন শিক্ষা করে ও অন্যকে শিক্ষা দেয়।’ (বুখারি : ৫০২৭)। সুতরাং কেউ যদি দরিদ্র ছাত্রদের জন্য মাদ্রাসা ভবন নির্মাণ, কিতাব-পত্র দান ও এসব আনুষাঙ্গিক বিষয়ে অর্থ খরচ করে তাহলে মৃত্যুর পর কবরে শুয়েও এসবের দ্বারা অর্জিত সওয়াব তার আমলনামায় যুক্ত হতে থাকবে।







সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]