ই-পেপার শনিবার ২৩ নভেম্বর ২০১৯ ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ই-পেপার শনিবার ২৩ নভেম্বর ২০১৯

কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধিতে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের বিকল্প নেই : কৃষিমন্ত্রী
সময়ের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ২৭ অক্টোবর, ২০১৯, ৭:০৭ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 35

কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধিতে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের বিকল্প নেই : কৃষিমন্ত্রী

কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধিতে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের বিকল্প নেই : কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সর্বশেষ এবং সর্বোত্তম উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের বিকল্প নেই। তিনি বলেন, সেক্ষেত্রে আধুনিক জৈবপ্রযুক্তি তথা জিএম প্রযুক্তির ব্যবহার শ্রেয়। ক্রমেই এ প্রযুক্তি ব্যবহার বেড়ে চলেছে।

মন্ত্রী রোববার রাজধানীর নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নোবেল বিজয়ী স্যার রিচার্ড জে রবার্ট।

মন্ত্রী বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জিএম প্রযুক্তির মত উন্নত প্রযুক্তির সম্ভাবনা সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান এবং সেই জ্ঞানের সুচিন্তিত, সুনিয়ন্ত্রিত প্রয়োগ ও প্রসার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জিএম শস্য চাষাবাদ শুরুর প্রথম দিকে উন্নত দেশগুলোতে উৎপাদনের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি হলেও বর্তমানে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জিএম শস্য উৎপাদনের মোট পরিমাণ উন্নত দেশগুলোকে ছাড়িয়ে গেছে। সরকার নীতিগতভাবে জৈব প্রযুক্তি-১ জিএমও প্রযুক্তিকে সমর্থন করে।

কৃষি মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে গত কয়েক দশকে আধুনিক সংকরায়ন পদ্ধতি ব্যবহার করে নানাধরনের উচ্চফলনশীল, রোগ প্রতিরোধী এবং অন্যান্য আকাঙ্খিত বৈশিষ্ট্যের হাইব্রিড ফসলের জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে অনুমোদনপ্রাপ্ত একমাত্র জিএম শস্য হচ্ছে বিটি বেগুন।

২০১৩ সালের ৩০ অক্টোবর বাংলাদেশ সরকার বিটি বেগুনের চারটি জাত সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনার আওতায় মাঠ পর্যায়ে সীমিত আকারে চাষাবাদের অনুমতি দেয়। মাঠ পর্যায়ে বিটি বেগুন চাষাবাদের মাধ্যমে বাংলাদেশ ২৯তম দেশ হিসেবে জিএম শস্য উৎপাদনকারী দেশের খাতায় নাম লেখে। বাংলাদেশে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে টমেটো ও তুলার নতুন জাত উদ্ভাবনের কাজ চলছে।

জিএমও সম্পর্কে সমাজের সব স্তরের মানুষকে সচেতন করতে হবে। জিনগত পরিবর্তনের মাধ্যমে (জেনেটিক্যালি মডিফায়েড অর্গানিজম বা জিএমও) শস্য উৎপাদন করলে প্রচুর ফলন পাওয়া সম্ভব বলে মনে করেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্রিটিশ বিজ্ঞানী স্যার রিচার্ড জন রবার্টস।

তিনি বলেন, জিএমও শস্যের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বেশি। এ পদ্ধতিতে চাষাবাদের ফলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরও বাড়বে। অপুষ্টিজনিত রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। ভিটামিন এ এর অভাবে অনেক শিশু মারা যাচ্ছে। বাংলাদেশ ভিটামিন এ সমৃদ্ধ গোল্ডেন রাইস উদ্ভাবন করেছে। গোল্ডেন রাইস দ্রুত উন্মুক্ত করা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান বেনজির আহমেদ, প্রফেসর তৌফিক এম হক-পরিচালক; সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব পলিসি অ্যান্ড গভর্নেন্স । সমাপনী বক্তব্য রাখেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর আতিকুল ইসলাম।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]