ই-পেপার সোমবার ৯ ডিসেম্বর ২০১৯ ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ই-পেপার সোমবার ৯ ডিসেম্বর ২০১৯

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা
শিক্ষার আলো প্রতিবেদন
প্রকাশ: শনিবার, ২ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:০০ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 63

উচ্চ মাধ্যমিকের পর যারা নিয়মিত পড়াশোনা করতে পারেননি। কিংবা স্নাতক শেষ করেছেন। কিন্তু আর পড়াশোনা করা হয়নি। তারা বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ^বিদ্যালয়ের অধীনে উচ্চশিক্ষায় পড়াশোনা করতে পারেন। সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও ছুটির দিনে বা সন্ধ্যাকালীন স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের সুযোগ আছে। তবে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সুবিধা হলো, এখানে খরচ অন্যান্য জায়গার তুলনায় কম। ভর্তির যোগ্যতাও তুলনামূলকভাবে কিছুটা শিথিল।
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ^বিদ্যালয় বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, ইতিহাস, দর্শন থেকে শুরু করে রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ব্যবসায় প্রশাসন, গণস্বাস্থ্য বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করা যায়। এমএ, এমএসএস, এমবিএ, এমপিএইচের মতো বিভিন্ন প্রোগ্রামে এক বছর ও দুই বছর মেয়াদী স্নাতকোত্তরের সুযোগ আছে। পাঁচটি স্কুলে পড়ানো হয় বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে। স্কুলগুলো হচ্ছে ওপেন স্কুল, স্কুল অব এডুকেশন, স্কুল অব সোশ্যাল সায়েন্স, হিউম্যানিটিজ ও ল্যাঙ্গুয়েজ, স্কুল অব বিজনেস, স্কুল অব অ্যাগ্রিকালচার ও রুরাল ডেভেলপমেন্ট এবং স্কুল অব সায়েন্স ও টেকনোলজি। সারা বছরই নিয়মিত বিরতিতে বিভিন্ন কোর্সে সেমিস্টার পদ্ধতিতে ভর্তি করা হয় উন্মুক্ত বিশ^বিদ্যালয়ে।
সুযোগ আছে এমবিএর বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজীপুর ও ঢাকা ক্যাম্পাসে এমবিএ পড়ার সুযোগ আছে। সন্ধ্যাকালীন এমবিএও করা যায়। মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, মার্কেটিং, অ্যাকাউন্টিং ও ইনফরমেশন সিস্টেমস এবং ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিষয়ে এমবিএ করা যায়।
সিইএমবিএ ও এমপিএ
দেশের একমাত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাউবিতে কমনওয়েলথ এক্সিকিউটিভ মাস্টার্স অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (সিইএমবিএ) ও কমনওয়েলথ এক্সিকিউটিভ মাস্টার্স অব পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (সিইএমবিএ) পড়ার সুযোগ। বাউবির সঙ্গে কমনওয়েলথ অব লার্নিং, পাকিস্তানের আল্লামা ইকবাল ওপেন বিশ^বিদ্যালয়, ওপেন ইউনিভার্সিটি অব শ্রীলঙ্কা ও বিভিন্ন কমনওয়েলথ দেশের উন্মুক্ত বিশ^বিদ্যালয়ের সমন্বিত আয়োজনে এই ডিগ্রি প্রদান করা হচ্ছে।
বিজ্ঞান বিষয়েও পড়ার সুযোগ
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ^বিদ্যালয়ের অধীনে বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করার সুযোগ আছে। উন্মুক্ত বিশ^বিদ্যালয়ের স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে মাস্টার্স অব পাবলিক হেলথ, মাস্টার্স অব ডিজঅ্যাবিলিটি ম্যানেজমেন্ট ও রিহ্যাবিলিটেশন, এমএসসি ইন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, এমএসসি ইন ফার্মাকোলজি প্রোগ্রামে ভর্তির সুযোগ আছে।
কোর্সভেদে দেড় থেকে দুই বছরের প্রোগ্রামে শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারেন। শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে কোর্সগুলো সাজানো হয়। আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষাপদ্ধতি যেমন  অনুসরণ করা হয়, তেমনি ডিগ্রি বিশ^মানেরই। শিক্ষার্থীদের এখান থেকে ডিগ্রি অর্জনের জন্য যেমন নিয়মিত ক্লাস করতে হয়, তেমনি ব্যবহারিক পরীক্ষা, ক্লাস অ্যাসাইনমেন্টও করতে হয়। শিক্ষার্থীরা দেশের ডিগ্রি নিয়ে দেশের বাইরের বিশ^বিদ্যালয়েও পড়ার সুযোগ পাচ্ছে। উন্মুক্ত ইউনিভার্সিটির ডিগ্রি শুধু শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ারে সহায়তা করছে না, গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও সহায়তা করছে। এই বিশ^বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের গবেষণা নিবন্ধও প্রকাশের সুযোগ আছে।
পড়ার যোগ্যতা
সিজিপিএ-২.৫ হলেই যেকোনো শিক্ষার্থী বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ^বিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রোগ্রামে ভর্তি হতে পারবেন। ভর্তি পরীক্ষা ও ভাইভার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ মিলবে। দেশের প্রায় সব জেলাতেই বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ^বিদ্যালয়ের নির্ধারিত কেন্দ্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। যেকোনো কোর্সে ভর্তির বিস্তারিত তথ্য নড়ঁ.বফঁ.নফ ওয়েবসাইট থেকে জানা যাবে।
খরচ
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কোর্সে ভর্তির খরচ সরকারি-বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয়গুলোর তুলনায় কম। সেমিস্টার পদ্ধতিতে ফি দিতে হয় বলে শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয় না। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো কোর্স শেষ করতে পাঁচ বছর পর্যন্ত সময় পান শিক্ষার্থীরা।










সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]