ই-পেপার শনিবার ২৩ নভেম্বর ২০১৯ ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ই-পেপার শনিবার ২৩ নভেম্বর ২০১৯

বিদ্যুতের টাওয়ারে ভিটেমাটি হারিয়ে মানবেতর জীবন যাপন প্রতিবন্ধী রিক্সাচালক হিরণ
বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ৪ নভেম্বর, ২০১৯, ৯:৩৬ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 142

বিদ্যুতের টাওয়ারে ভিটেমাটি হারিয়ে মানবেতর জীবন যাপন প্রতিবন্ধী রিক্সাচালক হিরণ

বিদ্যুতের টাওয়ারে ভিটেমাটি হারিয়ে মানবেতর জীবন যাপন প্রতিবন্ধী রিক্সাচালক হিরণ

বরিশালের উজিরপুরে পাওয়ার গ্রীড কোম্পানীর হাই ভোল্টেজ ট্রান্সমিটার সালন লাইনের টাওয়ারের কারণে হতদরিদ্র প্রতিবন্ধী রিক্সা চালক হিরণ হাওলাদার ৫ শতক জমি হারিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। মাসের পর মাস কোম্পানীর বিভিন্ন কর্তাব্যক্তির কাছে ধর্না দিয়েও কোন ক্ষতিপূরণ না পেয়ে অবশেষে  উপজেলা চেয়ারম্যান আ. মজিদ সিকদার বাচ্চু ও  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুমা আক্তারের কাছে  ক্ষতিপূরণ দাবীতে লিখিত আবেদন করেন।

জানা  গেছে, ২০১৯ সালের প্রথম দিক থেকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী (পিজিসিবি) হাই ভোল্টেজ ট্রান্সমিটার সালন লাইনের কার্যক্রম শুরু হয়। ভোলা বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পায়রা বন্দর, বরিশালের কলাডেমা থেকে সরাসরি গোপালগঞ্জ পর্যন্ত দক্ষিনা লের ৪ লক্ষ ভোল্টেজ সম্বলিত সালন লাইনের কার্যক্রম শুরু হয়। এ লক্ষ্যে উজিরপুরের বিভিন্ন অল দিয়ে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে বৃহৎ আকারের অতি উচ্চ টাওয়ার নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হয়। বিভিন্ন টাওয়ারে স্থানীয়দের বাড়ি-ঘর, গাছপালা, বিভিন্ন স্থাপনা, ফসলাদির ব্যাপক ক্ষতি সাধন হয়েছে। তেমনি উপজেলার জে.এল ৯১ নং মাহার মৌজার ২৯০ নং খতিয়ানের ১০২০ ও ১০৪২ নং দাগ হইতে ০৫ শতক জমি হানুয়া বারপাইকা গ্রামের হতদরিদ্র হিরণ হাওলাদারের।  তার একমাত্র সম্বল ঐ জমিতে অর্ধ লক্ষাধিক টাকা ব্যয় করে মাটি কেটে ঘরবাড়ি নির্মাণ করার জন্য প্রস্তুত করে এবং গাছপালা রোপণ করেছিলেন। কিন্তু সেখানে হাই ভোল্টেজ ট্রান্সমিটার সালন লাইনের টাওয়ার নিমাণ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে হিরণ হাওলাদার জানান, আমার ঐ জমির উপরে টাওয়ার নির্মাণ করার সময়ই আমি তাদেরকে আমার কাগজপত্র দিয়েছি। কিন্তু আমি গরীব বিধায় কেউ আমার কথায় কর্ণপাত না করে এক এক সময় এক এক জনের কাছে যেতে বলে। আমি বিভিন্ন লোকের কাছে গিয়েও কোন ক্ষতিপূরণ পাইনি। তাই বাধ্য হয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে ক্ষতিপূরণ দাবী করে অভিযোগ দিয়েছি।

টাওয়ার নির্মাণে কোরিয়ান জি.এস কোম্পানীর প্রতিনিধি ইঞ্জিনিয়ার শফিক আহমেদ জানান, টাওয়ারের পাইলিং ও ভরাটের কাজে যারা নিয়োজিত তারাই এ বিষয়গুলি সমাধান করে থাকেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুমা আক্তার জানান, আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি, কার্যক্রমে জড়িত ব্যক্তিদের সাথে আলোচনা করার চেষ্টা চলছে।

উপজেলা চেয়ারম্যান আঃ মজিদ সিকদার বাচ্চু জানান, হতদরিদ্র প্রতিবন্ধী ব্যক্তি তার একমাত্র সম্বল হারিয়ে অসহায় ভাবে জীবন যাপন করছে। তাকে  বিধি অনুযায়ী প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ দেয়া উচিত।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]