ই-পেপার বৃহস্পতিবার ২১ নভেম্বর ২০১৯ ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ই-পেপার বৃহস্পতিবার ২১ নভেম্বর ২০১৯

কোম্পানীগঞ্জে পঞ্চম  শ্রেণির ছাত্রকে পিটিয়ে হাত ভেঙে দিলেন শিক্ষক
নিজস্ব প্রতিবেদক নোয়াখালী
প্রকাশ: শুক্রবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:০০ এএম আপডেট: ০৮.১১.২০১৯ ১২:৪৯ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 20

কোম্পানীগঞ্জে পঞ্চম  শ্রেণির ছাত্রকে পিটিয়ে হাত ভেঙে দিলেন শিক্ষক

কোম্পানীগঞ্জে পঞ্চম  শ্রেণির ছাত্রকে পিটিয়ে হাত ভেঙে দিলেন শিক্ষক

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জাহিদুল ইসলাম (১৩) নামের এক ছাত্রকে পিটিয়ে হাত ভেঙে দিয়েছেন এক শিক্ষক। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ইদ্রিছিয়া আলিম মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ও একই এলাকার আবদুল হক সারেং বাড়ির কবির আহম্মদের ছেলে।

জানা যায়, বুধবার তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইদ্রিছিয়া আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক আবদুল মান্নান ক্লাসে ওই ছাত্রকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হাত ভেঙে দেয়। পরে ওই ছাত্রের অভিভাবক একদিন পরে জানতে পারে ছেলের হাত ভেঙে যাওয়ার ঘটনা। এরপর দরিদ্র পরিবারের সন্তান হওয়ায় ওই ছাত্রের চিকিৎসা চালিয়ে নেওয়ার প্রেক্ষিতে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয় একাধিক শিক্ষকসহ প্রভাবশালী একটি মহল।

ছাত্রের অভিভাবক সূত্রে জানা যায়, সামনে পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা কিন্তু তিনি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাম হাত ভেঙে গেল। পরে ওই শিক্ষকসহ একাধিক শিক্ষকের অনুরোধে আমরা গোপনে আমাদের ছেলেকে চিকিৎসা করাচ্ছি। কিন্তু ঘটনার ৮ দিন অতিবাহিত হলেও অভিযুক্ত শিক্ষক আজও নির্যাতনের শিকার ছাত্রকে একবারের জন্য দেখতে আসেননি। তবে তিনি চিকিৎসার জন্য তিন হাজার টাকা দিয়ে ভালোভাবে দায় সেরেছেন। অভিযোগ রয়েছে, একই মাদ্রাসার আরেক শিক্ষক গত কয়েক মাস আগে ডাস্টার মেরে আরেক ছাত্রের হাত ভেঙে দিয়েছিল।

এ বিষয়ে ইদ্রিছিয়া আলিম মাদ্রাসার সুপারেনটেন্ড ফরহাদুল হাসান বলেন, ঘটনার আট দিন পর আমি সাংবাদিকের মাধ্যমে এ ঘটনা জানতে পারি। পরে খবর নিয়ে আমি ঘটনার সত্যতা পেয়েছি। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে যে শিক্ষক ডাস্টার মেরে ছাত্রের হাত ভেঙে দিয়েছিল তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুল মান্নানের ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
একাধিক অভিভাবক জানান, কোম্পানীগঞ্জে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিশু শিক্ষার্থীদের ওপর বিভিন্ন প্রকার নির্যাতনের মাত্রা বেড়েই চলছে। তবে এসব ঘটনার বিচার হওয়ার দৃষ্টান্ত নেই বরং ধামাচাপা দেওয়া হয় সজ্ঞানে। অভিভাবক মহল শিশু শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সল আহমেদ বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]