ই-পেপার বৃহস্পতিবার ২১ নভেম্বর ২০১৯ ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ই-পেপার বৃহস্পতিবার ২১ নভেম্বর ২০১৯

আজকের দিনে
প্রকাশ: শুক্রবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:০০ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 16

১৮৯৫
জার্মান পর্দাথবিদ উইলিয়াম কনরাড রঞ্জন এক্স-রে আবিষ্কার করেন। নেহাৎ দৈবক্রমে এই আবিষ্কারের ঘটনাটি ঘটে। কাচের মধ্য দিয়ে ক্যাথড রে যেতে পারে কি না এ নিয়ে পরীক্ষা করছিলেন। সে সময় রাসায়নিক পদার্থের প্রলেপ দেওয়া কাছের একটি কাচ থেকে আলোক প্রভার বিকিরণ ঘটছে বলে তিনি দেখতে পান। তিনি এই রশ্মির প্রকৃতি সম্পর্কে কিছুই জানতেন না বলে এর নাম দেন এক্স-রে। তবে কেউ কেউ এক্স-রে কে এর আবিষ্কারকের নামের সঙ্গে মিলিয়ে রঞ্জন রশ্মিও নামকরণ করেছিলেন।
আমরা সবাই জানি আলো হচ্ছে এক জাতের বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় শক্তি এবং আমরা যেসব আলোক তরঙ্গকে দেখতে পাই এক্স-রে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য তার থেকে ১০০০ ভাগ ক্ষুদ্র। এই আবিষ্কারের জন্য উইলিয়াম কনরাড রঞ্জন ১৯০১ সালে প্রথম পদার্থ বিদ্যায় নোবেল প্রাইজ অর্জন করেন। এ ছাড়া তাকে এই আবিষ্কারের জন্য আরও অনেক পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। তিনি কখনই তার আবিষ্কারের পেটেন্ট করেননি এবং খুবই সহজ-সরল জীবনযাপন করেছেন। রঞ্জনের এই আবিষ্কারকে চিকিৎসা জগতের বিস্ময় বলে মনে করা হয়। রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এক্স-রের ভূমিকা অপরিহার্য হয়ে দাঁড়ায়।
এই আবিষ্কারের ফলে চিকিৎসকরা প্রথমবারের মতো কোনো রকম কাটাছেঁড়া না করেই রোগী দেহের ভেতরের অবস্থা দেখার সুযোগ লাভ করেন। ১৮৯৭ সালে বলকান যুদ্ধের সময় যুদ্ধাহত রোগীর দেহে বুলেটের অবস্থান এবং ভাঙা হাড়ের অবস্থান প্রকৃতি বের করার জন্য প্রথম এক্স-রে ব্যবহার করা হয়। শুধু চিকিৎসা নয়, নিরাপত্তাসহ নানা কাজে আজ এক্স-রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। তবে এক্স-রে ব্যবহারের ক্ষতিকারক দিক সম্পর্কে অবহিত হতে মানব জাতির অনেকদিন সময় লাগে।
১৯০০
খ্যাতিমান মার্কিন মহিলা লেখক মার্গারেট মিচাইল যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের আটলান্টায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯২২-২৬ সাল পর্যন্ত তিনি আটলান্টা জার্নালের সাংবাদিক এবং ফিচার লেখক হিসবে কর্মরত ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধকে উপজীব্য করে তার উপন্যাস গন উইথ দ্য উইন্ড প্রকাশ হওয়ার পরপরই ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।
এই উপন্যাস রচনা করতে মার্গারেট মিচাইলের দশ বছর লাগে এবং গন উইথ দ্য উইন্ড ১৯৩৭ সালে পুলিৎজার পুরস্কার লাভ করে। এই উপন্যাসকে ভিত্তি করে নির্মিত চলচ্চিত্র ১৯৩৯ সালে মুক্তি পায়। সে চলচ্চিত্রও ব্যাপক জনপ্রিয় হয়। ১৯১৬ সালে মার্গারেট মিচাইল লস্ট লেসন নামে একটি ক্ষুদ্র উপন্যাস রচনা করেন এবং এই উপন্যাসের পাণ্ডুলিপি পাওয়া যায় ১৯৯৫ সালে। ১৯৯৬ সালে সে গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।





সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]