ই-পেপার শুক্রবার ১৫ নভেম্বর ২০১৯ ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ই-পেপার শুক্রবার ১৫ নভেম্বর ২০১৯

বিআইবিএমে মাস্টার্স করে ব্যাংকার হওয়ার সুযোগ
শিক্ষার আলো প্রতিবেদন
প্রকাশ: শনিবার, ৯ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:০০ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 8

এ প্রতিষ্ঠানের পরিচালিত মাস্টার্স ইন ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (এমবিএম) বর্তমান সময়ে ব্যাংকার হওয়ার উচ্চাকাক্সক্ষা পোষণ করা তরুণদের কাছে বিআইবিএমের একটি জনপ্রিয় সাবজেক্ট। যেকোনো ব্যাকগ্রাউন্ডের একজন গ্র্যাজুয়েট ব্যাংক ব্যবস্থাপনায় মাস্টার্স করে সহজেই ব্যাংকে চাকরি পেয়ে যাচ্ছেন।
তবে শিক্ষাজীবনের যেকোনো একটিতে প্রথম শ্রেণি থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে সিজিপিএ-৫ স্কেলে ৪ এবং সিজিপিএ-৪ স্কেলে ৩.৫০-কে প্রথম শ্রেণি হিসেবে ধরা হয়। এমবিএমের শিক্ষা পদ্ধতি বহুলাংশে প্রায়োগিক হওয়ায় এর শিক্ষার্থীরা ব্যাংকিংয়ে দক্ষ হওয়ার সুযোগ বেশি পান। এ ছাড়া তারা ব্যাংকিং খাতের দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সান্নিধ্যে আসার সুযোগ পান। এই প্রতিষ্ঠানের সাবেক সব শিক্ষার্থী সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক ছাড়াও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন। শিক্ষার্থীদের পঞ্চম সেমিস্টার শেষ হলেই বিআইবিএমে জব ফেয়ারের মাধ্যমে ব্যাংকে প্রবেশনারি অফিসার হিসেবে সরাসরি নিয়োগের সুযোগ হয়। বর্তমানে ২২টি ব্যাচের এক হাজারের বেশি সাবেক শিক্ষার্থী বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন।
বিআইবিএম আয়োজিত দুই বছর মেয়াদি এমবিএম কোর্সটি করা থাকলে ব্যাংক সেক্টরে চাকরি পাওয়া খুব সহজ। আবার মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ব্যাংকের পক্ষ থেকে বৃত্তি দেওয়া হয়।
ঢাকা স্কুল অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (ডিএসবিএম) আওতায় পরিচালিত হয় এমবিএম কোর্স। এ বিষয়ে ডিএসবিএমের পরিচালক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন সিদ্দিকী বলেন, ‘গবেষণা ও প্রশিক্ষণসহ বিভিন্নভাবে বিআইবিএম ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযুক্ত। এমবিএমের কোর্স কারিকুলামে তা প্রয়োগ করা হয়। এতে শিক্ষার্থীরা ব্যাংকিংয়ের বাস্তব জ্ঞান এবং দক্ষতা পায়। যা পরবর্তী চাকরিজীবনে সাফল্য বয়ে আনে।’
বিআইবিএমে এমবিএমে নতুন ব্যাচ ভর্তির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। যেকোনো বিষয়ে স্নাতক উত্তীর্ণরা এমবিএম ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারীর মোট স্কুলিং টাইম হতে হবে কমপক্ষে ১৬ বছর। তবে ভর্তির আবেদনের জন্য শিক্ষাজীবনে কমপক্ষে একটি প্রথম বিভাগ থাকতে হবে এবং কোনো
তৃতীয় বিভাগ থাকলে হবে না। স্নাতকদের প্রথম বিভাগ ধরা হবে সিজিপিএ ৩.৫০ থেকে আর এসএসসি ও এইচএসসির ক্ষেত্রে ৪.০০-এর ওপরে প্রথম বিভাগ এবং ৩.০০ থেকে ৪.০০ পর্যন্ত দ্বিতীয় বিভাগ ধরা হবে। প্রতিবছর অক্টোবর-নভেম্বর মাসে ভর্তি বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। এ ছাড়া একই যোগ্যতায় এমবিএম (ইভিনিং) কোর্সে প্রতিবছর এপ্রিলে একটি ব্যাচ ভর্তি করা করানো হয়।
শুরুতে ব্যাংকিং খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ রূপে গড়ে তোলাই ছিল বিআইবিএমের লক্ষ্য। কিন্তু সময়ের সঙ্গে এই লক্ষ্যের বিস্তার হয়েছে। ব্যাংক কর্মকর্তাদের পাশাপাশি উঠতি নতুন ও উদ্যমী শিক্ষার্থীদেরও শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছে এই প্রতিষ্ঠান। আর তার জন্য চালু হয়েছে একাডেমিক প্রোগ্রাম মাস্টার্স ইন ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট। তাই যারা ব্যাংকিংকে পেশা হিসেবে নিতে চান তাদের জন্য অত্যন্ত উপকারি হতে পারে এই কোর্স।
এমবিএম প্রোগ্রামের জন্য একজন শিক্ষার্থীকে দুই বছরে মোট ২০টি বিষয়ে ৬৬ ক্রেডিট সম্পন্ন করতে হয়। এর মধ্যে রয়েছে ফান্ডামেন্টাল কোর্স, স্পেশালাইজড কোর্স, ক্যাপসটন কোর্স ও ইলেকটিভ কোর্স। এ ছাড়া কোর্স ওয়ার্ক, প্রজেক্ট পেপার ও মৌখিক পরীক্ষা রয়েছে। চার মাস মেয়াদি মোট ছয়টি টার্মে এই কোর্সগুলো সম্পন্ন করতে হয়। সবাইকেই ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে আসতে হবে। ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে ফলাফলের ভিত্তিতে নির্বাচিত প্রার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্ত ৫০-৮০ জন ভর্তি হওয়ার সুযোগ পান।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]