ই-পেপার শনিবার ২৩ নভেম্বর ২০১৯ ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ই-পেপার শনিবার ২৩ নভেম্বর ২০১৯

সাক্ষাৎকারে রিটকারী অ্যাডভোকেট রবিন
কারাবন্দিরা ভয়াবহ কষ্টে দিন পার করছে
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শনিবার, ৯ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:০০ এএম আপডেট: ০৮.১১.২০১৯ ১১:৫৪ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 169

কারাবন্দিরা ভয়াবহ কষ্টে দিন পার করছে

কারাবন্দিরা ভয়াবহ কষ্টে দিন পার করছে

কারাগারে ধারণ ক্ষমতার বাইরে বন্দি ধারণের বিষয়ে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী মো. জেআর খান রবিন সময়ের আলোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ধারণ ক্ষমতার দ্বিগুণ বন্দি ধারণ করছে দেশের সব কারাগার। ৪০ হাজার ৬৬৪ জন বন্দি ধারণ ক্ষমতার বিপরীতে বর্তমানে আছে ৮৬ হাজার ৯৯৮ জন বন্দি। এতে করে কারাবন্দিরা ভয়াবহ কষ্টে দিন পার করছে।

হাইকোর্টে চলমান এ সংক্রান্ত রিট আবেদনকারী রবিন বলেন, হাইকোর্টে জমা দেওয়া কারা অধিদফতরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে চলতি বছরের ২৭ আগস্ট পর্যন্ত দেশের সব কারাগারে বন্দি ধারণের ঠাঁই নেই।

তিনি বলেন, এ কারণে কারাগারে বন্দিদের চরম দুরবস্থায় পড়তে হয়েছে। ঘুমানোর জায়গা পর্যন্ত নেই অধিকাংশ কারাগারে। টয়লেটের জন্য দিতে হয় দীর্ঘ লাইন। নেই চিকিৎসাসেবা। এক কথায় চরম মানবেতর জীবন কাটাতে হয় সব শ্রেণির বন্দিকে। এটা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। কারণ বন্দিরাও মানুষ। তাই তার ন্যূনতম মৌলিক চাহিদা পূরণ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এটা যে কোনোভাবেই রক্ষা করতে হবে। কোনো অজুহাত দিয়ে দায়িত্ব এড়াবার সুযোগ নেই। তাই দ্রুত কারাকর্তৃপক্ষকে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে হবে।

কারাগারে ডাক্তার সংকটের ব্যাপারে আইনজীবী রবিন বলেন, জেল কোডের ধারা ৯ অনুযায়ী প্রত্যেক কেন্দ্রীয় কারাগারে একজন চিফ মেডিকেল অফিসার, একজন মেডিকেল অফিসার, একজন লেডি মেডিকেল অফিসার হিসেবে ১৩টি কেন্দ্রীয় কারাগারে মোট ৩৯ জন ডাক্তার এবং একজন চিফ মেডিকেল অফিসার ও একজন মেডিকেল অফিসার হিসেবে ৫৫টি জেলা কারাগারে মোট ১১০ জন ডাক্তার থাকার কথা। এ হিসেবে সর্বমোট ১৪৯ জন ডাক্তার থাকার কথা থাকলেও অনুমোদিত পদ রয়েছে ১৪১টি। আর ভয়াবহ বাস্তবতা হচ্ছে, দেশের সব কারাগার মিলিয়ে ডাক্তার আছেন মাত্র ১০ জন। এতে করে দেশের প্রতিটি কারাগারে প্রতিটি বন্দি চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে আছে।

তিনি বলেন, কারাগার সূত্রে জানানো হয়েছে, বর্তমানে সব কারা হাসপাতালে বাইরের ডাক্তার ফি দিয়ে এনে চিকিৎসা করানো হচ্ছে ইমার্জেন্সি রোগীদের। আর ছোটখাটো রোগের কোনো চিকিৎসাই পায় না কারাবন্দিরা।

আইনজীবী রবিন বলেন, এটা খুবই বিপজ্জনক অবস্থা। আশা, এ সংক্রান্ত রিটের পরবর্তী শুনানিতে হাইকোর্ট এ ব্যাপারে একটা সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেবেন।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]