ই-পেপার শনিবার ২৩ নভেম্বর ২০১৯ ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ই-পেপার শনিবার ২৩ নভেম্বর ২০১৯

নতুন করে দাম বেড়েছে ভোজ্য তেলের
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শনিবার, ৯ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:০০ এএম আপডেট: ০৮.১১.২০১৯ ১১:২৪ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 99

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

পেঁয়াজের দাম কমার যেন কোনো লক্ষণ নেই। সরকারের কোনো পদক্ষেপই যেন কাজে আসছে না। আকাশচুম্বী দামেই বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। আর টিসিবির পেঁয়াজ কিনতে গিয়েও স্বস্তি নেই।

অন্যদিকে বাজারে সরবরাহ বাড়লেও দাম কমেনি শাক-সবজির। তবে স্থিতিশীল রয়েছে চাল, মাছ, গরুর মাংস ও মুরগির দাম। এ ছাড়া নতুন করে এ সপ্তাহে দাম বেড়েছে ভোজ্যতেলের। শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে।

বাজারে গত সপ্তাহের মতো একই দামে বিক্রি হচ্ছে টমেটো ও শিম। বাজারে প্রতি কেজি পাকা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৪০ টাকায়। শিম বিক্রি হচ্ছে ৮০-১০০ টাকা কেজি। গাজর বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকা কেজি। শীতের সবজি ফুলকপি ও বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিস ৩০-৪০ টাকায়। আর মুলা বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা কেজি।

অন্যদিকে গত সপ্তাহের থেকে কিছুটা বেড়ে বাজারে বরবটি, ঢেঁড়স, কাঁকরোল বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা কেজি দরে। পাশাপাশি পটোল ও ঝিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে একই দামে। তবে বেগুন ও করলা বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা কেজি দরে। আর একটু কম দামের তালিকায় রয়েছে মিষ্টিকুমড়া ও পেঁপে। বাজারে প্রতি কেজি মিষ্টিকুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩৫ টাকা কেজি। আর পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা কেজি।

কল্যাণপুর নতুন বাজারের সবজি বিক্রেতা আবুল কালাম বলেন, শীতের সবজি আসতে শুরু করেছে। তাই দাম একটু বেশি। কৃষকরা বেশি লাভের জন্য আগাম শীতের সবজি চাষ করেছেন। তারা বেশি দামেই বিক্রি করছেন। আর পাইকাররাও বেশি দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করছেন। এ কারণে খুচরা বাজারে দাম বেশি। তবে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সবজির সরবরাহ বাড়বে। সে সময় দাম কমবে।

গতকাল রাজধানীর বাজারগুলোতে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ১৩০-১৪০ টাকা করে। মিয়ানমারের পেঁয়াজ বিক্রি হয় ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা কেজিতে। দেশি রসুন বিক্রি হয় কেজি ১৫০-১৬০ টাকা। আমদানি করা রসুন বিক্রি হয় ১৪০-১৫০ টাকা। 

কল্যাণপুর নতুন বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা মো. শফিকুল বলেন, পেঁয়াজের দাম কমছেই না। পণ্যটি কিনতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সরকারের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই।

রাজধানীর মাছের বাজারে ১ কেজি ৩০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ৪০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ কেজি বিক্রি হয় ৯০০-১০০০ টাকা। ১ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি বিক্রি হয় ৮০০ টাকা। ৭০০-৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি বিক্রি হয় ৬০০-৭০০ টাকা। ৪০০-৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি বিক্রি হয় ৩৫০-৪৫০ টাকা। এ ছাড়া প্রতি কেজি তেলাপিয়া বিক্রি হয় ১৫০-১৬০ টাকা, পাঙাশ বিক্রি হয় ১৬০ টাকা কেজি, চাষের রুই কেজি ৪০০ টাকা, পাবদা ৬৫০-৭৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয়। টেংরা বিক্রি হয় কেজি ৬০০-৭০০ টাকা দরে।

এ ছাড়া গত সপ্তাহের মতো প্রতি হালি ফার্মের ডিম বিক্রি হয় ৩৮-৪০ টাকায়। তবে কমেছে ব্রয়লার মুরগির দাম। বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১২০-১২৫ টাকা। গরুর মাংস ৫৫০-৫৭০ টাকা ও খাসির মাংস ৭৫০-৮৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয়। তবে দাম বেড়েছে ভোজ্যতেলের। বাজারে খোলা এবং বোতলজাত উভয় প্রকারের ভোজ্যতেল লিটারে ৩-৪ টাকা বাড়ানো হয়েছে। খোলা সয়াবিন তেল ৮২ টাকার বদলে ৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তা ছাড়া বিভিন্ন কোম্পানির বোতলজাত ১ লিটার সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকার বদলে ১১৮ টাকায়।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]