ই-পেপার শুক্রবার ১৫ নভেম্বর ২০১৯ ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ই-পেপার শুক্রবার ১৫ নভেম্বর ২০১৯

জেলার রাজনীতি চট্টগ্রাম দক্ষিণ
সম্মেলন নিয়ে ব্যতিব্যস্ত আওয়ামী লীগ
মোরশেদ খানের দলত্যাগে বেকায়দায় বিএনপি
জসীম চৌধুরী সবুজ
প্রকাশ: রোববার, ১০ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:০০ এএম আপডেট: ১০.১১.২০১৯ ১:১৯ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 97

সম্মেলন নিয়ে ব্যতিব্যস্ত আওয়ামী লীগ

সম্মেলন নিয়ে ব্যতিব্যস্ত আওয়ামী লীগ

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ সম্মেলন নিয়ে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েছে। আর অন্যতম শীর্ষনেতা মোরশেদ খানের দলত্যাগে অনেকটা বেকায়দায় পড়েছে বিএনপি। অন্যদিকে জাতীয় পার্টির (জাপা) অবস্থা অনেকটা কাগুজে বাঘের মতো।

আওয়ামী লীগ সুবিধাজনক অবস্থানে থেকেও আছে অস্বস্তিতে। বিভিন্ন উপজেলা কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে কয়েক বছর আগে। জেলা কমিটির মেয়াদও অনেক আগে উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। গত বৃহস্পতিবার ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের দফতরে দক্ষিণ জেলা সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে বৈঠক করে কেন্দ্র। চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত  সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম এতে উপস্থিত ছিলেন। এই বৈঠকে আগামী ৮ ডিসেম্বর দক্ষিণ জেলা সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

অন্যদিকে বিএনপি জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন জেলা কমিটি ভেঙে দিয়ে আহ্বায়ক কমিটি গঠনের মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে তা যেন হোঁচট খেল সাবেক মন্ত্রী এম মোরশেদ খানের বিএনপি ত্যাগের ঘটনায়। এতে কিছুটা বেকায়দায় পড়েছে দলটি। এ নিয়ে দলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে।

চট্টগ্রাম দক্ষিণে উপজেলার সংখ্যা আটটি। সংসদীয় আসন ছয়টি। এর মধ্যে একটি আসন নগরীর সঙ্গে সংযুক্ত। এক সময় ছয়টি সংসদীয় আসনই ছিল বিএনপি ও তাদের জোটসঙ্গী জামায়াত-এলডিপির। এখন সবকটি আসনই আওয়ামী লীগের।

তবে নগরীর সঙ্গে সংযুক্ত চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী, চান্দগাঁও ও পাঁচলাইশ) আসনে জাসদের মইন উদ্দীন খান বাদল নৌকা নিয়ে তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য হয়ে সংসদে সরব ছিলেন সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে। হাসানুল হক ইনুর সঙ্গে ভাগাভাগির পর নির্বাচন কমিশনে তার দল নিবন্ধিত না হওয়ায় কাগজে-কলমে তিনি আওয়ামী লীগের এমপি।

বৃহস্পতিবার এই বীর মুক্তিযোদ্ধা ভারতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়ায় জাতি একজন দক্ষ পার্লামেন্টারিয়ানকে হারাল। কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর ওপর নতুন রেল কাম সড়ক সেতু নির্মাণের দাবিতে তিনি সংসদে ও বাইরে সোচ্চার ছিলেন। আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে এই সেতু নির্মাণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা না হলে সংসদ থেকে পদত্যাগের হুমকি দিয়েছিলেন এই সদ্যপ্রয়াত সংসদ সদস্য। কিন্তু তার আগেই তিনি এই পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেন। শনিবার তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে বোয়ালখালীর নিজ গ্রামে। কিন্তু এর মধ্যেই তার শূন্য আসনে কে পাচ্ছেন মনোনয়ন তা নিয়ে শুরু হয়ে গেছে আলোচনা। দক্ষিণ জেলা ও নগরীর একাধিক নেতার নাম আলোচনায় আসছে। এর মধ্যে বোয়ালখালীর বাসিন্দা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোসলেম উদ্দীন আহমদও রয়েছেন।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোসলেম উদ্দীন আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানের কমিটি কাজ করে যাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। দলীয় অফিসে তারা নিয়মিত সময় দেন। মোসলেম উদ্দীনের সঙ্গে মাঝে একবার ভ‚মিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের সম্পর্কের অবনতি হলেও তা এখন স্বাভাবিক রয়েছে। তবে গত বৃহস্পতিবার ঢাকায় ভ‚মিমন্ত্রীর অফিসে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মোসলেম উদ্দীনের সঙ্গে মফিজুর রহমানের বাদানুবাদের খবরও এসেছে। বাঁশখালী উপজেলা সম্মেলন হয়েছে ২৩ বছর আগে। সেখানে সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণে মোসলেম উদ্দীনের আপত্তির কারণেই এই বাদানুবাদ হয়। তবে তারা এখন জেলা সম্মেলন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন।

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনের সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ভ‚মিমন্ত্রী। এর আগেরবার তিনি একই মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। দলের প্রয়াত প্রেসিডিয়াম সদস্য আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর ছেলে তিনি। এটি দক্ষিণের রাজনীতিতে তাকে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়তা করেছে। কারণ আখতারুজ্জামান বাবু দীর্ঘসময় দক্ষিণের সভাপতি ছিলেন। তিনি মারা গেলেও দলে তার বিপুল সংখ্যক অনুসারী রয়ে গেছে। ভূমিমন্ত্রী স্থানীয় রাজনীতিতে খুব একটা মাথা না ঘামালেও নিজ সংসদীয় এলাকায় তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করে চলেন। তার রয়েছে ক্লিন ইমেজ। সে হিসেবে দক্ষিণ জেলায় কান্ডারির ভ‚মিকায় এখন রয়েছেন তিনি।

দলের কেন্দ্রীয় উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম এবং উপ-দফতর সম্পাদক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়–য়া দুজনেই চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের বাসিন্দা। যে আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হচ্ছেন আবু রেজা মো. নেজামুদ্দিন নদভী। তার শ্বশুর মাওলানা মোমিনুল হক চৌধুরী জামায়াতের দক্ষিণ জেলা আমির ও পরে কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। তিনি নিজেও জামায়াতের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। তার স্ত্রী রিজিয়া রেজা চৌধুরী ইসলামী ছাত্রী সংস্থা চট্টগ্রামের সভানেত্রী ছিলেন। তাকে কেন্দ্র করে এখানে আওয়ামী লীগ স্পষ্টতই বিভক্ত।

তৃণমূল পর্যায়ে আমিনুল ইসলামের অবস্থান রয়েছে। তবে নদভীর পক্ষে যারা আছেন তাদের যুক্তি হচ্ছে ১৯৭৩ সালের পর এই আসনে আওয়ামী লীগ আর কখনও জিততে পারেনি। এটি জামায়াতের স্থায়ী আসনে পরিণত হয়েছিল। সেখানে কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার ফর্মুলা কাজে লেগেছে। নদভীকে দিয়ে জামায়াতকে হটানো গেছে। গত মাসে সাতকানিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নদভী দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থীর জন্য কাজ করেননি। জেতার পর তিনি চেয়ারম্যানকে ছাড়া দুই ভাইস চেয়ারম্যানকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। চেয়ারম্যান পরে দেখা করেন দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে। এ ঘটনায় বিভক্তি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

অন্যপক্ষের অভিযোগ, এখানকার সংসদ সদস্য দলকে জামায়াতিকরণ করে ফেলেছেন। বিভিন্ন কমিটিতে এখন জামায়াতের লোকজনের প্রাধান্য। জামায়াতের সাবেক এমপি শাহজাহান চৌধুরীর ব্যক্তিগত সহকারী এখন আওয়ামী লীগের এমপির বিশ্বস্ত সহচর।

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরী এখন হুইপ। জুয়া ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে অভিযান শুরুর পর জুয়ার পক্ষে তার প্রকাশ্য অবস্থান এবং তিনি ও তার ছেলের নানা কর্মকান্ড তাকে বিতর্কিত করে তোলে। দলে এ নিয়ে চরম অস্বস্তি দেখা দেয়। তার ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। দুর্নীতির বিষয়ে তদন্ত হচ্ছে। সব মিলিয়ে তিনি গেছেন চুপসে। এক সময়ের যুবদল নেতা, জাতীয় পার্টি হয়ে আওয়ামী লীগে এসে তিনবার এমপি হয়ে এলাকায় একটা অবস্থান তৈরি করলেও দল এখানে বিভক্ত এবং হালে বিব্রত।

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম চৌধুরী ২০১৪ সালে প্রথমবার এমপি হন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। এলডিপি সভাপতি কর্নেল অলি আহমদ এই আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। ছিলেন প্রভাবশালী মন্ত্রী। তাকে হারিয়ে নজরুল ইসলাম ২০১৮ সালে আবার নির্বাচিত হন। অলি আহমদ যাকে ‘প্রহসনের নির্বাচন’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। নজরুল ইসলাম চন্দনাইশের বাসিন্দা। এই আসনের সঙ্গে সংযুক্ত সাতকানিয়ার ছয়টি ইউনিয়ন পৃথক থানার দাবিতে দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রাম করে এলেও তা বারবার বাধাপ্রাপ্ত হয়। এ নিয়ে সংসদ সদস্য নজরুল ইসলামের ভ‚মিকা নিয়ে সংশয় রয়েছে সাতকানিয়ার বাসিন্দাদের। আবার চন্দনাইশ উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গেও তার সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটেছে। সাতকানিয়া চন্দনাইশে দলে অনুপ্রবেশকারীদের প্রভাব প্রতিপত্তি বেড়েছে বলে প্রতিপক্ষের অভিযোগ রয়েছে।

চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী তার এলাকায় সরকারি কর্মকর্তাদের গায়ে হাত তুলে যেমন বিতর্কিত হয়েছেন, তেমনি দলের মধ্যেও বিভক্তি সৃষ্টি করেছেন। বাঁশখালী উপজেলা কমিটির সভাপতি তিনি। মেয়াদোত্তীর্ণ এই কমিটিও একাধিক গ্রুপে বিভক্ত। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি শৃঙ্খলা মানেন না।

দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান এ কথা স্বীকার করে বলেন, তিনজন সংসদ সদস্য দলের কোনো শৃঙ্খলা মানেন না। তারা তাদের খেয়াল-খুশিমতো দল চালান নিজ এলাকায়। এরা হলেন সামশুল হক চৌধুরী, মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী ও আবু রেজা নিজামুদ্দীন নদভী।

দক্ষিণ জেলায় একসময় শক্তিশালী বিএনপি আবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। জেলা কমিটি ভেঙে দিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে আবু সুফিয়ানকে আহŸায়ক করে। তিনি তিন মাসের মধ্যে সম্মেলন সম্পন্ন করে নতুন কমিটির হাতে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার কাজ করে যাচ্ছেন। সম্মেলনকে সামনে রেখে দলের তৃণমূল পর্যায়ে এখন প্রাণসঞ্চার হচ্ছে। দলের দক্ষিণ জেলার সদ্যবিদায়ি সভাপতি সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী ছাড়া এখানে দলের সাবেক এমপিদের অনেকেই নিষ্ক্রিয়। বোয়ালখালী আসনে এম মোরশেদ খান, পটিয়ায় গাজী শাহজাহান জুয়েল ও আনোয়ারায় সরোয়ার জামাল নিজাম এবার মনোনয়নই পাননি।

একসময় দক্ষিণের বিএনপির চাবিকাঠি ছিল এম মোরশেদ খানের হাতে। তিনি সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান। তার অনুসারী একটা বড় গ্রুপ রয়েছে। তাকে এড়িয়ে দক্ষিণ জেলা কমিটি ভেঙে দিয়ে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। সব মিলিয়ে তাকে অবজ্ঞার বিষয়টি দৃশ্যমান হয়। একে সহজে নিতে পারেননি তিনি। গত মঙ্গলবার দলের মহাসচিবের কাছে পত্র দিয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এবং প্রাথমিক সদস্য পদ ত্যাগ করেন তিনি। এ ঘটনায় তার অনুসারীদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা দিলেও তার বহিঃপ্রকাশ কীভাবে হয় তা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে অনুষ্ঠিতব্য সম্মেলন পর্যন্ত। তবে তার দল ছাড়ার সংবাদে বোয়ালখালীতে মিষ্টি বিতরণ করেছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। তাদের অভিযোগ, তিনি সুসময়ের পাখি, দুঃসময়ে তার দেখা মেলে না।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলায় জাতীয় পার্টির অবস্থান অনেকটা কাগুজে। সামশুল আলম মাস্টার ও নুরুচ্ছাফা সরকার নামে দুই নেতার মাঝেমধ্যে পাল্টাপাল্টি কিছু কর্মকান্ড ছাড়া এদের আর কোনো তৎপরতা নেই কোথাও। দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীর নিজ এলাকা বাঁশখালীতে তার শক্ত একটা অবস্থান আছে। সেটা দলের চেয়েও তার ব্যক্তিগত ইমেজের কারণে। তিনি একাধিকবার সংসদ সদস্য ছিলেন। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র ছিলেন।

সিপিবি পটিয়া, বোয়ালখালী, চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ায় সক্রিয় থাকলেও তাদের সাংগঠনিক অবস্থা অনেক দুর্বল।

কর্নেল অলি আহমদের এলডিপির রাজনীতি তার নিজ এলাকা চন্দনাইশকেন্দ্রিক। সেখানে তার এককালের শিষ্যরা তাকে ত্যাগ করে চলে যাওয়ায় তার দলের প্রভাব-প্রতিপত্তি আগের সেই অবস্থানে নেই। ইসলামী ফ্রন্ট ও ইসলামী আন্দোলনের বড় একটি কর্মী-সমর্থক গ্রুপ সক্রিয় আছে।





সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]