ই-পেপার শুক্রবার ১৫ নভেম্বর ২০১৯ ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ই-পেপার শুক্রবার ১৫ নভেম্বর ২০১৯

চীন-মার্কিন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বাণিজ্যযুদ্
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: রোববার, ১০ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:০০ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 8

ধে

চলমান চীন-মার্কিন বাণিজ্যযুদ্ধ বিশে^র শীর্ষ দুটি দেশের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এই যুদ্ধের ফলে চীনা রফতানি কমে যাওয়ার ফলে উচ্চমূল্য গুনতে হচ্ছে মার্কিন ভোক্তাদের। অন্যদিকে চীন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যেসব পণ্য রফতানি হতো, মার্কিন ব্যবসায়ীরা সেগুলো চলমান বাণিজ্যযুদ্ধে সরাসরি সম্পৃক্ত নয় এমন কিছু দেশ থেকে রফতানি শুরু করায় ক্ষতির মুখে পড়েছে চীনা রফতানিকারকরা। আঙ্কটাডের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৮ সালের গ্রীষ্ম থেকে দুদেশের মধ্যে প্রতিশোধমূলক বাণিজ্যযুদ্ধ শুরুর পর থেকে উভয় দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। চীনে যেসব পণ্যে যুক্তরাষ্ট্র বর্ধিত হারে কর আরোপ করেছে চলতি বছরের প্রথমদিকে সেসব আমদানি ২৫ শতাংশের বেশি কমেছে। বাণিজ্যযুদ্ধ মেয়াদ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে চীনের রফতানি কমেছে। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে দেশটির রফতানির পরিমাণ কমেছে আগের প্রান্তিকের তুলনায় বেশি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রশাসন চীনা পণ্যে বর্ধিত হারে শুল্ক আরোপ করলেও, বাণিজ্যযুদ্ধের মধ্যে চীন যুক্তরাষ্ট্রে নিজেদের ৭৫ শতাংশ রফতানি অব্যাহত রাখতে সক্ষম হয়েছে। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে চীনা রফতানিকারকরা বর্ধিত শুল্ক নিজেরা বহন শুরু করে। ফলে কমে আসে নিজেদের পণ্যের রফতানি ব্যয়। যুক্তরাষ্ট্রে চীনের রফতানি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে ট্রেড ডাইভারশন ইফেক্ট তৈরি হয়েছে। অর্থাৎ চীন থেকে আমদানির পরিবর্তে অপেক্ষাকৃত কম দরে তাইওয়ান, মেক্সিকো, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ভিয়েতনাম থেকে আমদানি বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে চীনের ঘাটতি পূরণে যুক্তরাষ্ট্রের আমদানির তালিকায় নতুন নতুন দেশের নাম বেড়েই চলেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্ধিত শুল্ক আরোপ কার্যকর হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে চীনা পণ্যের রফতানি ৬৫ শতাংশ কমে এসেছে। অন্যদিকে
কৃষিজাত খাদ্য, যোগাযোগ সরঞ্জাম ও প্রিসিশন যন্ত্রপাতির রফতানি কমেছে ৩০ শতাংশের বেশি। বৈশি^ক অর্থনীতির প্রধান দুই দেশের বাণিজ্যযুদ্ধের চলতি বছরের প্রথম দিকে বৈশি^ক বাণিজ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১ শতাংশের কম। যা ২০১২ সালের পর সবচেয়ে কম। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ম্যানুফ্যাকচারিং খাত। আন্তর্জাতিক অর্থনীতি পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল হওয়ার প্রেক্ষিতে বৈশি^ক অর্থনীতি সম্মিলিতভাবে শ্লথ হয়ে পড়েছে। চলতি বছর বৈশি^ক জিডিপি কমে ৩ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। চলতি বছর টানা পঞ্চমবারের মতো বৈশি^ক অর্থনীতির পূর্বাভাস কমিয়েছে আইএমএফ।





সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]