ই-পেপার রোববার ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ১ পৌষ ১৪২৬
ই-পেপার রোববার ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

রিকশাচালক লাল মিয়ার সততা
ফিরিয়ে দিলেন ২০ লাখ টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক বগুড়া
প্রকাশ: শনিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:০০ এএম আপডেট: ১৬.১১.২০১৯ ১:০৭ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 280

রিকশাচালক লাল মিয়ার সততা

রিকশাচালক লাল মিয়ার সততা

যাত্রীর ফেলে যাওয়া ২০ লাখ টাকা পেয়েও লোভ করেননি রিকশাচালক লাল মিয়া। টাকাগুলো ফেরত দিয়ে সততার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন তিনি। ঘটনাটি ঘটেছে বগুড়ার সাতমাথায়। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টায় সার ব্যবসায়ী রাজীব প্রসাদ সাতমাথা থেকে রিকশায় চড়ে বাড়ি যাওয়ার সময় ভুলক্রমে টাকার ব্যাগটি রিকশায় ফেলে চলে যান। বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার রনবাঘা এলাকার সার ব্যবসায়ী রাজীব প্রসাদের ‘প্রসাদ অ্যান্ড সন্স’ নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তিনি থাকেন বগুড়া শহরের জলেশ্বরীতলা এলাকায়।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তিনি শহরের ভাড়াবাড়ি থেকে রনবাঘায় যাওয়ার জন্য একটি কাপড়ের ব্যাগে ২০ লাখ টাকা নিয়ে বের হন। পরে টাকার কথা মনে হওয়ার পরই দেখে তার কাছে ব্যাগটি নেই। তিনি তৎক্ষণাৎ বগুড়া সদর থানায় জানান। পরে পুলিশ লোকেশন অনুযায়ী সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে। রিকশাচালকদের জিজ্ঞাসার পর লাল মিয়াকে চেনা যায়। তিনি বলেন, আমার রিকশায় এক যাত্রী টাকার ব্যাগ ফেলে গেছে। আমি টাকার মালিককে খুঁজতেছি। পরে পুলিশ টাকার ব্যাগ হেফাজতে রাখে। শুক্রবার বিকালে হারিয়ে যাওয়া টাকার মালিক রাজীব প্রসাদের হাতে তুলে দেন বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা বিপিএম (বার)। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজীউল হক, সদর থানার ওসি এসএম বদিউজ্জামানসহ অন্য অফিসাররা।

টাকার মালিক রাজীব প্রসাদ (৩৬) রিকশাচালকের সততায় মুগ্ধ হয়ে নতুন রিকশা কেনার জন্য তাকে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দিয়েছেন। বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা বিপিএম (বার) জানান, রিকশাচালকের সততা ছিল। ইচ্ছা করলে তিনি টাকা নিয়ে চলে যেতে পারতেন; কিন্তু সে ধরনের কিছু তাদের চোখে পড়েনি। এছাড়া সদর থানা পুলিশ দ্রুত এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিয়েছে বলে টাকা উদ্ধারের কাজটি সহজ হয়।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]