ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা বৃহস্পতিবার ৯ জুলাই ২০২০ ২৪ আষাঢ় ১৪২৭
ই-পেপার বৃহস্পতিবার ৯ জুলাই ২০২০

পাহাড়ে আম কাঁঠাল লিচুসহ রসালো মৌসুমি ফলের সম্ভার
রাঙামাটি প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ৬ জুন, ২০২০, ১২:০০ এএম আপডেট: ০৬.০৬.২০২০ ২:৫১ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 64

পাহাড়ে এবার রসালো মৌসুমি ফল আম, কাঁঠাল, লিচু ও আনারসের বাম্পার ফলন হয়েছে। করোনা ভাইরাস প্রভাবে দাম নাগালে থাকায় স্থানীয় ক্রেতারাও বেশ খুশি। প্রতি বারের মতো জেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে চালান হচ্ছে এসব মৌসুমি ফল।
তবে এবার ব্যতিক্রম হলো করোনা ভাইরাসের কারণে অন্য সময়ের মতো ব্যবসায়ীরা বাগান থেকে মৌসুমি ফল সংগ্রহ করেননি। চাষিরা বাগান থেকে ফল সংগ্রহ করে স্থানীয় বাজারে তোলার পর তা ব্যবসায়ীরা কিনে নিচ্ছেন। এ কারণে শহরের কাঁচামালের ভাসমান হাটখ্যাত ট্রাক টার্মিনাল ও সমতা ঘাটে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের আনাগোনা বেড়ে গেছে।
স্থানীয় লিচু ও আম বাগানের মালিক বৌদ্ধ রঞ্জন চাকমা বলেন, গত মৌসুমের চেয়ে এবার লিচু ও আমের অনেক ভালো ফলন হয়েছে। লকডাউনের জন্য যানবাহন ও নৌ পথের লঞ্চ ও বোট না চলাতে এত দিন মৌসুমি ফলের দাম পাইনি। ১ জুন থেকে যানবাহন চালু হওয়াতে মৌসুমি ফলের দাম ভালো পাওয়া যাচ্ছে। এতে ফল চাষিরাও খুশি।
দীর্ঘ দিন সাধারণ ছুটি থাকায় এবার আনারস বিক্রিতে চাষিদের আশানুরূপ লাভ হয়নি বলে মন্তব্য করেন এ চাষি। স্থানীয় ক্রেতাদের অভিযোগ জেলার বাইরে থেকে আসা কিছু অসাধু ব্যবসায়ী রয়েছেন যারা পাহাড়ি চাষিদের কাছ থেকে কম-দামে লিচু ও আম কিনে বনরূপা বাজার, রিজার্ভ বাজার ও কলেগজগেট এলাকায় বেশি দামে বিক্রি করছেন।
হঠাৎ জুড়ে বসা এসব ব্যবসায়ীর কারণে স্থানীয় ক্রেতারা যেমনÑ ঠকছেন, তেমনি করোনা ছড়ানোর আশঙ্কাও সৃষ্টি হচ্ছে। কারণ তারা স্বাস্থ্য বিধি মানছেন না।
স্থানীয় বাজারে প্রতি শ লিচু ১ শ টাকা থেকে আড়াই শ টাকায় এবং প্রতি কেজি আম বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১ শ টাকা দরে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক পবন কুমার চাকমা বলেন, গতবারের চেয়ে এবার লিচু ও আমের ফলন ভালো হয়েছে। এ মৌসুমে জেলায় প্রায় ১ হাজার ৮ শ ৮২ হেক্টর বাগানে লিচু ও ৩ হাজার ৩ শ ৭০ হেক্টর বাগানে আমের চাষ করা হয়েছে। প্রতি হেক্টর জমিতে গড়ে উৎপাদন হয়েছে ৯ টন লিচু এবং প্রতি হেক্টর জমিতে ১৫ টন আম। এতে মৌসুমি ফল চাষিরা এবার কমবেশি আড়াই কোটি টাকার লিচু ও আম বিক্রি করবেন বলে আমাদের ধারণা। করোনা ভাইরাসের জন্য সাধারণ ছুটির কারণে চাষিরা কাঁঠাল ও আনারসে তেমন লাভবান না হলেও আম আর লিচুতে তা পুষিয়ে নিতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, মৌসুমি ফল নিয়ে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রদর্শনী হয়। এসব প্রদর্শনীতে কৃষি বিভাগ চাষিদের ভালো ফলনের জন্য পুরস্কৃত করে থাকে। এ ছাড়াও মৌসুমি ফল চাষিদের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর গাছের ক্ষতিকারক পোকা-মাকড় দমন ও ফলন বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, কারিগরি সহায়তাসহ বীজ, সার ও কীটনাশক দিয়ে সহযোগিতা করে বলে মন্তব্য করেন এ কর্মকর্তা।









এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]