ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা মঙ্গলবার ৭ জুলাই ২০২০ ২৩ আষাঢ় ১৪২৭
ই-পেপার মঙ্গলবার ৭ জুলাই ২০২০

ভিয়েতনামে ফুটবল ফিরেছে সতর্কতা ছাড়াই
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ৭ জুন, ২০২০, ১২:০০ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 8

করোনাভাইরাসের তেমন প্রকোপ নেই ভিয়েতনামে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত কেউ মারা যায়নি করোনাভাইরাসে এবং আক্রান্তের সংখ্যাও সাড়ে তিনশরও নিচে। এমতাবস্থায় দেশটির অর্থনৈতিক কর্মকাÐ চালুর পাশাপাশি আবারও মাঠে গড়িয়েছে ফুটবল মৌসুম এবং সেটাও দর্শকভর্তি স্টেডিয়ামে; কোনো ধরনের সতর্কতা ছাড়াই।
ভিয়েতনামে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় ফেব্রæয়ারিতে। সতর্কতার অংশ হিসেবে ভিয়েতনাম ফুটবল লিগ স্থগিত করা হয় মার্চে। শুক্রবারের আগ পর্যন্ত দেশটিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩২৮। তাতে করে প্রায় তিন মাস পর চালু করা হয় শীর্ষ ফুটবল প্রতিযোগিতা করলেও নেওয়া হয়নি কোনো সতর্কতা। অথচ এখনও করোনামুক্ত নয় ভিয়েতনাম। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত করা হয়েছে আরও করোনা রোগী।
কিন্তু যেভাবে দেশটিতে ফুটবল ফেরানো হয়েছে এবং ভক্ত আর খেলা সংশ্লিষ্টরা যেমন বক্তব্য দিয়েছে তাতে বলাই যায়, করোনাভীতি নেই ভিয়েতনামে। দেশটিতে ফুটবল ফিরেছে শুক্রবার। প্রথমদিনে স্বাগতিক নাম ডিনহের মুখোমুখি হয়েছিল ভিয়েত্তেল। প্রায় ৩০ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা বিশিষ্ট স্টেডিয়ামে ফুটবলপ্রেমীদের ভিড় ছিল দেখার মতো এবং গ্যালারিতে উপস্থিত হাজারো দর্শকের ভিড়ে গুটি কয়েকের মুখেই দেখা গেছে মাস্ক।
সামাজিক দূরত্ব? সেটা তো দূরের কথা! যেভাবে কানায় কানায় ভরা ছিল দর্শক গ্যালারি তাতে একজন আরেকজনের ওপর ওঠার দশা! একে অন্যের ওপর ওঠে বিজয় চিহ্ন দেখিয়েছে ভক্তরা এবং তুলেছে সেলফি। এক কথায়, সতর্কতা বা নিয়মের কোনো তোয়াক্কাই করেনি ভক্তরা। যদিও দোষটা বর্তায় কর্তৃপক্ষের কারণ যেভাবে মাঠ ভর্তি করা হয়েছে দর্শকে তাতে চাইলেও সম্ভব ছিল না সামাজিক দূরত্ব বা অন্যান্য আইন মেনে চলা।
অবশ্য কয়েকটি দিক থেকে সতর্ক ছিল আয়োজকরা। স্টেডিয়ামের মূল প্রবেশদ্বারে তাপমাত্রা-পরিমাপক যন্ত্রের মাধ্যমে মাপা হয়েছে দর্শকদের শরীরের তাপমাত্রা এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের ব্যবস্থা ছিল। তা ছাড়া মাস্ক পড়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গ্যালারিতে মাস্ক পড়া ভক্ত দেখাই মুশকিল ছিল। সব মিলে যেভাবে দর্শকভর্তি মাঠে দেশটিতে ফিরেছে ফুটবল তাতে এই নিয়মগুলো পালন করা অনেকটা লোক হাসানোর মতোই!
এখন প্রশ্ন উঠতেই পারেÑ ভয় নেই নাগরিকদের। না, নেই! ভিত্তেলের এক ভক্তের দিকে রয়টার্স এই প্রশ্ন ছুড়ে দিলে ফন তাম নামক ওই ব্যক্তির ভাষ্য ছিল চমকে দেওয়া মতো। তিনি বলেন, ‘যদি ভাইরাসকে আমরা ভয় পেতাম তাহলে তো আসতাম না এখানে (মাঠে)। ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে যেসব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে তা আমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখতে যথেষ্ট এবং এ জন্যই খেলা দেখতে এসে প্রত্যেকে খুব সাহস পাচ্ছে।’
ভিয়েতনামে এভাবে ফুটবল ফেরানোর ঘটনায় নেতিবাচক কিছু দেখছেন না দেশটির জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক কুয়ে এগোক হাই। উল্টো ভক্তদের মাঠে প্রবেশের অনুমতি পাওয়ায় আনন্দ প্রকাশ করে রয়টার্সকে তিনি বলেন, ‘অন্যান্য দেশের সঙ্গে আমাদের তুলনা করার জন্য আমি এটি বলছি না, তবে  কোভিডের প্রাদুর্ভাবের পর ভিয়েতনামে ফুটবল ফিরেছে, এটি দেখিয়েছে যে আমরা ভাইরাসের সঙ্গে কতটা ভালো করে
লড়াই করেছি।’







সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]