ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শনিবার ৪ জুলাই ২০২০ ২০ আষাঢ় ১৪২৭
ই-পেপার শনিবার ৪ জুলাই ২০২০

ভূতুরে বিদ্যুৎ বিল: ৩০ জুনের মধ্যে দোষীদের ধরার ঘোষণা ডিপিডিসির
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২০, ১০:৩৩ পিএম আপডেট: ২৯.০৬.২০২০ ১০:৪৩ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 190

করোনাকালে তিন মাসের বিদ্যুৎ বিল একসঙ্গে দেওয়ার সরকারি সুযোগ ঘোষণার কারণে সবাই মোটামুটি জুন মাসেই বিল পরিশোধের জন্য গিয়েছেন। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলে আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নাগরিকরা।

ভুতুড়ে এই বিল নিয়ে ইতোমধ্যে দেশজুড়ে আলোচনা শুরু হয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে অনলাইনে একটি শুনানির আয়োজন করে ডিপিডিসি।

শুনানিতে বলা হয়, যাদের অতিরিক্ত বিল এসেছে তাদের বিল ঠিক করে দেওয়া হবে। কোনোভাবেই এক ইউনিট বেশি বিদ্যুতের টাকাও রাখবে না ডিপিডিসি।

পাশাপাশি অতিরিক্ত বিলের জন্য দায়ীদের ৩০ তারিখের মধ্যে খুঁজে বের করার ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে।

গত রোববার রাতে ফেসবুক লাইভে গ্রাহকের বিলের অভিযোগ নিয়ে অনুষ্ঠিত এক গণশুনানিতে এমন কথাই বলেছেন ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) এর কর্মকর্তারা।

'গ্রাহকের জিজ্ঞাসা ও উত্তর' শীর্ষক শুনানিতে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সভাপতিতে উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী পরিচালক (অপারেশন) এটি এম হারুন অর রশিদ, নির্বাহী পরিচালক (আইসিটি) শহিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কমকর্তারা।

এ সময় বিকাশ দেওয়ান বলেন, প্রতি মাসে আমরা যেমন রিডিং নিয়ে বিল করি। করোনার কারণে তা করা যায়নি। গড় বিল করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে কিছু ভুলভ্রান্তি হয়েছে। অনেক গ্রাহক অতিরিক্ত বিলের অভিযোগ করেছেন। আমরা খুবই দুঃখিত এই ধরনের ভোগান্তির জন্য। তবে সব বিলই আমরা ঠিল করে দেবো।

যাদের কারণে এই অতিরিক্ত বিল হয়েছে তাদের কী করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ডিপিডিসি থেকে কমিটি করা হয়েছে। আগামী ৩০ তারিখের মধ্যে তাদের খুঁজে বের করে শাস্তি দেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

এখন গ্রাহকরা অনেকেই ৩০ জুনের মধ্যে বিল দিতে না পারলে জরিমানা করা হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, যে গ্রাহক যেভাবে বিল দেবেন, আমরা সেভাবেই এখন বিল নেবো। আর কেউ যদি এখন দিতে না পারেন, সেটিও আমরা বিবেচনা করবো।

আবাসিকের মতো শিল্প ও বাণিজ্যিক লাইনের ক্ষেত্রে সারচার্জ মাফ করা হবে কিনা জানতে চান নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়ী তৌহিদুল ইসলাম। জবাবে বিকাশ দেওয়ান বলেন, সে সুযোগ আমাদের হাতে নেই। আমরা বিদ্যুৎ বিভাগের কাছে অনুমতি চেয়েছি। তারা সিদ্ধান্ত জানালে আমরা বলতে পারবো।

মগবাজারের গ্রাহক রুহুল আমিন অতিরিক্ত বিলের অভিযোগ করে বলেন, আপনারা কেনো আন্দাজে বিল করলেন? এইভাবে বিল না করলে তো গ্রাহকদের ভোগান্তি হতো না।

বিকাশ দেওয়ান জানান, আন্দাজে নয়, গড় বিল করেছি। এতে করে কিছু বিল বেশি হয়েছে আবার কিছু বিল কমও হয়েছে।

নির্বাহী পরিচালক (অপারেশন) হারুন অর রশিদ বলেন, কাউকে এক ইউনিট বেশি বিদ্যুতের বিল দিতে হবে না। একটু ধৈর্য ধরেন। কমিটি কাজ করছে। দোষীদের অবশ্যই খুঁজে বের করা হবে। আর গ্রাহকদের সব বিল ঠিক করে দেবো আমরা।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]