ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট ২০২০ ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭
ই-পেপার বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট ২০২০

বন্যা পরিস্থিতিতে সরকারের ত্রাণ-সহায়তা কার্যক্রম বিঘ্নিত হবে না
সময়ের আলো অনলাইন
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২০, ৬:৫৭ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 13

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা: মো. এনামুর রহমান বলেছেন, বন্যা পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলেও সরকারের ত্রাণ-সহায়তা কার্যক্রম বিঘ্নিত হবে না।

‘পর্যাপ্ত ত্রাণ-সামগ্রী মজুদ আছে’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে যথেষ্ট প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। বন্যার কারণে দেশে খাদ্য-ঘাটতিরও কোনো সম্ভাবনা নেই।

প্রতিমন্ত্রী কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, দেশের প্রত্যেক জেলায় সময় অনুযায়ী ধান কাটার ফলে ইতোমধ্যে ২ কোটি ৯ লাখ মেট্রিক টন চাল উৎপাদিত হয়েছে।

সরকারি উদ্যোগে ১৮ লাখ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে সরকার ৮ লাখ মেট্রিক টন চাল ক্রয় করেছে। বাকী চালও অচিরেই সংগ্রহ করা হবে। এ বিষয়ে চাতাল-মালিকদের সাথে সংশ্ল্টিদের আলোচনাও হয়েছে। তবে, প্রয়োজন হলে সরকার অবশ্যই চাল আমদানি করবে।

ডা: মো. এনামুর রহমান আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন-কক্ষে আয়োজিত ‘অন-লাইন জুমে’ দেশের সার্বিক বন্যা-পরিস্থিতি ও সরকারের ত্রাণ কার্যক্রম সম্পর্কে প্রেস-ব্রিফিং শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

এর আগে ভার্চূয়াল প্রেস-ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি বর্ণনা করে বলেন, এ পর্যন্ত দেশের উত্তরপূর্ব ও মধ্যাঞ্চল মিলিয়ে ১৮ টি জেলার ৫৩৫টি ইউনিয়ন বন্যা-কবলিত হয়েছে। বন্যার কারণে দেশের ৫টি জেলায় ৮ জনের মৃত্যু ঘটেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এদের মধ্যে ৪ জন জামালপুর জেলার।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরন কেন্দ্রের সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ডা: এনামুর রহমান বলেন, ‘উজানে ভারী-বৃষ্টিপাত না হলে আমরা দ্রুত বন্যা-পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে পারি’।

এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, এর আগে বন্যার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছিল দ্বিতীয় দফা বন্যায় দেশের ২৩টি জেলা বন্যা-কবলিত হতে পারে। এখন বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্রই জানিয়েছে যে. গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকার নদ-নদী ছাড়া ‘ব্রহ্মপুত্র-যমুনা বেসিনে এবং আপার মেঘনা অববাহিকার নদ-নদীর পানি আগামী ৪৮ ঘন্টায় হ্রাস পেতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব প্রেক্ষাপট বিবেচনায় তিনি মনে করেন, বন্যা পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী নাও হতে পারে।

তিনি বলেন, বন্যার কারণে দেশের বিভিন্ন জেলায় ১ হাজার ৫শ’ ৪৮টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৩০ হাজার ৭ম’ ২৬ জন আশ্রিতের মাঝে রান্না করা খাদ্য বিতরণ শুরু করা হয়েছে। ১শ’ ৯৭টি মেডিকেল টিম বন্যা কবলিতদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাজ করছে।

এছাড়াও, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে বন্যা-পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমন্বিত কার্যক্রম চালানোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
এসব আশ্রয়-কেন্দ্রে অবস্থান গ্রহনকারী দুর্গত-মানুষের কাছে রান্না করা তৈরী খাবার পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসকের অনুকূলে ইতোমধ্যেই জেলা-প্রতি ৫ লাখ টাকা করে মোট ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। শুধুমাত্র রান্না-করা খাবার যাতে আশ্রিতরা ঠিকমত পায় সে-লক্ষ্যেই নগদ টাকা প্রদান করা হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো: মহসিন এ সময় উপস্থিত ছিলেন। বাসস




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]