ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা  বুধবার ২০ জানুয়ারি ২০২১ ৬ মাঘ ১৪২৭
ই-পেপার  বুধবার ২০ জানুয়ারি ২০২১

করোনায় মৃতদের ৪৭ ভাগই ষাটোর্ধ্ব
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২০, ১২:০০ এএম আপডেট: ০৫.০৮.২০২০ ৪:০৩ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 43

করোনাভাইরাসে দেশে আরও ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২৩৪ জনে। এই সময়ে আরও ১ হাজার ৯১৮ জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়ায় দেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ২ লাখ ৪৪ হাজার ২০ জন হয়েছে। বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ১ হাজার ৯৫৫ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এখন পর্যন্ত মোট ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮৬০ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ, আর এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৩১ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৫৭ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার তা ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ। কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এই তথ্য জানান।
করোনার ঝুঁকি এড়াতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে সবাইকে অনুরোধ জানিয়ে অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা বলেন, জ্বর-কাশি হলেই নমুনা পরীক্ষা করান। দেশের সব জেলায় করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা আছে। সরকারি-বেসরকারি যেকোনো পরীক্ষাকেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষা করান। তিনি জানান, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৮৩টি ল্যাবে ৭ হাজার ৭১২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ১২ লাখ ১ হাজার ২৫৬টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এর আগে শনিবার কোরবানির ঈদের দিন করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা তিন মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসায় এক দিনে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা গত আড়াই মাসে প্রথমবারের মতো হাজারের নিচে নেমে আসে। রোববার থেকে নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে  কিছুটা বাড়ায় এক দিনে শনাক্ত রোগীর সংখ্যাও আবার বেড়ে দুই হাজারের কাছাকাছি চলে গেছে।
ডা. নাসিমা সুলতানা জানান, গত এক দিনে যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ৪৪ জন পুরুষ এবং পাঁচজন নারী। ৪৫ জন হাসপাতালে এবং পাঁচজন বাড়িতে মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ২৯ জন ঢাকা বিভাগের, পাঁচজন চট্টগ্রাম বিভাগের, পাঁচজন রাজশাহী বিভাগের, চারজন খুলনা বিভাগের, একজন ময়মনসিংহ বিভাগের, একজন বরিশাল বিভাগের, একজন সিলেট বিভাগের এবং চারজন রংপুর বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন। এই ৩০ জনের মধ্যে একজনের বয়স ছিল ৮০ বছরের বেশি। এ ছাড়া পাঁচজনের বয়স ৭১-৮০ বছরের মধ্যে, ১৮ জনের ৬১-৭০ বছরের মধ্যে, ১৭ জনের ৫১-৬০ বছরের মধ্যে, ছয়জনের ৪১-৫০ বছরের মধ্যে, তিনজনের ৩১-৪০ বছরের মধ্যে ছিল।
অধ্যাপক নাসিমা বলেন, দেশে এ পর্যন্ত যে ৩ হাজার ২৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে ৪৬ দশমিক ৬০ শতাংশের বয়স ৬০ বছরের বেশি। এ ছাড়া ২৮ দশমিক ৭৬ শতাংশের ৫১-৬০ বছরের মধ্যে, ১৩ দশমিক ৮৫ শতাংশের ৪১-৫০ বছর বছরের মধ্যে, ৬ দশমিক ৫৬ শতাংশের ৩১-৪০ বছরের মধ্যে, ২ দশমিক ৬৯ শতাংশের ২১-৩০ বছরের মধ্যে, শূন্য দশমিক ৯৯ শতাংশের ১১-২০ বছরের মধ্যে এবং শূন্য দশমিক ৫৬ শতাংশের ১০ বছরের কম ছিল। তাদের ৪৭ দশমিক ৯০ শতাংশ ঢাকা বিভাগের, ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ চট্টগ্রাম বিভাগের, ৬ দশমিক ১২ শতাংশ রাজশাহী বিভাগের, ৭ দশমিক ৩৩ শতাংশ খুলনা বিভাগের, ২ দশমিক ১৬ শতাংশ ময়মনসিংহ বিভাগের, ৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ রংপুর বিভাগের, ৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ সিলেটে বিভাগের, ৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ বরিশাল বিভাগের।
বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ে ৮ মার্চ। রোগী দুই লাখ পেরিয়ে যায় ১৮ জুলাই। এর মধ্যে ২ জুলাই ৪ হাজার ১৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ শনাক্ত। প্রথম সংক্রমণ শনাক্তের ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যু হয়। ২৮ জুলাই সেই সংখ্যা তিন হাজার স্পর্শ করে। এর মধ্যে ৩০ জুন এক দিনেই ৬৪ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয় বুলেটিনে, যা এক দিনের সর্বোচ্চ মৃত্যু।






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক : শাহনেওয়াজ দুলাল, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে
প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]