ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১১ আশ্বিন ১৪২৭
ই-পেপার শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

কাঁচামিঠা স্বাদের বারি-৪ আম চাষে মিঠাপুকুরের চাষি পলাশ স্বাবলম্বী
আমিরুল কবির সুজন মিঠাপুকুর (রংপুর)
প্রকাশ: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২০, ১২:০০ এএম আপডেট: ০৫.০৮.২০২০ ৪:২২ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 155

বারি-৪ আম চাষ নতুন স্বপ্ন এঁকে দিয়েছে মিঠাপুকুরের চাষিদের চোখে। অন্য ফসলের পাশাপাশি তারা বারি-৪ আম চাষে মনোনিবেশ করেছেন। কারণ এতে আর্থিকভাবে তারা লাভবান হতে পারছেন। বারি-৪ আম চাষকে ভাগ্য বদলের মাধ্যম বলে মনে করছেন মিঠাপুকুরের চাষিরা।
নতুন দিনের নতুন সম্ভাবনায় বারি-৪ আম নিয়ে কাজ করছেন মিঠাপুকুরের আম চাষিরা। উপজেলার রানীপুকুর ইউনিয়নের আবদুল্লাহ আল মামুন পলাশ এই বারি-৪ আম চাষ করে ভাগ্য বদলের চেষ্টা করছেন। গড়ে তুলেছেন নয়নজুড়ানো আমবাগান। গাছে গাছে আমের সমারোহ। নতুন জাতের এই আমের ভারে নুইয়ে পড়েছে গাছ। মাত্র ১৮ মাস বয়সে এসেছে ফলন। স্বপ্ন দেখছেন সম্ভাবনাময় এক নতুন দিনের। দুই বিঘা জমিতে ২৮৮টি চারা রোপণ করেছেন তিনি। এতে তিনি সাড়ে ৩ টন আমের ফলন আশা করছেন।
হাঁড়িভাঙা আমের মৌসুম শেষ হওয়ার পরে বাজারে পাওয়া যাবে নতুন জাতের এই বারি-৪ আম। ফলে বারি-৪ বাজারে দেরিতে আসার পাশাপাশি আমের প্রতি মানুষের চাহিদার কারণে আনুমানিক ৪ লাখ টাকা মূল্য পাওয়ার আশা করছেন এই আমচাষিরা।
আমচাষি আবদুল্লাহ আল মামুন পলাশ বলেন, বাগান করার সময় অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। তবু আমি পেছনে ফিরে তাকাইনি। আমি আমার লক্ষ্য বাস্তবায়নে নিরলস পরিশ্রম করেছি। বর্তমানে আমার বাগানে ৫ জন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করছেন। পলাশের এই সাফল্যে স্থানীয় অনেকেই এই নতুন জাতের আম চাষে উদ্বুদ্ধ হয়ে উঠছেন।
মিঠাপুকুরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমান বলেন, বিখ্যাত হাঁড়িভাঙা আমের পাশাপাশি মানুষ যাতে আমের মৌসুম শেষ হওয়ার পরও আম খেতে পারে সে জন্য কৃষক আবদুল্লাহ আল মামুন পলাশকে তার কিছু নিচু জমিতে আধুনিক পদ্ধতিতে এই নতুন জাতের আম চাষে উৎসাহিত করেছি। আজ তার সফলতা দেখে নিজেরও ভালো লাগছে। এ ছাড়া বারি-৪ জাতের এই আম সম্প্রসারণে স্থানীয় কৃষি বিভাগের হয়ে আমরা মাঠপর্যায়ে কাজ করছি। পলাশের পাশাপাশি আরও অনেকেই এগিয়ে এসেছেন এই নতুন জাতের আম চাষে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, মিঠাপুকুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এবার প্রায় ১০ হেক্টর জমিতে হাঁড়িভাঙা আমের চাষ হয়েছে। কাঁচামিঠা স্বাদের এই আম হাঁড়িভাঙার মতই জনপ্রিয়তা পেয়েছে। হাঁড়িভাঙা আমের মৌসুম শেষ হওয়ার সময় বারি-৪ আম মালিকরা গাছ থেকে আম পাড়তে পারবেন। তখন থেকে বাজারজাতও করা যাবে বারি-৪ আম। তালিকায় থাকা এই আম দেরিতে আসার কারণে এবং উৎপাদন ভালো হওয়ায় চাষিরা ন্যায্য মূল্য পাবেন বলে জানান তিনি।







সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক : শাহনেওয়াজ দুলাল, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে
প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]