ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১১ আশ্বিন ১৪২৭
ই-পেপার শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

শেষ আটে বার্সেলোনা-বায়ার্ন
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২০, ১১:৪০ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 18

আবারও লিওনেল মেসি আর রবার্ট লেভানদোস্কি জাদু। সুফল পেল যথাক্রমে বার্সেলোনা আর বায়ার্ন মিউনিখ; চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে দুই জায়ান্ট। এবার তাদের মিশন পর্তুগালের লিবসন, যেখানে গড়াবে ইউরোপিয়ান ক্লাব শ্রেষ্ঠত্বের এই প্রতিযোগিতার চলতি মৌসুমের বাকি ম্যাচগুলো। তবে শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের মঞ্চে যেকোনো এক দলের সেমিফাইনাল খেলার স্বপ্ন পূরণ হবে! কেননা, শেষ আটেই মুখোমুখি হবে তারা।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ও সেমির ড্র হয়েছে ১০ জুলাই, যখন করোনা আতঙ্কে থমকে ছিল আসর। তখনই জানা ছিল, দ্বিতীয় রাউন্ডের বাধা পেরুতে পারলে কোয়ার্টার ফাইনালে দেখা হবে বার্সা আর বায়ার্নের। শেষ ষোলোর ফিরতি লেগে দাপুটে জয়েই বাধাটা পেরিয়েছে স্পেন আর জার্মানির দুই জায়ান্ট। শনিবার রাতে মেসির ঝলকে নাপোলির বিদায়ঘণ্টা বাজিয়েছে বার্সেলোনা, অন্যদিকে চেলসিকে বিদায় করে দেওয়া ম্যাচে আপন আলোয় উজ্জ্বল ছিলেন বায়ার্নের লেভানদোস্কি।
চলতি মৌসুমে বার্সার পারফরম্যান্স একেবারেই সাদামাটা। ধারাবাহিকতার অভাব ছিল। যে কারণে কোপা দেল’রের সঙ্গে লা লিগা শিরোপাও হাতছাড়া হয়েছে তাদের। শঙ্কা ছিল ইউরোপ সেরা প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা নিয়েও। কারণ ফেব্রæয়ারিতে দ্বিতীয় রাউন্ডের প্রথম লেগে সাও পাওলোতে নাপোলির সঙ্গে ড্র (১-১) করে তারা। তাতে ফিরতি লেগ ক্যাম্প ন্যুতে হলেও চ্যালেঞ্জের মুখে ছিল কাতালানরা। তবে ‘সাধারণ’ বার্সাকে লড়াইয়ে টিকিয়ে রাখলেন মেসি।
বার্সার মাঠ ক্যাম্প ন্যুতে দারুণ লড়েছিল নাপোলি। কিন্তু পার্থক্য গড়ে দেন অভিজ্ঞ মেসি; নিজে করেন একটি গোল এবং তার আদায় করা পেনাল্টি থেকে জাল খুঁজে পান লুইস সুয়ারেজ। সব মিলে ৩-১ ব্যবধানের দাপুটে জয়ে শঙ্কা উড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টারে বার্সা। অথচ দ্বিতীয় মিনিটেই গোলের সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল নাপোলি। কিন্তু অতিথিদের বেলজিক ফরোয়ার্ড ড্রিস মের্টেন্সের শট পোস্টে প্রতিহত হলে হতাশায় ডুবে জেন্নারো গাত্তুসোর দল।
উল্টো দশম মিনিটে পিছিয়ে পড়ে নাপোলি। ইভান রাকিতিচের কর্নারে হেডে বার্সাকে এগিয়ে নেন ফরাসি ডিফেন্ডার ক্লেমেন্ট লংলে। ২৩ মিনিটে মেসি শো, উপহার দেন দারুণ এক গোল। সুয়ারেজের ক্রস থেকে জটলার মধ্যে বল পান বার্সা সুপারস্টার এবং মুহূর্তেই তাকে ঘিরে ধরে নাপোলির তিন খেলোয়াড়। জটলা থেকে বল নিয়ে বের হতে গিয়ে পড়ে যান মেসি, তবুও বলের নিয়ন্ত্রণ ছাড়েননি। কোনাকুনি শটে দূরের পোস্ট ঘেঁষে ঠিকই জাল খুঁজে নেন ৩৩ বছর বয়সি তারকা।
সাত মিনিট বাদে আরও এক গোল করেন মেসি। কিন্তু রাকিতিচের ক্রস নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার সময় বল তার হাত স্পর্শ করায় ভিএআরের সাহায্যে হ্যান্ডবলের বাঁশি ফুঁকান রেফারি। প্রথমার্ধে ইনজুরি সময়ে বার্সা তারকাকে কালিদু কলিবালি ফাউল করলে পেনাল্টি পায় স্বাগতিকরা এবং সফল স্পট কিকে স্কোরলাইন ৩-০ করেন উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার সুয়ারেজ। বিরতির আগে পেনাল্টি থেকে এক গোল শোধ দেয় নাপোলি এবং গোলশূন্য দ্বিতীয়ার্ধের পর ৩-১ ব্যবধানে জয়ের হাসি হাসেন সেতিয়েন আর তার শিষ্যরা।
অন্যদিকে ঘরের মাঠ আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় বায়ার্নের জয়ের নায়ক লেভানদোস্কি। পোলিশ স্ট্রাইকারের কাছে ‘স্রেফ’ উড়ে গেছে চেলসি। শেষ ষোলোর ফিরতি লেগে ৩১ বছর বয়সি ফরোয়ার্ড করেন জোড়া গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করান আরও দুটো। তাতে বøুজদের বাঁচা-মরার ম্যাচে জার্মান জায়ান্টরা জেতে ৪-১ ব্যবধানে এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ আট নিশ্চিত করে ৭-১ গোল অগ্রগামিতায় (দুই লেগ মিলিয়ে)।
স্বাগতিকদের গোলবন্যার শুরু দশম মিনিটে। আক্রমণ সানিয়ে পেনাল্টি আদায় করেন লেভানদোস্কি এবং নেন সফল স্পট কিক। ২৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ হয় ইভান পেরিসিচের স্ট্রাইকে। লেভানদোস্কির পাস ধরে জাল কাঁপান এই ক্রোয়াট মিডফিল্ডার। ৪৪ মিনিটে আব্রাহামের গোলেই স্কোরলাইন ২-১ করে অতিথিরা। কিন্তু দুর্দান্ত লেভানদোস্কির সঙ্গে পেরে ওঠেনি ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ডের শিষ্যরা। ৭৬ মিনিটে তোলিসোকে দিয়ে গোল করিয়ে চেলসি সব আশাই শেষ করে দেন পোলিশ স্ট্রাইকার এবং ৮৩ মিনিটে প্রতিপক্ষের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন লেভানদোস্কি নিজেই (৪-১)।





সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক : শাহনেওয়াজ দুলাল, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে
প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]