ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর ২০২০ ১৬ আশ্বিন ১৪২৭
ই-পেপার বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর ২০২০

১০ লাখ বৃক্ষরোপণ করবে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২০, ১২:০০ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 19

মুজিব বর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও এর অধীনস্ত সংস্থাসমূহের অফিস প্রাঙ্গণ, আওতাধীন জমি এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের খাল-নদীতীর ও অন্যান্য ফাঁকা জায়গায় বনজ, ফলজ ও ঔষধি গাছ রোপণের কর্মসূচি নিয়েছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়। সোমবার দুপুরে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংএ কর্মসূচি জানানো হয়।
এ বিষয়ে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম বলেন, মুজিব বর্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় বনায়ন ও সবুজ বেষ্টনীর লক্ষ্যে ১ কোটি চারা রোপণ কর্মসূচি চালু হয়েছে। দেশে মোট বনভূমি ২৫ শতাংশে উন্নীত করার নির্দেশনা দিয়েছেন। সে অনুশাসন পালনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৫৯টি বিভাগের অধীনে প্রায় ২ হাজার ৫শত কিমি দৈর্ঘ্যে মোট ১০ লাখ বৃক্ষরোপণ করা হবে। আমরা আগামী ১১-১৪ আগস্ট এবং ২৭-৩০ আগস্ট দুই ধাপে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সব জেলাসমূহে বৃক্ষরোপণ কাজ তদারকি করবেন। প্রত্যেক এলাকার সংসদ সদস্যসহ স্থানীয় প্রশাসন, সংবাদ মাধ্যমের সদস্য, সুশীল সমাজ, স্কাউটস এবং মুক্তিযোদ্ধাদের এ কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
এই কর্মসূচির গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেন, একটি গাছ সারা জীবনে কমপক্ষে আড়াই লাখ টাকার ভূমিক্ষয় রোধ করে। উপকূলীয় এলাকায় দেখা যায়, সব দুর্যোগে যেখানে গাছ আছে সেখানে ক্ষয়ক্ষতি কম হয়। বাঁধ টেকসই করতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই।
পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেন, নির্ধারিত ১৫-২০ দিনের মধ্যেই ১০ লাখ চারা রোপণের লক্ষ্য আমরা পূরণ করতে পারব। মুজিব বর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এই চারা রোপণ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচি সফল করতে আমাদের তৃণমূল পর্যায়ে নির্দেশনা দেওয়া আছে ।
এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার বলেন, আমরা বন বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে জেলা পর্যায়ে ভূ-প্রকৃতি, পরিবেশ প্রতিবেশ বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে নির্ধারিত প্রজাতির চারা রোপণ করব। কারণ সব এলাকায় সব চারা বাঁচবে না। কাল থেকে শুরু হয়ে মাসব্যাপী চালু থাকবে আমাদের প্রোগ্রাম। ১১-১৪ আগস্ট এবং ২৭-৩০ আগস্ট এ দিনগুলো আমরা সবাইকে সম্পৃক্ত করে উৎসবমুখর পরিবেশে কাজ করব।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সি-ডাইকের উভয় ঢাল ও অফশোরে সবুজায়ন যোগ্য গাছের প্রজাতির মধ্যে রয়েছেÑ নারিকেল, কেওড়া, গেওয়া, ঝাউ ইত্যাদি। বাপাউবোর বিভিন্ন রেগুলেটর সাইটে সবুজায়নযোগ্য গাছের প্রজাতি হচ্ছে আম, জাম, কদম, বকুল, পলাশ, হাসনাহেনা, গন্ধরাজ, সোনালু, কৃষ্ণচুড়া, মান্দার ইত্যাদি। বাপাউবোর সেচ ও নিষ্কাশন খালের উভয় পাড়ে সবুজায়নযোগ্য গাছের প্রজাতির মধ্যে রয়েছে তাল, নারিকেল, সুপারি ও খেজুর।
বাপাউবো কলোনিতে সবুজায়নযোগ্য গাছের মধ্যে রয়েছেÑ আম, কাঁঠাল, দেশি পেয়ারা, দেশি বরই, আমড়া, আমলকি, নারিকেল, কদম, বকুল, পলাশ, গন্ধরাজ ইত্যাদি। বাপাউবো আওতাধীন জমিতে লাগানো হবে জারুল, বাবলা, হিজল, শিশু ইত্যাদি। এ ছাড়া উপকূলীয় বাঁধের সবুজায়নে পুনিয়াল, বাবলা, গেওয়া, ঝাউ এবং ডুবন্ত বাঁধের উভয় দিকে টো-লাইনের সবুজায়নযোগ্য হিজল, জারুল, পিটালি, তমাল, বরুন ইত্যাদি গাছ লাগানো হবে।






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক : শাহনেওয়াজ দুলাল, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে
প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]