ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ ৩ আশ্বিন ১৪২৭
ই-পেপার শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু এসআই জাহিদের পক্ষে ক্ষতিপূরণের টাকা জমা
আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১১:২৮ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 11

থানায় ধরে নিয়ে পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনে গাড়িচালক ইশতিয়াক হোসেন জনিকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় যাবজ্জীবন দÐপ্রাপ্ত আসামি তৎকালীন পল্লবী থানার এসআই জাহিদুর রহমান জাহিদের পক্ষে ক্ষতিপূরণের ২ লাখ টাকা জমা দিয়েছে তার পরিবার। বুধবার এসআই জাহিদের পক্ষে আইনজীবী ফারুক আহাম্মদ ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশের অনুমতি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে এই টাকা জমা দেন। ক্ষতিপূরণের এই টাকা ভিকটিমের পরিবার পাবে। আইনজীবী ফারুক আহাম্মদ জানান, ক্ষতিপূরণের ২ লাখ টাকা জমা না দিয়ে আমরা আসামির পক্ষে আপিল করতে পারছিলাম না। আদালতের নির্দেশে ক্ষতিপূরণের ২ লাখ টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিয়েছি। এখন যাবজ্জীবন কারাদÐের আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করব। আশা করছি, উচ্চ আদালতে ন্যায়বিচার পাব।
গত ৯ সেপ্টেম্বর এই মামলায় এসআই জাহিদ, এএসআই রাশেদুল ইসলাম ও কামরুজ্জামান মিন্টুকে যাবজ্জীবন কারাদÐের আদেশ দেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে ১ লাখ টাকা করে অর্থদÐ, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদÐের নির্দেশ দেন আদালত। এ ছাড়া তিন পুলিশ সদস্যকে ভিকটিমের পরিবারকে ১৪ দিনের মধ্যে ২ লাখ টাকা করে দিতে হবে বলে রায়ে বলা হয়। ক্ষতিপূরণের প্রশ্নে কোনো আপিল চলবে না বলে রায়ে উল্লেখ করেন বিচারক। আসামিদের মধ্যে এএসআই কামরুজ্জামান মিন্টু এবং পুলিশের সোর্স রাসেল জামিনে গিয়ে পলাতক। এ ছাড়া এই মামলার অন্য দুই আসামি পুলিশের ‘সোর্স’ রাশেদ ও সুমনকে সাত বছর করে সশ্রম কারাদÐের আদেশ দেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদÐের আদেশ দেন আদালত।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ৮ ফেব্রæয়ারি মিরপুর-১১ নম্বর সেক্টরে স্থানীয় সাদেকের ছেলের গায়েহলুদ অনুষ্ঠান চলাকালে পুলিশের সোর্স সুমন মেয়েদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করে। এ সময় জনি ও তার ভাই দুজনেই সুমনকে চলে যেতে বলেন। সুমন চলে গেলেও পরদিন এসে আবার আগের মতো আচরণ করতে থাকে। তখন জনি ও তার ভাই তাকে চলে যেতে বললে সুমন পুলিশকে ফোন করে তাদের ধরে নিয়ে যায়।
তাদের নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকার লোকজন ধাওয়া দিলে পুলিশ গুলি ছোড়ে। পরে থানায় নিয়ে জনিকে নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে জনির অবস্থা খারাপ হলে ন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থা আরও খারাপ হওয়ায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই ঘটনায় ২০১৪ সালের ৭ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে নির্যাতন ও পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে পল্লবী থানার ওসি জিয়াউর রহমানসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নিহত জনির ছোটভাই ইমতিয়াজ হোসেন রকি।





সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক : শাহনেওয়াজ দুলাল, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে
প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]