ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা সোমবার ২৬ অক্টোবর ২০২০ ১১ কার্তিক ১৪২৭
ই-পেপার সোমবার ২৬ অক্টোবর ২০২০

হাইকোর্টের প্রশ্ন
বিচারের আগে ব্যক্তিকে কেন মিডিয়ার সামনে আনা হয়
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১১:৪৪ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 20

আসামি কিংবা অভিযুক্তকে গ্রেফতার বা আটকের পর, বিচার শেষ হওয়ার আগেই কেন মিডিয়ার সামনে আনা হয়Ñ তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন হাইকোর্ট। নারায়ণগঞ্জের স্কুলছাত্রী জীবিত থাকার পরও তাকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে করা মামলায় আসামিদের স্বীকারোক্তি আদায়ের যৌক্তিকতা নিয়ে হাইকোর্টে করা আবেদনের শুনানিতে এমন প্রশ্ন তোলেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারোয়ার হোসেন বাপ্পী। দুই তদন্তকারী কর্মকর্তার পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মুনসুরুল হক চৌধুরী। শুনানি শেষ হওয়ার পর আদালত ২৪ সেপ্টেম্বর এ মামলার আদেশের দিন নির্ধারণ করেন।
এ সময় আদালত বলেন, আসামিদের গ্রেফতারের পরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্রিফিংয়ের ব্যবস্থা করে। তখন ব্যক্তিকে মিডিয়ার সামনে আনা বিচারকে প্রভাবিত করার সমান বলেও মন্তব্য করেন হাইকোর্ট। বিচার শেষ হওয়ার আগেই এভাবে ব্যক্তিকে মিডিয়ার সামনে উপস্থিত করা হয়, তা কি ঠিক? কোনো বিষয়ে তদন্ত চলার পর রিপোর্ট দেওয়ার আগেই ঘটনা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মিডিয়ার সামনে কথা বলে, যা অনুচিত। তখন সাংবাদিকরা কী করবে? তারা এসব ঘটনা পেলে তো লিখবেই। আইনজীবী শিশির মনির শুনানিতে বলেনÑ যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, নেদারল্যান্ডসসহ বিশে^র বিভিন্ন দেশে আসামির জবানবন্দি গ্রহণের সময় আইনজীবীর উপস্থিতিতে বা আইনজীবীর মাধ্যমে নিয়ে নেন। দেশেও ১৬৪ ধারায় আসামির জবানবন্দি গ্রহণের সময় আইনজীবীর উপস্থিত থাকা উচিত। নারায়ণগঞ্জে এক কিশোরীকে অপহরণ করে গণধর্ষণের পর শ^াসরোধে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় আসামিদের স্বীকারোক্তি আদায় সংক্রান্ত জবানবন্দি গ্রহণের কার্যক্রমের বৈধতা ও যৌক্তিকতার প্রশ্ন তুলে করা আবেদনের (রিভিশন) ওপর শুনানি হয় ২৭ আগস্ট। এরপর ওইদিনই বিচারিক আদালতের সব রেকর্ড ও মামলার দুই তদন্তকারী কর্মকর্তাকে তলব করেছিলেন হাইকোর্ট। তলবের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় দুই তদন্ত কর্মকর্তা হাইকোর্টে উপস্থিত হন। এর শুনানি নিয়ে এই আদেশ দেন আদালত। ৪ জুলাই পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী দিশা নিখোঁজ হয়। ৬ আগস্ট নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর বাবা জাহাঙ্গীর হোসেন নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় অপহরণ মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ আব্দুল্লাহ, রকিব ও খলিল নামে তিনজনকে গ্রেফতার করেন। তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।
স্বীকারোক্তিতে তারা বলে, তারা দিশাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ শীতলক্ষ্যা নদীতে ভাসিয়ে দেয়। জবানবন্দি গ্রহণের পর আসামিদের জেলে পাঠানো হয়। কিন্তু ২৩ আগস্ট দিশাকে খুঁজে পাওয়া গেছে, সে বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ সদর থানা পুলিশ হেফাজতে। এরপর আসামিরা কীভাবে ধর্ষণ ও হত্যা সম্পর্কিত স্বীকারোক্তি দিল সে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। জীবিত থাকার পরও নারায়ণগঞ্জের স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে করা মামলায় আসামিদের স্বীকারোক্তি আদায় সংক্রান্ত সদর থানার কার্যক্রমের বৈধতা ও যৌক্তিকতার প্রশ্নে হাইকোর্টে আবেদন করেন সুপ্রিমকোর্টের পাঁচ আইনজীবী।
এফবিসিসিআই সভাপতি ফাহিমের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাশ ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বৃহস্পতিবার মতিঝিলে অবস্থিত এফবিসিসিআই ভবনে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাতে ভারতীয় হাইকমিশনার এবং এফবিসিসিআই সভাপতি করোনা মহামারির প্রভাব কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্কের উন্নয়ন প্রচেষ্টার অগ্রগতি বিষয়ে আলোচনা করেন। সাক্ষাতের সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশনার শ্রী বিশ^দীপ দে, ভারতের বাণিজ্যিক প্রতিনিধি প্রমেশ ব্যাসাল এবং এফবিসিসিআইর সহসভাপতি রেজাউল করিম রেজনু ও পরিচালক মুনির হোসেনও উপস্থিত ছিলেন।ষ নিজস্ব প্রতিবেদক






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক : শাহনেওয়াজ দুলাল, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে
প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]