ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর ২০২০ ১৪ কার্তিক ১৪২৭
ই-পেপার বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর ২০২০

বিরামপুরে পাটের চড়া দামে কৃষকের মুখে হাসি
বিরামপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ২:১৮ পিএম আপডেট: ২২.০৯.২০২০ ২:৪১ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 356

সকালে বাড়ি সামনে বয়ে যাওয়া চিরিরপাড়ে কাঠফাটা রোদে বাঁশে ঝুলিয়ে পাট শুকাচ্ছেন গ্রামের পাটচাষী অলিমুদ্দিন মণ্ডল (৬৫)। এবার পাটের আবাদ কেমন হয়েছে এমন প্রশ্নের উত্তরে মুখভরা হাসি নিয়ে তিনি বললেন, এবার পাটের আবাদও ভালো, দামও ভালো।

বিগত বছরের সব রেকর্ড ভেঙে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায়  চলতি মৌসুমে পাটের উৎপাদন বেশি হয়েছে। সেইসাথে এবার বাজারে পাটের মূল্য তুলনামূলক বেশি পাওয়ায় কৃষকের মুখে ফুটেছে। বাজারে পাটের ন্যায্য মূল্য পেয়ে খুশি এলাকার পাট চাষীরা।

বিরামপুর উপজেলার মুকুন্দপুর ও কাটলা ইউনিয়নে প্রতিবছর পাটের আবাদ সবচেয়ে বেশি হয়ে থাকে। তার ধারাবাহিকতায় এবারও এলাকার পাটচাষীরা প্রচুর পাটের আবাদ করেছেন।

উপজেলা কৃষি অফিসসূত্রে জানা যায়, চলতি খরিপ-১ মৌসুমে বিরামপুর উপজেলায় মুকুন্দপুর, কাটলা, জোতবানী, পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিভিন্ন মাঠের ২০০ হেক্টর জমিতে প্রায় ৩ হাজার ৩৫০ জন কৃষক পাট আবাদ করেছেন। এসব জমিতে ও-৯৮৯৭, জলভ্যালী এবং রবি-১ জাতের পাট আবাদ হয়েছে। কৃষকদেরকে পাটচাষে ভালো ফলনের জন্য কৃষি অফিস থেকে সবধরণের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

সোমবার উপজেলার বিভিন্ন বাজারে পাটের আড়ত ঘুরে দেখা যায়, ভালো মানের প্রতিমণ পাট ২৫শ থেকে ২৬শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পাটের ন্যায্য মূল্য পেয়ে হাসিমুখে বাড়ি ফিরছেন পাটচাষীরা। উপজেলার কাটলাহাটে পাট বিক্রি করতে আসা বেনুপুর গ্রামের পাটচাষী আতিয়ার রহমান জানান, এ বছর ৪ বিঘা জমিতে জাতের পাট আবাদ করেছি। বিঘাপ্রতি ১০ মণ করে পাট হয়েছে। জমি চাষ থেকে শুরু করে শুকনা পাট স্থানীয় হাটে পৌঁছা পর্যন্ত বিঘাপ্রতি প্রায় ১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আর বিক্রি হয়েছে ২৫ হাজার টাকা। খরচ বাদ দিয়ে ৪ বিঘা জমির পাট বিক্রি করে ৬০ হাজার টাকা লাভ হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নিকছন চন্দ্র পাল বলেন, চলতি মৌসুমে বিরামপুর উপজেলায় ১৯০ হেক্টর জমিতে পাট আবাদের লক্ষমাত্রা ছিল এবং ২০০ হেক্টর জমিতে পাট আবাদ হয়েছে। খরিপ-১ মৌসুমে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে প্রান্তিক পর্যায়ের ৬০ জন কৃষককের মাঝে সরকারি প্রণোদনা হিসেবে রবি-১ জাতের পাটবীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

কৃষি কর্মকর্তা আরো বলেন, এবছর উপজেলায় পাটের আবাদ ভালো হয়েছে। সেইসাথে এবারে বাজারে পাটের দাম ভালো পাওয়ায় আগামীতে পাটচাষে অন্যান্য কৃষকের আগ্রহ বাড়বে।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক : শাহনেওয়াজ দুলাল, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে
প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]