ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শুক্রবার ২৩ অক্টোবর ২০২০ ৮ কার্তিক ১৪২৭
ই-পেপার শুক্রবার ২৩ অক্টোবর ২০২০

ভোটারদের মন জয়ে মাঠে প্রার্থীরা
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১০:২১ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 13

যতই ঘনিয়ে আসছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) নির্বাচন, ততই বাড়ছে উত্তেজনা। অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে বাফুফে নির্বাচন। আরও নির্দিষ্ট করে বললে, ৩ অক্টোবর হবে ভোটের লড়াই। তার আগে নির্বাচনি প্রচারণায় একে-অন্যের বিরুদ্ধে ‘কুৎসা’ রটনায় নেমেছে দুই প্যানেল। এতে ক্রমশই উত্তপ্ত হচ্ছে ভোটের মাঠ। পরিবেশ যেন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায় সে ক্ষেত্রে সজাগ নির্বাচন কমিশন। তাই প্রার্থীদের আচরণবিধি মানতে দেওয়া হয়েছে কঠোর নির্দেশনা।
আসন্ন নির্বাচনে দুই প্যানেলে লড়ছে প্রার্থীরা। একটি বাফুফের বর্তমান সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত পরিষদ। আরেকটি শেখ মোহাম্মদ আসলামের নেতৃত্বাধীন সমন্বিত পরিষদ। দুই পক্ষই এখন দৌড়ঝাঁপ চালাচ্ছে ভোটারদের মন জয় করতে। সালাউদ্দিন বিরোধীরা ইতোমধ্যেই প্রচারণা চালিয়েছেন দেশের কিছু বিভাগে। তবে সালাউদ্দিনের পরিষদ নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণার পর আসলামের পরিষদ ব্যস্ত ঢাকামুখী প্রচারণায়। অন্যদিকে নীরবে নিজের মতো করেই কাজ করে যাচ্ছেন স্বতন্ত্র সভাপতি প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মানিক।
বাদল রায় সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেওয়ায় মানিকই এখন সভাপতি পদে একমাত্র প্রতিপক্ষ সালাউদ্দিনের। ওই প্রতিপক্ষকে টেক্কা দিতে মঙ্গলবার রাজধানীর নামি এক হোটেলে ক্লাবের ভোটারদের অ্যাপায়ন করেছে তার প্যানেল এবং বুধবার তারা বসেছিলেন জেলার ভোটারদের সঙ্গে। এদিন আসলামের প্যানেল আলোচনা করেছে নিজেদের মধ্যে, যা তাদের পরিচিতি ও ইশতেহার ঘোষণার কথা ছিল। কিন্তু তা হয়নি। নির্বাচনে সিনিয়র সহসভাপতি প্রার্থী আসলাম জানান, অক্টোবরের প্রথম দিনে প্যানেল পরিচিতি ও নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করবেন তারা।
এমন শান্তিময় প্রচারণার মধ্যেই কাদা ছুড়োছুড়ি শুরু করেছে দুই পরিষদের প্রার্থীরা। কিছুদিন আগে বাফুফে ভবনে বেশ ঘটা করে অনুষ্ঠান করে পাঁচ বছরের ‘বকেয়া ট্রফি’ ক্লাবগুলোকে বুঝিয়ে দেয় দেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা। ওইদিন ট্রফি বিতরণের অনুষ্ঠানে প্রতিপক্ষ প্রার্থীকে উদ্দেশ্য করে বক্তব্য দিয়েছেন সালাউদ্দিনের প্যানেল থেকে সিনিয়র সহসভাপতি পদের প্রার্থী আব্দুস সালাম মুর্শেদী, যা নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গ বলে অভিযোগ উঠেছে।
এমন অভিযোগ ইতোমধ্যে পৌঁছে গেছে নির্বাচন কমিশনের দরবারে। তাই হাত গুটিয়ে বসে নেই প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও রিটার্নিং অফিসার মেজবাহ উদ্দিন। দ্রæতই একটি নোটিস ইস্যু করেছেন তিনি। বুধবার তার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বাফুফে নির্বাচন বিধিমালার ৭(৭) ধারা অনুযায়ী নির্বাচনি প্রচারণা সংক্রান্ত বিধিসমূহ লঙ্ঘন করলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ কার্যত নির্বাচনকে শতভাগ নিরপেক্ষ এবং বিতর্কমুক্ত রাখতে কমিশন এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।
তার আগে মঙ্গলবার নির্বাচনের ভেন্যু প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেল পরিদর্শন করেছেন নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা। ওই সময় প্রার্থীদের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন কমিশন প্রধান মেজবাহ উদ্দিন। তিনি বলেছিলেন, ‘নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গ হয় এমন কোনো কার্যকলাপ না করতে আমরা সব প্রার্থীকে অনুরোধ জানাচ্ছি। এমন কিছু ঘটলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ যা এবার নোটিসের মাধ্যমে জানানো হলো, সালাউদ্দিন-আসলাম পরিষদের প্রার্থীদের।





সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক : শাহনেওয়াজ দুলাল, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে
প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]