ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা রোববার ১ নভেম্বর ২০২০ ১৭ কার্তিক ১৪২৭
ই-পেপার রোববার ১ নভেম্বর ২০২০

যুবলীগ নেতাকে চোখ বেঁধে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল
ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১১:১৬ পিএম আপডেট: ২৪.০৯.২০২০ ১১:৩৫ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 22

ফরিদপুরে ডিবি পুলিশের হাতে আটক যুবলীগের এক নেতাকে চোখ বেঁধে নির্যাতন এবং পুলিশ পরিদর্শকের সঙ্গে কথোপকথনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর তা ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার রাতে ফেসবুকে ভিডিওটি আপলোড করা হয়। নির্যাতনের শিকার ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আরাফাত হোসেন ভিডিওটি আপলোড করেন। ভিডিওতে দেখা গেছে, জিনসের প্যান্ট ও কোট পরা এক ব্যক্তির হাতে হাতকড়া। দুই চোখ গামছা দিয়ে বাঁধা। তার সামনে চেয়ারে বসা এক ব্যক্তি বলছেন, ‘তোর কী হইছে? কে মারছে? আমি তো তোগো লোক না। তোগো লোক হলে থানায় থাকতে পারতাম। আমি এমপি নিক্সন চৌধুরীর লোক।’
আরাফাতের দাবি চোখ বাঁধা ওই ব্যক্তি তিনি। আর চেয়ারে বসা ব্যক্তিটি ছিলেন ডিবির সাবেক ওসি আহাদুজ্জামান। আরাফাত জানান, গত ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ভাঙ্গার কাউলিবেড়া এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে এবং ১০ ফেব্রæয়ারি জামিনে বের হন। হাতকড়া পরিয়ে গাড়ির মধ্যে চারজন পুলিশ সদস্য আমাকে মারধর করে। পুখরিয়া এলাকায় আমাকে ডিবি পুলিশের গাড়িতে তুলে দেওয়া হয়। তখন আমার চোখ বেঁধে ফেলা হয়। নানাভাবে ভয় দেখানো হয়। বলা হয়, তোকে ক্রসফায়ারে দেব। সকালের সূর্য তুই দেখতে পারবি না। আজই তোর শেষ রাত।
পরে আমাকে চেয়ারে পিছমোড়া করে বাঁধা হয়। এরপর আমার দুই পায়ে বেতের লাঠি দিয়ে অন্তত ৩০ মিনিট পেটানো হয়। ১০ মিনিট বিরতি দিয়ে আবার পেটানো হয়। পরে সেখানে আসেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের তৎকালীন ওসি আহাদুজ্জামান। আরাফাতের দাবি, ওই ঘটনার ভিডিওটিই তিনি আপলোড করেছেন। তবে ভিডিওটি কে করেছে বা কোথায় তিনি পেয়েছেন সে বিষয়ে কিছু বলতে চাননি আরাফাত।
এ বিষয়ে আহাদুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, আমি আরাফাতকে চোখ বাঁধা অবস্থায় পেয়েছি। তাকে মারধর করা হয়েছে কি না জানি না। এর আগে আরাফাত আমাকে বলেছিলেন, আমি নাকি এমপি নিক্সন চৌধুরীর লোক। এর উত্তরে আমি বলেছি, নিক্সন চৌধুরীর লোক হলে আমি থানাতেই থাকতে পারতাম। এ বিষয়ে তিনি আর কিছু জানেন না বলেও দাবি করেন। এ ব্যাপারে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. আলিমুজ্জামান জানান, ঘটনার তদন্তে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) জামাল পাশাকে আহŸায়ক করে মঙ্গলবার রাতে পুলিশের তরফ থেকে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।





সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক : শাহনেওয়াজ দুলাল, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে
প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]