ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা মঙ্গলবার ২৪ নভেম্বর ২০২০ ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
ই-পেপার মঙ্গলবার ২৪ নভেম্বর ২০২০

ডিএনসিসিতে আর্থিক অনিয়ম
ভুয়া সিএনজি বিল দেখিয়ে  দুই কোটি টাকা আত্মসাৎ
রফিকুল ইসলাম সবুজ
প্রকাশ: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২০, ১১:১৭ পিএম আপডেট: ২০.১০.২০২০ ১১:৪৭ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 147

সিএনজি সরবরাহ ব্যবস্থা না থাকা সত্ত্বেও ভুয়া সিএনজি স্টেশন দেখিয়ে রাজধানীর সায়েদাবাদের পৌর ফিলিং স্টেশনের নামে ১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা বিল পরিশোধ দেখিয়ে তা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিরুদ্ধে। স্থানীয় ও রাজস্ব অডিট অধিদফতরের বিশেষ অডিট রিপোর্টে এই অনিয়ম ধরা পড়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত অডিট রিপোর্টে বলা হয়, সায়েদাবাদের পৌর ফিলিং স্টেশনে কেবলমাত্র অকটেন ও ডিজেল বিক্রি করা হয়। অথচ ২০১৪ সালে এই ফিলিং স্টেশনের নামে ভুয়া সিএনজি গ্যাস সরবরাহ দেখিয়ে বিল পরিশোধ করা হয়েছে ১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। সিএনজি গ্যাস স্টেশন না হওয়ায় কোনো সিএনজি না নিয়েই ভুয়া বিল দেখিয়ে এই টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অডিট রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়। রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয় ঢাকা শহরে সিএনজি সরবরাহ করার মতো পর্যাপ্ত সিএনজি স্টেশন থাকা সত্ত্বেও ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ তাদের মূল কার্যালয় থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ভুয়া সিএনজি স্টেশনের নামে সিএনজি বিল পরিশোধ করা আর্থিক শৃঙ্খলার পরিপন্থি। এবিষয়ে অডিট বিভাগ ২০১৫ সালের ২৮ জুন ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ ও এলজিআরডি মন্ত্রণালয়কে অবহিত করে। মন্ত্রণালয় ওই বছরের ২০ সেপ্টেম্বর অডিটের সুপারিশ অনুযায়ী ভুয়া বিলের মাধ্যমে নেওয়া টাকা সংশ্লিষ্ট দায়ী ব্যক্তিদের কাছ থেকে আদায় করে তার প্রমাণসহ জবাব অডিট অধিদফতরে পাঠানোর জন্য ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেয়। কিন্তু তার পরও এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অডিট রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। এই আর্থিক অনিয়মের বিষয়ে ডিএনসিসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কোনো কথা বলতে রাজি হননি।
স্থানীয় ও রাজস্ব অডিট অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. জাকির হোসেন খন্দকার প্রতিবেদনে এই আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের সুপারিশ করেছেন। প্রতিবেদনে তিনি বলেছেন, ২০১৩-২০১৪ অর্থ বছরে ডিএনসিসিতে ১৭টি নিরীক্ষায় ১৬ কোটি ৪৪ লাখ টাকার আর্থিক অনিয়ম হয়েছে। তবে আর্থিক অনিয়মের চিত্র পূর্ণাঙ্গ নয়। এটি অনিয়মের অংশ বিশেষ মাত্র। পূর্ববর্তী অডিটের সুপারিশ বাস্তবায়ন না করায় এ ধরনের আর্থিক অনিয়মগুলো সংঘটিত হচ্ছে।









সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক : শাহনেওয়াজ দুলাল, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে
প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]